শেরপুর জেলাকে প্রসবজনিত ফিস্টুলামুক্ত করার লক্ষ্যে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে এক অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) ইউএনএফপিএ’র অর্থায়ন ও সিআইপিআরবির সহযোগিতায় আয়োজিত এ সভায় ফিস্টুলা শনাক্তকরণ, চিকিৎসা ও রেফারেল ব্যবস্থা জোরদারে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
জেলা সিভিল সার্জন ডা. মুহাম্মদ শাহিনের সভাপতিত্বে এতে ফিস্টুলা বিষয়ে প্রামাণ্যচিত্র উপস্থাপন করেন ইউএনএফপিএ’র কর্মকর্তা ডা. সপ্তর্ষি সাহা শ্যামা ও স্বাগত বক্তব্য দেন সিআইপিআরবির জেলা সমন্বয়কারী শারমিন আক্তার।
সভায় আরও বক্তব্য দেন শেরপুর ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. সেলিম মিয়া, জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক নিরঞ্জন বন্ধু দাস, জেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. লুতফুর কবির এবং জেলা সদর হাসপাতালের গাইনি ও অবস বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. হাসিনাতুল ফেরদৌস লোপা।
বক্তারা বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধি ও সময়মতো চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে প্রসবজনিত ফিস্টুলা নির্মূল সম্ভব। আসন্ন ক্যাম্পেইন সফল করতে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
শেরপুর জেলাকে প্রসবজনিত ফিস্টুলামুক্ত করার লক্ষ্যে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে এক অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) ইউএনএফপিএ’র অর্থায়ন ও সিআইপিআরবির সহযোগিতায় আয়োজিত এ সভায় ফিস্টুলা শনাক্তকরণ, চিকিৎসা ও রেফারেল ব্যবস্থা জোরদারে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
জেলা সিভিল সার্জন ডা. মুহাম্মদ শাহিনের সভাপতিত্বে এতে ফিস্টুলা বিষয়ে প্রামাণ্যচিত্র উপস্থাপন করেন ইউএনএফপিএ’র কর্মকর্তা ডা. সপ্তর্ষি সাহা শ্যামা ও স্বাগত বক্তব্য দেন সিআইপিআরবির জেলা সমন্বয়কারী শারমিন আক্তার।
সভায় আরও বক্তব্য দেন শেরপুর ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. সেলিম মিয়া, জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক নিরঞ্জন বন্ধু দাস, জেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. লুতফুর কবির এবং জেলা সদর হাসপাতালের গাইনি ও অবস বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. হাসিনাতুল ফেরদৌস লোপা।
বক্তারা বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধি ও সময়মতো চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে প্রসবজনিত ফিস্টুলা নির্মূল সম্ভব। আসন্ন ক্যাম্পেইন সফল করতে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন