শেরপুর     মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
 ‍SherpurTimes24

মাদক সেবনে জড়িত পুলিশ সদস্যদের কোনো ছাড় নয়: আইজিপি



মাদক সেবনে জড়িত পুলিশ সদস্যদের কোনো ছাড় নয়: আইজিপি
সংগৃহিত ছবি

বাংলাদেশ পুলিশের কোনো সদস্য যদি মাদক সেবনে জড়িত থাকে এবং সেই মাদক সেবনের সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সপ্তাহের তৃতীয় দিনের অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।


আইজিপি বলেন, ‘মাদক আমাদের যুবসমাজ ও জাতির ভবিষ্যতের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশ পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। তবে পুলিশ বাহিনীর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে যদি কোন মাদকসেবন বা ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত সম্পৃক্ততার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে তাকে কোন ছাড় দেওয়া হবে না। ইতোমধ্যে দেখেছেন পুলিশের যে সকল সদস্য মাদকের ব্যবসায় সম্পৃক্ত ছিল তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।’

এসময় তিনি সকল পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘পুরস্কার প্রাপ্তি শুধু একটি স্বীকৃতি নয় এটি দায়িত্ববোধ পেশাগত উৎকর্ষ এবং নেতৃত্বের প্রতি। এই অর্জনগুলো আমাদের আরো দায়িত্বশীল হতে হবে অনুপ্রাণিত করবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আমি প্রত্যাশা করি, আজ যারা সম্মাননা পাচ্ছেন তারা আগামী দিনে আরো সততা পেশাদারিত্বে সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন এবং অন্যদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন।’

আইজিপি আলী হোসেন ফকির বলেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশের প্রত্যেকটি সদস্যকে গত ১৭ বছর পেটোয়া বাহিনীতে পরিণত করা হয়েছিল। ফলে জন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল পুলিশ। তবে সেই জন বিচ্ছিন্ন পুলিশকে আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছেন বলে দাবি করেছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছরে পুলিশ বাহিনীকে একটি পেটোয়া বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করার কারণে আমরা যে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে আমরা আমাদের ইমেজকে রি-গেইন করতে পেরেছি এবং আমাদের শৃঙ্খলা ফিরে আসছে।’ 

আইজিপি পুলিশের উন্নয়নে বেগম খালেদা জিয়া এবং শহীদ জিয়াউর রহমানের অবদান স্বীকার করে বলেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশের প্রত্যেকটি সদস্য অবদান দেশের গণতন্ত্র উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তার পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের পুলিশের উন্নয়নে যে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছিলেন, যার কারণে আজকে এই সংগঠিত পুলিশ বাহিনী।’

আইজিপি বলেন, ‘আমি এই পর্যায়ে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি দেশপ্রেমিক সেইসব পুলিশ সদস্যদের যারা মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। এছাড়া শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি সেই বিশ্বস্ত পুলিশ সদস্যদের যারা মানুষের কল্যাণে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। আমি কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করছি।’

আপনার মতামত লিখুন

 ‍SherpurTimes24

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬


মাদক সেবনে জড়িত পুলিশ সদস্যদের কোনো ছাড় নয়: আইজিপি

প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশ পুলিশের কোনো সদস্য যদি মাদক সেবনে জড়িত থাকে এবং সেই মাদক সেবনের সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সপ্তাহের তৃতীয় দিনের অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।


আইজিপি বলেন, ‘মাদক আমাদের যুবসমাজ ও জাতির ভবিষ্যতের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশ পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। তবে পুলিশ বাহিনীর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে যদি কোন মাদকসেবন বা ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত সম্পৃক্ততার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে তাকে কোন ছাড় দেওয়া হবে না। ইতোমধ্যে দেখেছেন পুলিশের যে সকল সদস্য মাদকের ব্যবসায় সম্পৃক্ত ছিল তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।’

এসময় তিনি সকল পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘পুরস্কার প্রাপ্তি শুধু একটি স্বীকৃতি নয় এটি দায়িত্ববোধ পেশাগত উৎকর্ষ এবং নেতৃত্বের প্রতি। এই অর্জনগুলো আমাদের আরো দায়িত্বশীল হতে হবে অনুপ্রাণিত করবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আমি প্রত্যাশা করি, আজ যারা সম্মাননা পাচ্ছেন তারা আগামী দিনে আরো সততা পেশাদারিত্বে সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন এবং অন্যদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন।’

আইজিপি আলী হোসেন ফকির বলেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশের প্রত্যেকটি সদস্যকে গত ১৭ বছর পেটোয়া বাহিনীতে পরিণত করা হয়েছিল। ফলে জন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল পুলিশ। তবে সেই জন বিচ্ছিন্ন পুলিশকে আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছেন বলে দাবি করেছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছরে পুলিশ বাহিনীকে একটি পেটোয়া বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করার কারণে আমরা যে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে আমরা আমাদের ইমেজকে রি-গেইন করতে পেরেছি এবং আমাদের শৃঙ্খলা ফিরে আসছে।’ 

আইজিপি পুলিশের উন্নয়নে বেগম খালেদা জিয়া এবং শহীদ জিয়াউর রহমানের অবদান স্বীকার করে বলেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশের প্রত্যেকটি সদস্য অবদান দেশের গণতন্ত্র উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তার পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের পুলিশের উন্নয়নে যে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছিলেন, যার কারণে আজকে এই সংগঠিত পুলিশ বাহিনী।’

আইজিপি বলেন, ‘আমি এই পর্যায়ে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি দেশপ্রেমিক সেইসব পুলিশ সদস্যদের যারা মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। এছাড়া শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি সেই বিশ্বস্ত পুলিশ সদস্যদের যারা মানুষের কল্যাণে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। আমি কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করছি।’


 ‍SherpurTimes24


কপিরাইট © ২০২৬ ‍SherpurTimes24 । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত