প্রিন্ট এর তারিখ : ২২ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
ঈশ্বরগঞ্জে পুকুর পাড়ের গাইড ওয়াল বিক্রি
আওলাদ রুবেল , স্টাফ রিপোর্টার ||
পুকুর পাড়ের টিন সেটের গাইড ওয়াল বিক্রির এক মাস পেরিয়ে গেলেও ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের পাম্প অপারেটর কাঞ্চন মিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে একে অন্যের প্রতি দায়ভার চাপাচ্ছেন। এনিয়ে অফিসের ভেতরে বাহিরে চলছে নানা সমালোচনা। এর আগেও নারী কেলেঙ্কারীসহ নানা অপকর্মে জড়িয়ে বারবার আলোচনায় আসেন কাঞ্চন মিয়া।গত ২০ মে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারের পুকুর পাড়ের ৫০টি টিনশেডের গাইড ওয়াল তুলে বিক্রির অভিযোগে পাম্প অপারেটর মো.কাঞ্চন মিয়াকে কারণ দর্শানোর নোটিশ করা হয়। নোটিশে খামার ব্যবস্থাপকের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মায়মুনা জাহান উল্লেখ করেন, কাঞ্চন মিয়া আপনি স্বীকার করেছেন যে ১৯ মে পুকুর পাড়ের ৫০টি টিনশেডের গাইড ওয়াল তুলে বিক্রি করেছেন। এতে পুকুর পাড় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিষয়টি চাকরি বিধিমালা পরিপন্থি; কেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না তিনদিনের মধ্যে জানতে চাওয়া হয় নোটিশে।নোটিশ পাওয়ার কথা স্বীকার করে কাঞ্চন মিয়া বলেন, খামারের পুকুর পাড়ের ৫০টি টিনশেডের গাইড ওয়াল তুলেছি ঠিকই তবে বিক্রি করিনি। এসব একটি ঘরে সুরক্ষিত আছে। আপনারাও এসে দেখে যান। আমি অন্যায় না করলে আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কোন সুযোগ নেই। ঈশ্বরগঞ্জের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মায়মুনা জাহান বলেন, খামার ব্যবস্থাপক শামীমা সুলতানা পবিত্র হজ পালনে ছুটিতে থাকায় তখন আমি অতিরিক্ত দায়িত্বে ছিলাম। সে সময় কাঞ্চন মিয়া গাইড ওয়াল চুরি করে বিক্রি করে। যা স্বীকারও করেছে। কাঞ্চন মিয়ার জবাবসহ লিখিত কাগজ জেলায় পাঠানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে কি ধরণের ব্যবস্থা নেয়া হবে বিষয়টি জেলা অফিস বুঝবে।ঈশ্বরগঞ্জ মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারের ব্যবস্থাপক শামীমা সুলতানা বলেন, আমি হজ থেকে এসে বিষয়টি শুনেছি। এখন কাঞ্চন মিয়ার বিরুদ্ধে উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা না নিলে আমাদের বা কি করার আছে?বিগত সময়েও নারী কেলেঙ্কারীসহ কাঞ্চান মিয়ার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ত্রিশালে কাঞ্চন মিয়া আমার সাথে কাজ করলেও সেসব বিষয়ে কিছু বলতে চাচ্ছি না। তবে কিছু তো করেছেই।ময়মনসিংহ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আরাফাত উদ্দিন আহামেদ বলেন, কাঞ্চন মিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আমরা উপজেলা থেকে এখনও কোন চিঠি পায়নি। পেলে কি ধরণের ব্যবস্থা নেওয়া যায় আইন অনুযায়ী তা করা হবে।উপজেলা অফিস থেকে নোটিশের জবাবসহ লিখিত পাঠানো হয়েছে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমি ঢাকায় রয়েছি; তাহলে গিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সম্পাদক : এস এ শাহরিয়ার মিল্টন
মাহফুজা প্লাজা, ৫মতলা, শেরপুর শহর , শেরপুর।
প্রয়োজনে : ০১৭১১৬৬৪২১৭ । মেইল : hellosherpurtimes@gmail.com
কপিরাইট © ২০২৬ SherpurTimes24 । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত