শেরপুরের নকলায় মাদকবিরোধী অভিযান ও ভোক্তা-স্বার্থ সংশ্লিষ্ট আইনে পৃথক দুটি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে গাঁজা সেবনের দায়ে একজনকে চার মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং দুই প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে উপজেলার নারায়ণখোলা গ্রামে গাঁজা সেবনের অপরাধে একজনকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী চার মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই দিন জালালপুর এলাকায় অবস্থিত আল মোমিন বেকারি ও ঢাকা ফুড প্রোডাক্টে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় সিএম লাইসেন্স ছাড়া পণ্যের মোড়কে স্ট্যান্ডার্ড মার্ক ব্যবহার এবং পণ্যের মোড়কজাতকরণ নিবন্ধন সনদ না থাকার অভিযোগে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড ও টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) আইন, ২০১৮ এবং ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান দুটিকে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
নকলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদিয়া আফরিন অ্যানির নেতৃত্বে পরিচালিত এ মোবাইল কোর্টে নকলা থানা পুলিশের সদস্য এবং বিএসটিআইয়ের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
শেরপুরের নকলায় মাদকবিরোধী অভিযান ও ভোক্তা-স্বার্থ সংশ্লিষ্ট আইনে পৃথক দুটি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে গাঁজা সেবনের দায়ে একজনকে চার মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং দুই প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে উপজেলার নারায়ণখোলা গ্রামে গাঁজা সেবনের অপরাধে একজনকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী চার মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই দিন জালালপুর এলাকায় অবস্থিত আল মোমিন বেকারি ও ঢাকা ফুড প্রোডাক্টে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় সিএম লাইসেন্স ছাড়া পণ্যের মোড়কে স্ট্যান্ডার্ড মার্ক ব্যবহার এবং পণ্যের মোড়কজাতকরণ নিবন্ধন সনদ না থাকার অভিযোগে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড ও টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) আইন, ২০১৮ এবং ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান দুটিকে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
নকলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদিয়া আফরিন অ্যানির নেতৃত্বে পরিচালিত এ মোবাইল কোর্টে নকলা থানা পুলিশের সদস্য এবং বিএসটিআইয়ের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন