লেবাননে ভয়াবহ বিমান হামলার মাধ্যমে অভূতপূর্ব তাণ্ডব শুরু করেছে ইসরায়েল। এই হামলাকে দুই দেশের সংঘাতের ইতিহাসে অন্যতম বৃহত্তম সামরিক অভিযান হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৮২ সালে লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসনের পর এমন ভয়াবহ পরিস্থিতি আর দেখা যায়নি। মাত্র ১০ মিনিটের ব্যবধানে লেবাননের বিভিন্ন প্রান্তে ১০০টি বিমান হামলা চালানো হয়েছে। রাজধানী বৈরুতের এমন অনেক এলাকাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, যেগুলোর সঙ্গে হিজবুল্লাহর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো লেবাননের আবাসিক ভবন, মসজিদ, যানবাহন এবং কবরস্থান লক্ষ্য করে নির্বিচারে বোমা বর্ষণ করেছে।
লেবাননের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাকান নাসেরুদ্দিন জানিয়েছেন, এই হামলায় কয়েকশ মানুষ হতাহত হয়েছেন। উদ্ধার অভিযান এখনো অব্যাহত থাকায় হতাহতের সঠিক সংখ্যা এখনই বলা যাচ্ছে না, তবে কয়েক ডজন মানুষের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে।
বৈরুত ডক্টরস সিন্ডিকেটের প্রধান ইলিয়াস চালালা এক জরুরি আহ্বানে সব বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে নিকটস্থ হাসপাতালে যাওয়ার অনুরোধ করেছেন। আহতদের চিকিৎসায় মানবিক দায়িত্ব পালনের জন্য চিকিৎসকদের প্রতি এই আহ্বান জানানো হয়।
লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এই হামলাকে ‘বর্বর’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, এই বর্বরোচিত হামলাগুলো আবারও প্রমাণ করেছে, ইসরায়েল আন্তর্জাতিক আইন ও রীতিনীতির তোয়াক্কা করে না। কোনো অধিকার বা চুক্তির প্রতি তাদের সম্মান নেই। কয়েকশ মানুষকে হত্যা ও আহত করার মাধ্যমে ইসরায়েল তাদের মানবতাবিরোধী অপরাধের কালো তালিকায় আরও একটি অধ্যায় যুক্ত কররো।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
লেবাননে ভয়াবহ বিমান হামলার মাধ্যমে অভূতপূর্ব তাণ্ডব শুরু করেছে ইসরায়েল। এই হামলাকে দুই দেশের সংঘাতের ইতিহাসে অন্যতম বৃহত্তম সামরিক অভিযান হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৮২ সালে লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসনের পর এমন ভয়াবহ পরিস্থিতি আর দেখা যায়নি। মাত্র ১০ মিনিটের ব্যবধানে লেবাননের বিভিন্ন প্রান্তে ১০০টি বিমান হামলা চালানো হয়েছে। রাজধানী বৈরুতের এমন অনেক এলাকাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, যেগুলোর সঙ্গে হিজবুল্লাহর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো লেবাননের আবাসিক ভবন, মসজিদ, যানবাহন এবং কবরস্থান লক্ষ্য করে নির্বিচারে বোমা বর্ষণ করেছে।
লেবাননের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাকান নাসেরুদ্দিন জানিয়েছেন, এই হামলায় কয়েকশ মানুষ হতাহত হয়েছেন। উদ্ধার অভিযান এখনো অব্যাহত থাকায় হতাহতের সঠিক সংখ্যা এখনই বলা যাচ্ছে না, তবে কয়েক ডজন মানুষের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে।
বৈরুত ডক্টরস সিন্ডিকেটের প্রধান ইলিয়াস চালালা এক জরুরি আহ্বানে সব বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে নিকটস্থ হাসপাতালে যাওয়ার অনুরোধ করেছেন। আহতদের চিকিৎসায় মানবিক দায়িত্ব পালনের জন্য চিকিৎসকদের প্রতি এই আহ্বান জানানো হয়।
লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এই হামলাকে ‘বর্বর’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, এই বর্বরোচিত হামলাগুলো আবারও প্রমাণ করেছে, ইসরায়েল আন্তর্জাতিক আইন ও রীতিনীতির তোয়াক্কা করে না। কোনো অধিকার বা চুক্তির প্রতি তাদের সম্মান নেই। কয়েকশ মানুষকে হত্যা ও আহত করার মাধ্যমে ইসরায়েল তাদের মানবতাবিরোধী অপরাধের কালো তালিকায় আরও একটি অধ্যায় যুক্ত কররো।

আপনার মতামত লিখুন