প্রিন্ট এর তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষকদের অংশগ্রহণ বন্ধে আইন প্রণয়নের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর
নিউজ ডেস্ক ||
শিক্ষার পরিবেশ রক্ষা ও ক্লাসে পড়াশোনার ক্ষতি এড়াতে চাকরি সচল রেখে শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ বন্ধে আইন প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এমন ব্যবস্থা করা উচিত যেন শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন। আর কেউ যদি নির্বাচন করতেই চান, তবে তাকে আগে চাকরি ছাড়তে হবে।বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ইউনেস্কো আয়োজিত গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশনের ‘সিস্টেম ট্রান্সফরমেশন গ্রান্ট ও মাল্টিপ্লায়ার গ্রান্ট’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, স্থানীয় নির্বাচনে ৪ হাজার ৫৭৩টি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদ, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ ৪৯৩টি। পাশাপাশি কাউন্সিলর ও মেম্বার পদও অনেক। এসব নির্বাচনে অনেক সময় দেখা যায় অসংখ্য শিক্ষক অংশ নেন। ঠিক কতজন অংশ নেন বা নিতে পারেন, তা আমি বলছি না। তবে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অংশ নেন।তিনি আরও বলেন, এটার ক্ষেত্রে সংবিধানে কোনও বাধা নেই। কিন্তু এতে ক্লাস-পড়াশোনার ক্ষতি হয়। ওই শিক্ষক নেতার জন্য অন্য শিক্ষক; এমনকি ছাত্র-ছাত্রীরাও ভোটের মাঠে নেমে পড়েন। সবমিলিয়ে একটা নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। সেজন্য আমি বলেছি যেন একটা আইন হয়। সার্ভিসে থেকে, চাকরি করে, সরকারি অর্থ নিয়ে এভাবে নির্বাচন করে শিক্ষার ক্ষতি করা কাম্য নয়।তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এমন ব্যবস্থা করা উচিত, যেন শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন। আর যদি কেউ নির্বাচন করতে চান, তাহলে আগে চাকরি ছেড়ে দিতে হবে।শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা খাতে বিনিয়োগের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়নে যেসব বিনিয়োগ করা হচ্ছে, সেগুলো যেন কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।মন্ত্রী বলেন, আগামী দিনের নির্বাচনগুলোতে শিক্ষকরা যেন অংশগ্রহণ না করেন এবং সরকার যেন এ ধরনের একটি আইন তৈরি করে। শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যেন না যান। যদি কেউ নির্বাচন করতে চান, তাহলে তারা যেন আগে চাকরি ছেড়ে দেন।ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষকদের যে প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা এবং শিক্ষকদের উন্নয়নের জন্য আমরা যে বিনিয়োগগুলো করছি, সেগুলো যেন যথাযথভাবে হয়। আমরা যেন আগামী দিনে একটি সুন্দর জাতি গঠন করতে পারি- এ প্রত্যয় নিয়েই আজকের প্রধানমন্ত্রী এগিয়ে যাচ্ছেন।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক। এছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউনেস্কোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
সম্পাদক : এস এ শাহরিয়ার মিল্টন
মাহফুজা প্লাজা, ৫মতলা, শেরপুর শহর , শেরপুর।
প্রয়োজনে : ০১৭১১৬৬৪২১৭ । মেইল : hellosherpurtimes@gmail.com
কপিরাইট © ২০২৬ SherpurTimes24 । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত