নিজের বিতর্কিত গান ‘তাতেরি’-তে নারী অবমাননা ও অশ্লীলতার অভিযোগে ভারতের জাতীয় মহিলা কমিশনের (এনসিডব্লিউ) তলব পেয়ে সশরীরে হাজির হলেন ভারতের জনপ্রিয় র্যাপার বাদশা। মঙ্গলবার কমিশনের সামনে উপস্থিত হয়ে তিনি তার কৃতকর্মের জন্য লিখিত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী অক্ষয় দাহিয়া।
গত মার্চ মাসে মুক্তি পাওয়া এই গানটির কথা ও দৃশ্যায়নে যৌন উসকানিমূলক উপাদান থাকায় দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছিল, যার প্রেক্ষিতে কমিশন এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
শুনানি চলাকালীন বাদশা কেবল ক্ষমাই চাননি, বরং তার ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারে এবং নারী সমাজের প্রতি সম্মান প্রদর্শনে বেশ কিছু বড় প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি কমিশনকে আশ্বস্ত করেছেন যে, আগামী চার মাসের মধ্যে তিনি নারী ক্ষমতায়ন ও জাগরণ নিয়ে একটি বিশেষ গান তৈরি করবেন। এর পাশাপাশি ৫০ জন কন্যাশিশুর শিক্ষার সম্পূর্ণ খরচ বহন এবং নারীদের কল্যাণে কাজ করে এমন সংস্থাগুলোর জন্য তহবিল সংগ্রহের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন এই সংগীতশিল্পী। এর আগে হরিয়ানা পুলিশ ও রাজ্য মহিলা কমিশনও এই গানের বিরুদ্ধে এফআইআর এবং আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল, যার ফলে গানটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হন তিনি।
ভারতের ১৯৮৬ সালের নারী অশোভন প্রতিনিধিত্ব (নিষেধাজ্ঞা) আইন এবং ২০০০ সালের তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৬৭ নম্বর ধারার অধীনে এই মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। এ ছাড়া ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৯২ ও ২৯৪ ধারা অনুযায়ী অশ্লীল সামগ্রী পরিবেশনের বিষয়টিও খতিয়ে দেখছে কমিশন। জাতীয় মহিলা কমিশন বাদশার এই অঙ্গীকারগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করবে বলে জানা গেছে।
এখন দেখার বিষয়, আইনি জটিলতা থেকে বাঁচতে দেওয়া এই প্রতিশ্রুতিগুলো বাদশা কত দ্রুত এবং কতটা নিষ্ঠার সঙ্গে বাস্তবায়ন করেন।

মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
নিজের বিতর্কিত গান ‘তাতেরি’-তে নারী অবমাননা ও অশ্লীলতার অভিযোগে ভারতের জাতীয় মহিলা কমিশনের (এনসিডব্লিউ) তলব পেয়ে সশরীরে হাজির হলেন ভারতের জনপ্রিয় র্যাপার বাদশা। মঙ্গলবার কমিশনের সামনে উপস্থিত হয়ে তিনি তার কৃতকর্মের জন্য লিখিত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী অক্ষয় দাহিয়া।
গত মার্চ মাসে মুক্তি পাওয়া এই গানটির কথা ও দৃশ্যায়নে যৌন উসকানিমূলক উপাদান থাকায় দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছিল, যার প্রেক্ষিতে কমিশন এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
শুনানি চলাকালীন বাদশা কেবল ক্ষমাই চাননি, বরং তার ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারে এবং নারী সমাজের প্রতি সম্মান প্রদর্শনে বেশ কিছু বড় প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি কমিশনকে আশ্বস্ত করেছেন যে, আগামী চার মাসের মধ্যে তিনি নারী ক্ষমতায়ন ও জাগরণ নিয়ে একটি বিশেষ গান তৈরি করবেন। এর পাশাপাশি ৫০ জন কন্যাশিশুর শিক্ষার সম্পূর্ণ খরচ বহন এবং নারীদের কল্যাণে কাজ করে এমন সংস্থাগুলোর জন্য তহবিল সংগ্রহের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন এই সংগীতশিল্পী। এর আগে হরিয়ানা পুলিশ ও রাজ্য মহিলা কমিশনও এই গানের বিরুদ্ধে এফআইআর এবং আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল, যার ফলে গানটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হন তিনি।
ভারতের ১৯৮৬ সালের নারী অশোভন প্রতিনিধিত্ব (নিষেধাজ্ঞা) আইন এবং ২০০০ সালের তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৬৭ নম্বর ধারার অধীনে এই মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। এ ছাড়া ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৯২ ও ২৯৪ ধারা অনুযায়ী অশ্লীল সামগ্রী পরিবেশনের বিষয়টিও খতিয়ে দেখছে কমিশন। জাতীয় মহিলা কমিশন বাদশার এই অঙ্গীকারগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করবে বলে জানা গেছে।
এখন দেখার বিষয়, আইনি জটিলতা থেকে বাঁচতে দেওয়া এই প্রতিশ্রুতিগুলো বাদশা কত দ্রুত এবং কতটা নিষ্ঠার সঙ্গে বাস্তবায়ন করেন।

আপনার মতামত লিখুন