প্রিন্ট এর তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
শিক্ষার্থী ইকবাল হত্যা মামলায় সাতজনের মৃত্যুদণ্ড ও দুই মহিলাকে সাত বছরের কারাদণ্ড
নিউজ ডেস্ক ||
জমি নিয়ে পুর্ব বিরোধের জেরে ময়মনসিংহের তারাকান্দা পলাশকান্দা টানপাড়া গ্রামের ইকবাল (১৯) হত্যা মামলায় সাতজনকে মৃত্যু দন্ড ও দুই মহিলাকে সাতবাছরের সশ্রম কারাদন্ড এবং এবং ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো ১ বছরের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে আদালত| মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তারা হলো একই গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে মো. ইউনুছ আলী ওরফে ইন্নছ আলী (৬২), তার ভাই মোহাম্মদ আলী (৫২), মো. গোলাম হোসেন ওরফে গুলু (৫১) ও শামছুল হক (৪৪), মো. গোলাম হোসেনের ছেলে আসিফ রানা নাঈম (২৪), হাজী আব্দুল মান্নানের ছেলে মো. আব্দুল হেলিম (৫১), মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো. ফরিদ আহম্মেদ ওরফে বাবু (১৯)| সাত বছরের কারাদন্ড প্রপ্তরা হলো মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী মোছা. খালেদা আক্তার (৪৯) ও মো. গোলাম হোসেন ওরফে গুলুর স্ত্রী মোছা. রেহেনা খাতুন (৪৮)।মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ময়মনসিংহের জেলা দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মো. জাকির হোসেন দন্ডপ্রাপ্তদের উপস্থিতিতে এ আদেশ দেন|রাস্ট্রপক্ষের আইনজীবী ড. মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ২০২১ সালে ৩১ মে রাতে জমি নিয়ে পুর্ব বিরোধের জেরে ময়মনসিংহের তারাকান্দার মুদি ব্যবসায়ি আব্দুর রউফের ছেলে শাহীনুর আলম ইকবাল (১৯) কে হত্যা করে পরিত্যাক্ত সেফটিক ট্যাঙ্কে পুতে রাখে| জন মানুষের সন্দেহ দুর করার জন্য তার উপর মরা শিয়াল ও গোবর ফেলে গাছ লাগিয়ে যায়| নিখোঁজ ইকবালকে খোঁজাখুজির পর পাওয়া না গেলে বড় ভাই সেলিম মিয়া বাদি হয়ে তারাকান্দা থানায় সাধারণ ডায়েরি করে| ঘটনার ৫ দিন পর মৃত দুর্গন্ধে সন্দেহ হলে অভিযুক্তদের বাড়ির পাশে সেফটিক ট্যাঙ্ক থেকে ইকবালের অর্ধগলিত মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ|শাহীনুর ইসলাম ইকবাল ময়মনসিংহ নগরীর রুমডো পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র ছিলো|আদালতে তদন্ত, ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহন, যুক্তি-তর্ক-শুননী শেষে আদালত এ রায় দেন| অভিযুক্তদের পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট ও এ.এইচ.এম. খালেকুজ্জামান।
সম্পাদক : এস এ শাহরিয়ার মিল্টন
মাহফুজা প্লাজা, ৫মতলা, শেরপুর শহর , শেরপুর।
প্রয়োজনে : ০১৭১১৬৬৪২১৭ । মেইল : hellosherpurtimes@gmail.com
কপিরাইট © ২০২৬ SherpurTimes24 । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত