মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় রুগ্ন ও বয়স্ক ঘোড়া জবাই করে তা গরুর মাংস হিসেবে বিক্রির অভিযোগে একটি চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জবাইকৃত ঘোড়ার মাংস উদ্ধার করা হয়েছে এবং জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মিনহাজুল ইসলাম।
এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. ফিরোজ কবির, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হুমায়ুন রশিদ (অর্থ ও প্রশাসন), জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও গজারিয়া থানা পুলিশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৮ এপ্রিল সকালে গজারিয়া উপজেলার আনারপুরা এলাকায় কিছু ব্যক্তি রুগ্ন ও বয়স্ক ঘোড়া জবাই করছে—এমন সংবাদের ভিত্তিতে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়।
তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জড়িতরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে জবাইকৃত ঘোড়ার মাংস জব্দ করে প্রাণিসম্পদ বিভাগের হেফাজতে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় স্থানীয় এক ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে গজারিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।
পরে পুলিশ সুপার মো. মিনহাজুল ইসলাম-এর নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. ফিরোজ কবিরের তত্ত্বাবধানে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও গজারিয়া থানা পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালায়।
তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব ও বাসন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন—রুবেল (৩৯), সৌরভ (২১), সোহেল গাজী (২১) ও ইয়াছিন আরাফাত (২১)।
পুলিশ সুপার জানান, সংবাদ সম্মেলনের পরপরই গজারিয়া উপজেলার আনারপুরা গ্রামের মূল হোতা মৃত বাবলু সিকদারের ছেলে রাজিব সিকদারকে (৪০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা জানায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকা, বিশেষ করে যমুনার চরাঞ্চল থেকে রুগ্ন ও বয়স্ক ঘোড়া সংগ্রহ করে জবাই করত। পরে এসব মাংস প্রক্রিয়াজাত করে পিকআপে ঢাকায় এনে সহযোগীদের মাধ্যমে গরুর মাংস হিসেবে বিক্রি করা হতো।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় জড়িত অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ৯টি জবাইকৃত ঘোড়ার মাংস ও একটি জীবিত অসুস্থ ঘোড়া উদ্ধার করা হয়েছে।
বিষয় : গ্রেফতার

শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় রুগ্ন ও বয়স্ক ঘোড়া জবাই করে তা গরুর মাংস হিসেবে বিক্রির অভিযোগে একটি চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জবাইকৃত ঘোড়ার মাংস উদ্ধার করা হয়েছে এবং জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মিনহাজুল ইসলাম।
এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. ফিরোজ কবির, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হুমায়ুন রশিদ (অর্থ ও প্রশাসন), জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও গজারিয়া থানা পুলিশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৮ এপ্রিল সকালে গজারিয়া উপজেলার আনারপুরা এলাকায় কিছু ব্যক্তি রুগ্ন ও বয়স্ক ঘোড়া জবাই করছে—এমন সংবাদের ভিত্তিতে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়।
তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জড়িতরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে জবাইকৃত ঘোড়ার মাংস জব্দ করে প্রাণিসম্পদ বিভাগের হেফাজতে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় স্থানীয় এক ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে গজারিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।
পরে পুলিশ সুপার মো. মিনহাজুল ইসলাম-এর নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. ফিরোজ কবিরের তত্ত্বাবধানে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও গজারিয়া থানা পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালায়।
তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব ও বাসন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন—রুবেল (৩৯), সৌরভ (২১), সোহেল গাজী (২১) ও ইয়াছিন আরাফাত (২১)।
পুলিশ সুপার জানান, সংবাদ সম্মেলনের পরপরই গজারিয়া উপজেলার আনারপুরা গ্রামের মূল হোতা মৃত বাবলু সিকদারের ছেলে রাজিব সিকদারকে (৪০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা জানায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকা, বিশেষ করে যমুনার চরাঞ্চল থেকে রুগ্ন ও বয়স্ক ঘোড়া সংগ্রহ করে জবাই করত। পরে এসব মাংস প্রক্রিয়াজাত করে পিকআপে ঢাকায় এনে সহযোগীদের মাধ্যমে গরুর মাংস হিসেবে বিক্রি করা হতো।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় জড়িত অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ৯টি জবাইকৃত ঘোড়ার মাংস ও একটি জীবিত অসুস্থ ঘোড়া উদ্ধার করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন