উৎসবমুখর পরিবেশে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের স্থগিতকৃত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এ আসনের ভোটকেন্দ্র্রগুলোতে ভোটারদের ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। এরমধ্যে নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল বেশি। দীর্ঘদিন পর তারা ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পেরে আনন্দিত।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ আসন থেকে ৩ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। এরা হলেন বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাসুদুর রহমান মাসুদ (দাঁড়িপাল্লা) এবং বাসদ (মার্কসবাদী) দলের প্রার্থী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান (কাঁচি) ।
এ আসনের ১২৮টি ভোটকেন্দ্রের ৭৫১টি ভোট কক্ষে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার ভোট দেবেন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫ হাজার এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৮ হাজার ৩০৪ জন। হিজড়া ভোটার রয়েছেন সাতজন। এছাড়া এ আসনের ১২৮ টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫৯ টি গুরুত্বপূণ ভোটকেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করেছে প্রশাসন।
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, এ আসনটির দুই উপজেলায় মোট ৩২টি মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স কাজ করছে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদারে ৫ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে ৬ জন করে পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি ১২ জন করে আনসার ও ভিডিপি সদস্য মোতায়েন রয়েছে ।
শেরপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্যভাবে সম্পন্ন করতে ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট,২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট,নির্বাচন কমিশনের ১৮ জন পর্যবেক্ষক, এবং নির্বাচনী অনুসন্ধান (ইনকোয়ারি) কমিটির ৩ জন যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর ৮টি মোবাইল টিমে ২০০-এর অধিক সদস্য, ১৬ প্লাটুন বিজিবি সদস্য, র্যাবের ১৪টি টিম এবং পুলিশের প্রায় ১ হাজার ১৫০ সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে এখানেও ভোটগ্রহণের কথা ছিল। কিন্তু ভোটের প্রচারের সময় জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মু. নুরুজ্জামান বাদল মারা যান। এতে এ আসনের ভোটগ্রহণ স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন।
বিষয় : জাতীয় সংসদ নির্বাচন

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
উৎসবমুখর পরিবেশে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের স্থগিতকৃত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এ আসনের ভোটকেন্দ্র্রগুলোতে ভোটারদের ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। এরমধ্যে নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল বেশি। দীর্ঘদিন পর তারা ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পেরে আনন্দিত।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ আসন থেকে ৩ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। এরা হলেন বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাসুদুর রহমান মাসুদ (দাঁড়িপাল্লা) এবং বাসদ (মার্কসবাদী) দলের প্রার্থী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান (কাঁচি) ।
এ আসনের ১২৮টি ভোটকেন্দ্রের ৭৫১টি ভোট কক্ষে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার ভোট দেবেন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫ হাজার এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৮ হাজার ৩০৪ জন। হিজড়া ভোটার রয়েছেন সাতজন। এছাড়া এ আসনের ১২৮ টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫৯ টি গুরুত্বপূণ ভোটকেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করেছে প্রশাসন।
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, এ আসনটির দুই উপজেলায় মোট ৩২টি মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স কাজ করছে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদারে ৫ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে ৬ জন করে পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি ১২ জন করে আনসার ও ভিডিপি সদস্য মোতায়েন রয়েছে ।
শেরপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্যভাবে সম্পন্ন করতে ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট,২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট,নির্বাচন কমিশনের ১৮ জন পর্যবেক্ষক, এবং নির্বাচনী অনুসন্ধান (ইনকোয়ারি) কমিটির ৩ জন যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর ৮টি মোবাইল টিমে ২০০-এর অধিক সদস্য, ১৬ প্লাটুন বিজিবি সদস্য, র্যাবের ১৪টি টিম এবং পুলিশের প্রায় ১ হাজার ১৫০ সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে এখানেও ভোটগ্রহণের কথা ছিল। কিন্তু ভোটের প্রচারের সময় জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মু. নুরুজ্জামান বাদল মারা যান। এতে এ আসনের ভোটগ্রহণ স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন।

আপনার মতামত লিখুন