প্রিন্ট এর তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনকে নিয়ে মিলল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য
নিউজ ডেস্ক ||
চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তারের পর তার অপরাধ জগতের নেটওয়ার্ক, চাঁদাবাজির অর্থের প্রবাহ, অস্ত্রের উৎস এবং ভারতে পালানোর পরিকল্পনা নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছে পুলিশ। তদন্তে জানা গেছে, ভারতে পালানোর উদ্দেশ্যে ‘আজহার খান’ নামে একটি আধার কার্ডও তৈরি করেছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম এ তথ্য জানান।তিনি বলেন, গ্রেপ্তারের সময় ডেভিড ইমনের কাছ থেকে ভারতের একটি আধার কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পালানোর প্রস্তুতি নিয়েছিলেন তিনি। এ পরিকল্পনা ভারতে অবস্থানরত সাজ্জাদ আলীর পরামর্শে করা হয়েছিল এবং সীমান্তের ওপারে তাকে গ্রহণের জন্য লোকজনও প্রস্তুত ছিল।পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া আধার কার্ডে ‘আজহার খান’ নামে একটি পরিচয় ব্যবহার করা হয়েছে। এতে ভারতীয় নাগরিক পরিচয়পত্রের আদলে ছবি, জন্মতারিখ ও পরিচয় নম্বর রয়েছে। কার্ডটি আসল, নকল নাকি জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি—তা যাচাই করা হচ্ছে। প্রয়োজনে এ বিষয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তথ্য বিনিময় করা হবে।তদন্তে আরও জানা গেছে, ডেভিড ইমন ও আরেক সন্ত্রাসী রায়হান নিজেদের মধ্যে এলাকা ভাগ করে চাঁদাবাজি পরিচালনা করতেন। ডেভিড ইমন চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় এবং রায়হান চট্টগ্রাম জেলা এলাকায় নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করতেন। একজনের এলাকায় অন্যজন কার্যক্রম পরিচালনা করতেন না বলেও জানিয়েছে পুলিশ।পুলিশের ভাষ্য, কয়েকদিন ধরে দেশের বিভিন্ন জেলায় অভিযান, প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ, সিসিটিভি ফুটেজ এবং গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে যশোরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ডেভিড ইমনসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন—কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের মো. শামীম (২৮), ঢাকার শ্যামপুরের আল ইসলাম আলিফ ওরফে তমাল (২৫) এবং নোয়াখালীর সোনাইমুড়ির মো. সাফায়েত হোসেন (২৪)।পুলিশ জানায়, ডেভিড ইমন দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম মহানগর, ফটিকছড়ি ও রাঙ্গুনিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ অন্তত ১৩টি মামলা রয়েছে। এছাড়া রাউজান, রাঙ্গুনিয়া ও চট্টগ্রাম মহানগরের একাধিক হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার বিষয়েও তদন্ত চলছে।তবে ইউপিডিএফের কাছ থেকে অস্ত্র সংগ্রহ, হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাচার এবং ভারতে অবস্থানরত সাজ্জাদ আলীর কাছে অর্থ পাঠানোর অভিযোগগুলো এখনও তদন্তাধীন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সম্পাদক : এস এ শাহরিয়ার মিল্টন
মাহফুজা প্লাজা, ৫মতলা, শেরপুর শহর , শেরপুর।
প্রয়োজনে : ০১৭১১৬৬৪২১৭ । মেইল : hellosherpurtimes@gmail.com
কপিরাইট © ২০২৬ SherpurTimes24 । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত