হামের উপসর্গ নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে আরও ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে সেখানে ২৬ শিশুর মৃত্যু হলো। এছাড়া গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আরও ১৭ শিশু ভর্তি হয়েছে। এ নিয়ে সেখানে চিকিৎসাধীন মোট ৭৫ শিশু।
বুধবার (৬ মে) সকালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম মেডিকেল দলের ফোকালপারসন সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহা. গোলাম মাওলা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, গত ১৬ এপ্রিল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ থেকে সাড়ে পাঁচ মাসের শিশু ছেলেকে হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে নিয়ে এসে ভর্তি করা হয়। শিশুটি হামের উপসর্গের পাশাপাশি তীব্র নিউমোনিয়া, গ্লোবাল ডেভেলপমেন্টাল ডিলে (সামগ্রিক বিকাশে দেরি) এবং মৃগী ছিল। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে শিশুটি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ১৭ মার্চ থেকে ৬ মে সকাল পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ১০৫ শিশু ভর্তি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে আরও ২০ শিশু। এ নিয়ে হাসপাতাল থেকে মোট ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ৪ শিশু।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান বলেন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে এক দুইজন করে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে থাকে। তবে মার্চের মাঝামাঝি থেকে ভর্তির সংখ্যা বাড়তে থাকে।
তিনটি মেডিকেল টিম গঠন করে হাসপাতালের নতুন ভবনের ৮তলায় হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
হামের উপসর্গ নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে আরও ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে সেখানে ২৬ শিশুর মৃত্যু হলো। এছাড়া গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আরও ১৭ শিশু ভর্তি হয়েছে। এ নিয়ে সেখানে চিকিৎসাধীন মোট ৭৫ শিশু।
বুধবার (৬ মে) সকালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম মেডিকেল দলের ফোকালপারসন সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহা. গোলাম মাওলা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, গত ১৬ এপ্রিল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ থেকে সাড়ে পাঁচ মাসের শিশু ছেলেকে হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে নিয়ে এসে ভর্তি করা হয়। শিশুটি হামের উপসর্গের পাশাপাশি তীব্র নিউমোনিয়া, গ্লোবাল ডেভেলপমেন্টাল ডিলে (সামগ্রিক বিকাশে দেরি) এবং মৃগী ছিল। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে শিশুটি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ১৭ মার্চ থেকে ৬ মে সকাল পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ১০৫ শিশু ভর্তি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে আরও ২০ শিশু। এ নিয়ে হাসপাতাল থেকে মোট ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ৪ শিশু।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান বলেন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে এক দুইজন করে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে থাকে। তবে মার্চের মাঝামাঝি থেকে ভর্তির সংখ্যা বাড়তে থাকে।
তিনটি মেডিকেল টিম গঠন করে হাসপাতালের নতুন ভবনের ৮তলায় হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন