শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মোল্লাপাড়া এলাকা সংলগ্ন রবিউলের বাড়ির নিকট সাহাতি খালের ওপর ভেঙে পড়া ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সেতুটি অবশেষে মেরামত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ মে) দুপুরে কাজ শেষ করে সেতুটি চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত তিন বছর ধরে পাহাড়ি ঢল ও বন্যার পানিতে সেতুটি প্রায়ই নিমজ্জিত থাকত। এতে কাঠের পাটাতন পচে গিয়ে সেতুটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। গত তিন মাস ধরে এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগে ছিলেন।
পরে সদর ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও সাংবাদিক মো. জাহিদুল হক মনিরের পৃষ্ঠপোষকতায় সেতুটি মেরামত করা হয়েছে। এতে আপাতত এলাকাবাসীর চলাচলের সমস্যা কিছুটা লাঘব হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমাদের যাতায়াতে ভোগান্তি ছিল। এখন সেতুটি মেরামত হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি পেয়েছি। তবে এখানে একটি স্থায়ী পাকা সেতু নির্মাণ জরুরি।
ইউপি সদস্য মো. জাহিদুল হক মনির বলেন, মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে ব্যক্তিগত উদ্যোগে সেতুটির পাটাতন পরিবর্তন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করছি, যাতে দ্রুত স্থায়ী সমাধান হয়।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. রাজীবুল ইসলাম, এ স্থানে একটি টেকসই সেতু নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের ভোগান্তির বিষয়টি আমি শুনেছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে সাহাতি খালের ওপর একটি টেকসই পাকা সেতু নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে, যাতে মানুষ স্থায়ীভাবে নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মোল্লাপাড়া এলাকা সংলগ্ন রবিউলের বাড়ির নিকট সাহাতি খালের ওপর ভেঙে পড়া ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সেতুটি অবশেষে মেরামত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ মে) দুপুরে কাজ শেষ করে সেতুটি চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত তিন বছর ধরে পাহাড়ি ঢল ও বন্যার পানিতে সেতুটি প্রায়ই নিমজ্জিত থাকত। এতে কাঠের পাটাতন পচে গিয়ে সেতুটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। গত তিন মাস ধরে এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগে ছিলেন।
পরে সদর ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও সাংবাদিক মো. জাহিদুল হক মনিরের পৃষ্ঠপোষকতায় সেতুটি মেরামত করা হয়েছে। এতে আপাতত এলাকাবাসীর চলাচলের সমস্যা কিছুটা লাঘব হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমাদের যাতায়াতে ভোগান্তি ছিল। এখন সেতুটি মেরামত হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি পেয়েছি। তবে এখানে একটি স্থায়ী পাকা সেতু নির্মাণ জরুরি।
ইউপি সদস্য মো. জাহিদুল হক মনির বলেন, মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে ব্যক্তিগত উদ্যোগে সেতুটির পাটাতন পরিবর্তন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করছি, যাতে দ্রুত স্থায়ী সমাধান হয়।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. রাজীবুল ইসলাম, এ স্থানে একটি টেকসই সেতু নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের ভোগান্তির বিষয়টি আমি শুনেছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে সাহাতি খালের ওপর একটি টেকসই পাকা সেতু নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে, যাতে মানুষ স্থায়ীভাবে নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন