‍SherpurTimes24

নাইম ইসলাম

নাইম ইসলাম

স্টাফ রিপোর্টার


শেষ হলো শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনের সব প্রচার-প্রচারণা

শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের স্থগিত হওয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সব ধরণের প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়েছে। ইসির বেঁধে নেওয়া সময় অনুযায়ী মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে সাতটার পর থেকে সব ধরনের জনসভা, মিছিল ও শোভাযাত্রাসহ সব প্রকার প্রচার-প্রচারণা বন্ধ রয়েছে। এই আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) প্রার্থীসহ মোট তিনজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।প্রচারণার শেষ সময়ে প্রার্থীদের ব্যাপক গণসংযোগ, পথসভা ও উঠান বৈঠকে সরগরম ছিল নির্বাচনী এলাকা। ভোটারদের টানতে নানান প্রতিশ্রুতি দেন প্রার্থীরা। আগামী ৯ এপ্রিল এই আসনে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট আয়োজনে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হলেও তার আগেই ৩ ফেব্রুয়ারি জামায়াত মনোনীত ও ১১ দল সমর্থিত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের অসুস্থতাজনিত কারণে মৃত্যু হওয়ায় এ আসনের নির্বাচন স্থগিত করা হয়। ফলে ১২ তারিখের ভোট উৎসবে শামিল হতে পারেননি এ এলাকার ভোটাররা। তাই ৯ এপ্রিলের নির্বাচনে ভোট দিতে মুখিয়ে রয়েছেন তারা।জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্যমতে, শ্রীবরদী উপজেলার একটি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়ন এবং ঝিনাইগাতী উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন নিয়ে শেরপুর-৩ আসন গঠিত। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন। এর মধ্যে অর্ধেকের বেশি নারী ভোটার।নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবিসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর পাশাপাশি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে বসানো হচ্ছে সিসিটিভি ক্যামেরা। এছাড়াও থাকছে পুলিশের বডিওর্ন ক্যামেরা।এ ব্যাপারে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন  জানান, শেরপুর-৩ আসনের দুটি উপজেলায় মোট ১২৮টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে গারো পাহাড়ি এলাকার ৩২টি কেন্দ্রকে দুর্গম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের স্থগিত হওয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সব ধরণের প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়েছে। ইসির বেঁধে নেওয়া সময় অনুযায়ী মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে সাতটার পর থেকে সব ধরনের জনসভা, মিছিল ও শোভাযাত্রাসহ সব প্রকার প্রচার-প্রচারণা বন্ধ রয়েছে। এই আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) প্রার্থীসহ মোট তিনজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।প্রচারণার শেষ সময়ে প্রার্থীদের ব্যাপক গণসংযোগ, পথসভা ও উঠান বৈঠকে সরগরম ছিল নির্বাচনী এলাকা। ভোটারদের টানতে নানান প্রতিশ্রুতি দেন প্রার্থীরা। আগামী ৯ এপ্রিল এই আসনে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট আয়োজনে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হলেও তার আগেই ৩ ফেব্রুয়ারি জামায়াত মনোনীত ও ১১ দল সমর্থিত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের অসুস্থতাজনিত কারণে মৃত্যু হওয়ায় এ আসনের নির্বাচন স্থগিত করা হয়। ফলে ১২ তারিখের ভোট উৎসবে শামিল হতে পারেননি এ এলাকার ভোটাররা। তাই ৯ এপ্রিলের নির্বাচনে ভোট দিতে মুখিয়ে রয়েছেন তারা।জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্যমতে, শ্রীবরদী উপজেলার একটি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়ন এবং ঝিনাইগাতী উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন নিয়ে শেরপুর-৩ আসন গঠিত। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন। এর মধ্যে অর্ধেকের বেশি নারী ভোটার।নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবিসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর পাশাপাশি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে বসানো হচ্ছে সিসিটিভি ক্যামেরা। এছাড়াও থাকছে পুলিশের বডিওর্ন ক্যামেরা।এ ব্যাপারে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন  জানান, শেরপুর-৩ আসনের দুটি উপজেলায় মোট ১২৮টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে গারো পাহাড়ি এলাকার ৩২টি কেন্দ্রকে দুর্গম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

শেষ হলো শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনের সব প্রচার-প্রচারণা