জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার চর গোয়ালিনী ইউনিয়নের ৪ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষীপুর ঘোনাপাড়া ও দক্ষিণ পাড়া এলাকায় ভয়াবহ নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। তীব্র ভাঙনের কারণে মুহূর্তেই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে বসতভিটা, আবাদি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনা। এতে চরম আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গত কয়েকদিন ধরে নদীর তীব্র স্রোতে ভাঙনের মাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। অনেক পরিবার তাদের ঘরবাড়ি ও প্রয়োজনীয় মালামাল সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছেন। ভাঙন অব্যাহত থাকলে আরও বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর নকিবুজ্জামান খান, জানান ভাঙ্গন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য ইতিমধ্যেই কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। শীঘ্রই ভাঙ্গন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
ভুক্তভোগীরা দ্রুত নদীভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার চর গোয়ালিনী ইউনিয়নের ৪ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষীপুর ঘোনাপাড়া ও দক্ষিণ পাড়া এলাকায় ভয়াবহ নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। তীব্র ভাঙনের কারণে মুহূর্তেই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে বসতভিটা, আবাদি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনা। এতে চরম আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গত কয়েকদিন ধরে নদীর তীব্র স্রোতে ভাঙনের মাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। অনেক পরিবার তাদের ঘরবাড়ি ও প্রয়োজনীয় মালামাল সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছেন। ভাঙন অব্যাহত থাকলে আরও বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর নকিবুজ্জামান খান, জানান ভাঙ্গন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য ইতিমধ্যেই কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। শীঘ্রই ভাঙ্গন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
ভুক্তভোগীরা দ্রুত নদীভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন