প্রিন্ট এর তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পাদকদের বৈঠক, সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে আলোচনা
নিউজ ডেস্ক ||
কোনো সাংবাদিককে পেশাগত দায়িত্ব পালনের কারণে যেন সরাসরি গ্রেফতার করা না হয়—প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে এমন অনুরোধ জানিয়েছেন ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের নেতারা। তাঁদের বক্তব্য, কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ বা মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ থাকতেই পারে। সে ক্ষেত্রে তাঁদের পরামর্শ হলো, আদালত প্রয়োজন হলে সমন জারি করবেন, তবে সরাসরি গ্রেফতার করা হবে না।সোমবার (২৭ জুলাই) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের নির্বাহী কমিটির সদস্যদের সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান সংগঠনটির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মাহমুদুর রহমান।প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার বিষয় তুলে ধরে মাহমুদুর রহমান বলেন, সাংবাদিকদের প্রশ্ন করার অধিকার যেন খর্ব করা না হয়। সাংবাদিকরা রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকা ব্যক্তিদের যেমন প্রশ্ন করবেন, তেমনি বিরোধী দলকেও প্রশ্ন করবেন।ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের যুগ্ম আহ্বায়ক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। আলোচনার মূল বিষয় ছিল, বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা কীভাবে আরও উন্নত করা যায়।তিনি বলেন, হাসিনার ফ্যাসিস্ট আমলে প্রশ্ন করার কারণে মানুষের ওপর কীভাবে নির্যাতন করা হয়েছে এবং চাটুকারিতা কীভাবে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল, তা তাঁরা দেখেছেন। তাই সাংবাদিকদের প্রশ্ন করার অধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।প্রেস কাউন্সিলকে আরও শক্তিশালী করার বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন সংগঠনটির নেতারা।মাহমুদুর রহমান বলেন, প্রেস কাউন্সিলকে আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। সেখানে যোগ্য ও স্বাধীনচেতা ব্যক্তিদের নিয়োগ দিতে হবে। মেরুদণ্ডহীন মানুষকে সেখানে আর না পাঠানোর দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানানো হয়েছে।তিনি জানান, প্রেস ট্রাস্ট পুনরুজ্জীবনের বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, আগের সরকার চারটি পত্রিকা বন্ধ করে দিয়েছিল। এর মধ্যে টাইমস বাংলা ট্রাস্ট পুনরুজ্জীবিত করা গেলে দৈনিক বাংলা ও বিচিত্রাসহ পত্রিকাগুলো আবার প্রকাশ করা সম্ভব হবে। এতে অনেক সাংবাদিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।মাহমুদুর রহমান বলেন, কোনো সাংবাদিক যদি ফৌজদারি অপরাধ করেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে সরকার আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতেই পারে। কারণ, ফৌজদারি অপরাধ ও সাংবাদিকতা এক বিষয় নয়। ফৌজদারি অপরাধের ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।তিনি আরও জানান, মিডিয়া কমিশন দ্রুত গঠনের জন্যও প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ সময় ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের আহ্বায়ক শফিক রেহমানসহ সংগঠনটির অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সম্পাদক : এস এ শাহরিয়ার মিল্টন
মাহফুজা প্লাজা, ৫মতলা, শেরপুর শহর , শেরপুর।
প্রয়োজনে : ০১৭১১৬৬৪২১৭ । মেইল : hellosherpurtimes@gmail.com
কপিরাইট © ২০২৬ SherpurTimes24 । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত