দেশে উদ্বেগজনকভাবে হামের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান কর্মসূচির পরিসর আগামীকাল রবিবার (১২ এপ্রিল) থেকে বাড়ানো হয়েছে। এ পর্যায়ে ঢাকার দুই সিটি, ময়মনসিংহ এবং বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় এ টিকাদান কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এরপর আগামী ২০ এপ্রিল থেকে এ কার্যক্রম সারা দেশে শুরু হবে।
শনিবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) উপপরিচালক ডা. মোহাম্মদ শাহরিয়ার সাজ্জাদ জানান, এই চার মহানগরীতে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সি ১২ লাখ ১৯ হাজার ৯৫৭ শিশুকে টিকা দেয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এদিকে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে যেসব শিশুর জ্বর রয়েছে বা বর্তমানে অসুস্থ, তাদেরকে এ সময়ে টিকা না দিয়ে সুস্থ হওয়ার পর সেটি দেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
এই কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সি সব শিশু এমআর টিকা পাবে। আগে টিকা নেয়া থাকলেও চলমান ক্যাম্পেইনের আওতায় পুনরায় টিকা নেয়া যাবে।
সাপ্তাহিক ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নির্ধারিত কেন্দ্রে টিকাদান কার্যক্রম চলবে।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
দেশে উদ্বেগজনকভাবে হামের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান কর্মসূচির পরিসর আগামীকাল রবিবার (১২ এপ্রিল) থেকে বাড়ানো হয়েছে। এ পর্যায়ে ঢাকার দুই সিটি, ময়মনসিংহ এবং বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় এ টিকাদান কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এরপর আগামী ২০ এপ্রিল থেকে এ কার্যক্রম সারা দেশে শুরু হবে।
শনিবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) উপপরিচালক ডা. মোহাম্মদ শাহরিয়ার সাজ্জাদ জানান, এই চার মহানগরীতে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সি ১২ লাখ ১৯ হাজার ৯৫৭ শিশুকে টিকা দেয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এদিকে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে যেসব শিশুর জ্বর রয়েছে বা বর্তমানে অসুস্থ, তাদেরকে এ সময়ে টিকা না দিয়ে সুস্থ হওয়ার পর সেটি দেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
এই কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সি সব শিশু এমআর টিকা পাবে। আগে টিকা নেয়া থাকলেও চলমান ক্যাম্পেইনের আওতায় পুনরায় টিকা নেয়া যাবে।
সাপ্তাহিক ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নির্ধারিত কেন্দ্রে টিকাদান কার্যক্রম চলবে।

আপনার মতামত লিখুন