ইরানের সঙ্গে ২ সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির পরই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চূড়ান্ত বিজয় হয়েছে। মঙ্গলবার ইরান যুদ্ধবিরতিতে সম্মতি জানানোর পর এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ দাবি করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এএফপিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেন, এটা আমাদের সম্পূর্ণ এবং সর্বাত্মক বিজয়… একদম শতভাগ। এ ব্যাপারে আর কোনো প্রশ্ন নেই।
এর আগে মার্চের মাঝামাঝি পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানকে ১৫ পয়েন্টের একটি শান্তি প্রস্তাব পাঠিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট, ইরান সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে পরে তিনি সেটির একটি সংশোধিত সংস্করণ পাঠান। সেখানে ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতির উল্লেখ ছিল। ইরান সেই প্রস্তাব পর্যালোচনা করে মঙ্গলবার দুই সপ্তাহ যুদ্ধবিরতির পক্ষে মত দেয়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও তা মেনে নেন।
তবে এর আগের দিনগুলোতে ইরানকে ব্যাপক হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। ইরান যদি সমঝোতা চুক্তিতে না আসে— তাহলে দেশটির বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, সেতুসহ সব গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস করে দেওয়া হবে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন তিনি।
নতুন এই ২ সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি যদি ব্যর্থ হয় এবং ইরান যদি সমঝোতা চুক্তিতে না আসে— সেক্ষেত্রে ট্রাম্প তার হুমকি কার্যকর করবেন কি-না— এএফপির এমন এক প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, “আপনাদের ধৈর্য ধরতে হবে। চীন এক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে পারে।
আমার বিশ্বাস, যুদ্ধবিরতির দুই সপ্তাহে ইরানকে আলোচনার টেবিলে আনা এবং সমঝোতা চুক্তিতে পৌঁছাতে ইরানকে সহযোগিতা করবে চীন। অবশ্য যুদ্ধে বিজয় লাভের ট্রাম্পের দাবি নতুন নয়, এর আগেও তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ী দাবি করে হরমোজ প্রনালীতে টোল বসাতে চেয়ে ছিলেন।

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের সঙ্গে ২ সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির পরই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চূড়ান্ত বিজয় হয়েছে। মঙ্গলবার ইরান যুদ্ধবিরতিতে সম্মতি জানানোর পর এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ দাবি করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এএফপিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেন, এটা আমাদের সম্পূর্ণ এবং সর্বাত্মক বিজয়… একদম শতভাগ। এ ব্যাপারে আর কোনো প্রশ্ন নেই।
এর আগে মার্চের মাঝামাঝি পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানকে ১৫ পয়েন্টের একটি শান্তি প্রস্তাব পাঠিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট, ইরান সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে পরে তিনি সেটির একটি সংশোধিত সংস্করণ পাঠান। সেখানে ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতির উল্লেখ ছিল। ইরান সেই প্রস্তাব পর্যালোচনা করে মঙ্গলবার দুই সপ্তাহ যুদ্ধবিরতির পক্ষে মত দেয়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও তা মেনে নেন।
তবে এর আগের দিনগুলোতে ইরানকে ব্যাপক হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। ইরান যদি সমঝোতা চুক্তিতে না আসে— তাহলে দেশটির বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, সেতুসহ সব গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস করে দেওয়া হবে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন তিনি।
নতুন এই ২ সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি যদি ব্যর্থ হয় এবং ইরান যদি সমঝোতা চুক্তিতে না আসে— সেক্ষেত্রে ট্রাম্প তার হুমকি কার্যকর করবেন কি-না— এএফপির এমন এক প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, “আপনাদের ধৈর্য ধরতে হবে। চীন এক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে পারে।
আমার বিশ্বাস, যুদ্ধবিরতির দুই সপ্তাহে ইরানকে আলোচনার টেবিলে আনা এবং সমঝোতা চুক্তিতে পৌঁছাতে ইরানকে সহযোগিতা করবে চীন। অবশ্য যুদ্ধে বিজয় লাভের ট্রাম্পের দাবি নতুন নয়, এর আগেও তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ী দাবি করে হরমোজ প্রনালীতে টোল বসাতে চেয়ে ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন