প্রিন্ট এর তারিখ : ১০ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
ময়মনসিংহে ‘গৌরিপুর লজ’ ভবনে আবাসিক কার্যক্রম বন্ধকরণ এবং সর্বসাধারণের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্তকরণের দাবি
আওলাদ রুবেল , স্টাফ রিপোর্টার ||
ময়মনসিংহ নগরীর ঐতিহাসিক পুরাকীর্তি স্থাপনা ‘গৌরিপুর লজ’ ভবনে আবাসিক কার্যক্রম বন্ধকরণ এবং সর্বসাধারণের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্তকরণের দাবি জানিয়েছে পুরাকীর্তি সংরক্ষণ কমিটি, মযমনসিংহ অঞ্চল। এ দাবীতে আজ (৯ জুন ২০২৬) জেনারেল ম্যানেজার বিভাগীয় কার্যালয়, সোনালী ব্যাংক পিএলসি ময়মনসিংহ বরাবর স্বারক প্রেরণ করে সংগঠনটি।সংগঠনের সদস্য সচিব ইমতিয়াজ আহমেদ স্বাক্ষরিত স্বারকে উল্লেখ করা হয়, ‘গৌরিপুর লজ’ একটি অনন্য ঐতিহাসিক পুরাকীর্তি স্থাপনা। গৌরিপুরের তৎকালীন জমিদার ব্রজেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরী কর্তৃক নির্মিত এই দৃষ্টিনন্দন ভবনটি স্থাপত্যশৈলীর এক অনন্য নিদর্শন। ময়মনসিংহ নগরীর তিনটি ‘এ’ ক্যাটাগরির ঐতিহাসিক ভবনের (শশীলজ, আলেকজান্দ্রা ক্যাসেল ও গৌরিপুর লজ) মধ্যে এটি অন্যতম। বর্তমানে পুরো ক্যাম্পাস ও এই ঐতিহ্যবাহী ভবনটি সোনালী ব্যাংক পিএলসি, ময়মনসিংহ অঞ্চল ব্যবহার করছে। পূর্বে সোনালী ব্যাংক পিএলসি, ময়মনসিংহ অঞ্চল এর ব্যাংকিং কার্যক্রম এই ভবনে পরিচালিত হলেও বর্তমানে পাশে বহুতল ভবন নির্মাণ করে সেখানে ব্যাংকিং কার্যক্রম স্থানাস্তর করা হয়েছে। তবে অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, মূল ঐতিহাসিক ‘গৌরিপুর লজ’ ভবনটিকে বর্তমানে সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তাদের ডরমেটরি বা আবাসিক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই ঐতিহাসিক ভবনটিকে আবাসিক হিসেবে ব্যবহারের ফলে এর অভ্যন্তরীণ (ইন্টারনাল) কাঠামোতে নানাবিধ পরিবর্তন আনা হয়েছে। এবং হচ্ছে, যা এই প্রাচীন পুরাকীর্তির স্থায়ী ক্ষতিসাধন করছে। তদুপরি, ভবনটিতে কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত আবাসিক সংস্থান থাকায় নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার অজুহাতে কোনো দেশি বা বিদেশি পর্যটক, গবেষক কিংবা দর্শনার্থী এই ঐতিহাসিক ভবনটি দেখার বা পরিদর্শনের ন্যূনতম সুযোগ পাচ্ছেন না।পুরাকীর্তি সুরক্ষা কমিটি, ময়মনসিংহ অঞ্চল কর্তৃক এই ঐতিহাসিক পুরাকীর্তি ভবনটির ভেতরে চলমান সব ধরনের ডরমেটরি বা আবাসিক কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ করণ এবং ভবনটি যেন দেশি-বিদেশি দর্শনার্থী ও গবেষকরা বিনা বাধায় ও স্বাচ্ছন্দ্যে পরিদর্শন করতে পারেন তার ব্যবস্থা করণের দাবী জানানো হয়। এ ব্যাপারে সংগঠনটির সদস্য সচিব ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন,“পুরাকীর্তি স্থাপনা হলো চাক্ষুষ ইতিহাস। এসব স্থাপনাগুলো কেবল কোনো প্রতিষ্ঠানের সম্পদ নয়, এগুলো পুরো জাতির ঐতিহ্য। এ ধরনের স্থাপনার অপব্যবহার বন্ধ না হলে আমাদের পুরাকীর্তির ইতিহাস ধ্বংস হয়ে যাবে। যা কখনোই কাম্য হতে পারে না।”
সম্পাদক : এস এ শাহরিয়ার মিল্টন
মাহফুজা প্লাজা, ৫মতলা, শেরপুর শহর , শেরপুর।
প্রয়োজনে : ০১৭১১৬৬৪২১৭ । মেইল : hellosherpurtimes@gmail.com
কপিরাইট © ২০২৬ SherpurTimes24 । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত