প্রিন্ট এর তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ও রোটারি ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে অর্থপাচারসহ একাধিক অভিযোগ
নিউজ ডেস্ক ||
রোটারি ইন্টারন্যাশনাল (রোটারি) এবং রোটারি ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে অর্থপাচার, বৈদেশিক মুদ্রা পাচার, কর ফাঁকি, অবৈধ আর্থিক লেনদেন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ এনে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।গত ৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে দাখিল করা ওই অভিযোগপত্রে আবেদনকারী ইব্রাহিম খলিল মিন্টু, যিনি রোটারি ক্লাব অব চিটাগাং বেঙ্গল সিটি (ডিস্ট্রিক্ট-৬৫) সাবেক প্রেসিডেন্ট, দাবি করেন যে দীর্ঘদিন ধরে রোটারি বাংলাদেশের কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি বিভিন্ন আর্থিক অনিয়ম ও আইন লঙ্ঘনের তথ্য জানতে পেরেছেন।অভিযোগপত্রে বলা হয়, রোটারি ইন্টারন্যাশনাল একটি আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা হলেও বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন, নিবন্ধন, বৈধ আইনি সত্তা (Legal Entity) কিংবা ফিসকাল এজেন্ট হিসেবে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না—তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে।আবেদনকারী আরও অভিযোগ করেন, বাংলাদেশে সংগঠনটির সদস্যসংখ্যা আনুমানিক ৮০০০ (আট হাজার) হলেও সদস্যদের কাছ থেকে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহ করে বিদেশে পাঠানো হয়েছে। এতে Foreign Exchange Regulation Act, 1947-এর বিধান লঙ্ঘিত হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।অভিযোগে আরও বলা হয়, সংগঠনটির আওতায় বিভিন্ন ক্যাটাগরির সদস্যদের কাছ থেকে বার্ষিক চাঁদা, মেজর ডোনেশন, পল হ্যারিস ফেলো (PHF) এবং মাল্টিপল পল হ্যারিস ফেলো (MPHF) কর্মসূচির নামে প্রতিবছর বিপুল অঙ্কের অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব অর্থ বিদেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন এবং কর-সংক্রান্ত বিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে The Rotary Foundation, Rotary International, Annual Rotary Conference 2026 এবং Rotary ILTS 2026-এর নামে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব খুলে অর্থ সংগ্রহ ও স্থানান্তর করা হয়েছে। অভিযোগপত্রে ট্রাস্ট ব্যাংক ও ঢাকা ব্যাংকের কয়েকটি নির্দিষ্ট হিসাব নম্বরও উল্লেখ করা হয়েছে।এছাড়া অভিযোগে এছাড়া অভিযোগে সাবেক জেলা গভর্নর (PDG) ইশতিয়াক জামান, পিডিজি মোহাম্মদ আইয়ুব এবং ভারতীয় নাগরিক পিডিজি আশীষ ঘোষের নাম উল্লেখ করে বলা হয়েছে, তারা দীর্ঘ সময় ধরে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে যুক্ত আছেন।আবেদনকারী দাবি করেন, এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২, Foreign Exchange Regulation Act, 1947 এবং আয়কর আইনের বিভিন্ন বিধান লঙ্ঘিত হয়ে থাকতে পারে।এ প্রেক্ষাপটে তিনি দুর্নীতি দমন কমিশনের কাছে বিষয়টি Prima Facie Inquiry-এর মাধ্যমে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন।
সম্পাদক : এস এ শাহরিয়ার মিল্টন
মাহফুজা প্লাজা, ৫মতলা, শেরপুর শহর , শেরপুর।
প্রয়োজনে : ০১৭১১৬৬৪২১৭ । মেইল : hellosherpurtimes@gmail.com
কপিরাইট © ২০২৬ SherpurTimes24 । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত