প্রিন্ট এর তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
‘বাজেটের বিপক্ষে যারা রাস্তায় নামে তারা জনগণের জন্য রাজনীতি করে না’
নিউজ ডেস্ক ||
সদ্য ঘোষিত বাজেটের বিপক্ষে রাস্তায় নেমে মিছিল করায় জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। যারা বাজেট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে রাস্তায় নেমে এর বিপক্ষে মিছিল করে তারা জনগণের বন্ধু হতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।শনিবার (১৩ জুন) রাতে কক্সবাজারের চকরিয়ায় এক জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। দিনভর কক্সবাজারে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন তারেক রহমান। জনসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন বক্তব্য দেন। জুবাইদা রহমানসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।বাজেট নিয়ে সমালোচনা করায় জামায়াতের প্রতি ইঙ্গিত করে তারেক রহমান বলেন, বাজেট নিয়ে কিছু কিছু মানুষ সমালোচনা করছে। বাজেট অধিবেশন শেষ হওয়ার আগেই কিছু মানুষ রাস্তায় নেমে পড়ল। জনগণের বাজেট নিয়ে সমালোচনা করে যারা তারা জনগণের জন্য রাজনীতি করে না। তারা নির্বাচনের আগে টিকিট বিক্রি করে, তারা জনগণকে বিভ্রান্ত করে, বন্ধু হতে পারে না।জনসভায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ককে বর্তমান ৪ লেন থেকে ৬ লেনে উন্নীত করার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। তারেক রহমান বলেন, গত ২৫ বছরে কক্সবাজার অঞ্চলের গুরুত্ব বহুগুণ বেড়েছে। অচিরেই মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর চালু হবে, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ বাস্তবতায় কক্সবাজার-চট্টগ্রাম সড়ককে আরও আধুনিক ও সক্ষম করে গড়ে তোলা প্রয়োজন।সরকারপ্রধান বলেন, আগামী দিনের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও যানবাহনের ক্রমবর্ধমান চাপ বিবেচনায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কটি অন্তত ৬ লেনে উন্নীত হওয়া উচিত। এ সময় তিনি সড়কটি ৪ লেন থেকে ৬ লেনে উন্নীত করার ঘোষণা দেন এবং শিগগিরই এ প্রকল্পের কাজ শুরু হবে বলে জানান।লবণচাষিদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের লবণচাষিরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের সঠিক মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এ পরিস্থিতির পরিবর্তনে সরকার দ্রুত একটি মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা চালু করবে, যাতে লবণচাষিরা উৎপাদিত লবণের ন্যায্যমূল্য পান।সকালে ইউএস-বাংলার একটি ফ্লাইটে কক্সবাজারে আসেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান। এরপর তিনি পিএমখালী ইউনিয়নে পাতিলী খাল পুনঃখনন কর্মসূচি উদ্বোধন করেন, অংশ নেন সুধী সমাবেশে। এরপর ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন শেষে মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে পেকুয়া উপজেলায় জুলাই শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করেন তিনি।এরপরে নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভা এবং নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন সরকারপ্রধান। চকরিয়ার জনসভা শেষে তিনি কক্সবাজারে লং বিচ হোটেলে সুধী সমাবেশে যোগদান করবেন। এ কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী আকাশপথে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।
সম্পাদক : এস এ শাহরিয়ার মিল্টন
মাহফুজা প্লাজা, ৫মতলা, শেরপুর শহর , শেরপুর।
প্রয়োজনে : ০১৭১১৬৬৪২১৭ । মেইল : hellosherpurtimes@gmail.com
কপিরাইট © ২০২৬ SherpurTimes24 । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত