গুম হওয়া পরিবারের ন্যায়বিচারের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে সক্রিয় সংগঠন ‘মায়ের ডাক’র অন্যতম সদস্য ও সাহসী সংগঠক নুসরাত জাহান লাবনী এবার সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য বিএনপির মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) বেলা ১১টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন তিনি। শেরপুর ও জামালপুর জেলার জনগণের প্রতিনিধিত্ব করার লক্ষ্যেই নিজেকে প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করতে তিনি এই উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
নুসরাত জাহান লাবনী ‘মায়ের ডাক’ সংগঠনের একজন সক্রিয় সদস্য। সংগঠনটি গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছে। এর আগে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও সমন্বয়ক প্রকৌশলী সানজিদা ইসলাম তুলি একই সংগঠনের পক্ষ থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন।
লাবনী নিজেও একটি গুমের শিকার পরিবারের সদস্য। তার বড় ভাই মাজাহারুল ইসলাম রাসেল, যিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন, ২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর সাজেদুল ইসলাম সুমনের সঙ্গে নিখোঁজ হন। ওই ঘটনার পর থেকেই পরিবারটি ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় এবং লাবনী নিজেও রাজপথে সক্রিয়ভাবে আন্দোলনে যুক্ত হন।
মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের সময় তার সঙ্গে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা, শেরপুর ও জামালপুর জেলার বিএনপির নেতাকর্মী এবং গুম হওয়া ভিকটিম পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের উপস্থিতি পুরো আয়োজনকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে।
পরে নুসরাত জাহান লাবনী বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি তার রাজনৈতিক যাত্রা ও মানবাধিকার আন্দোলনে সফলতা কামনায় দোয়া প্রার্থনা করেন। রিজভী তার সাহসিকতা ও দৃঢ় অবস্থানের প্রশংসা করেন এবং গুম হওয়া পরিবারগুলোর ন্যায়বিচারের দাবির প্রতি সমর্থন জানান।
লাবনী বলেন, গুম হওয়া প্রতিটি পরিবারের কান্না আমি নিজের পরিবারের মতো অনুভব করি। রাজনীতিতে আসার উদ্দেশ্য ক্ষমতা নয়, বরং এই নির্যাতিত মানুষগুলোর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।
তিনি আরও বলেন, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও একটি মানবিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে তিনি কাজ করে যেতে চান।

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
গুম হওয়া পরিবারের ন্যায়বিচারের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে সক্রিয় সংগঠন ‘মায়ের ডাক’র অন্যতম সদস্য ও সাহসী সংগঠক নুসরাত জাহান লাবনী এবার সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য বিএনপির মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) বেলা ১১টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন তিনি। শেরপুর ও জামালপুর জেলার জনগণের প্রতিনিধিত্ব করার লক্ষ্যেই নিজেকে প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করতে তিনি এই উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
নুসরাত জাহান লাবনী ‘মায়ের ডাক’ সংগঠনের একজন সক্রিয় সদস্য। সংগঠনটি গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছে। এর আগে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও সমন্বয়ক প্রকৌশলী সানজিদা ইসলাম তুলি একই সংগঠনের পক্ষ থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন।
লাবনী নিজেও একটি গুমের শিকার পরিবারের সদস্য। তার বড় ভাই মাজাহারুল ইসলাম রাসেল, যিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন, ২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর সাজেদুল ইসলাম সুমনের সঙ্গে নিখোঁজ হন। ওই ঘটনার পর থেকেই পরিবারটি ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় এবং লাবনী নিজেও রাজপথে সক্রিয়ভাবে আন্দোলনে যুক্ত হন।
মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের সময় তার সঙ্গে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা, শেরপুর ও জামালপুর জেলার বিএনপির নেতাকর্মী এবং গুম হওয়া ভিকটিম পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের উপস্থিতি পুরো আয়োজনকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে।
পরে নুসরাত জাহান লাবনী বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি তার রাজনৈতিক যাত্রা ও মানবাধিকার আন্দোলনে সফলতা কামনায় দোয়া প্রার্থনা করেন। রিজভী তার সাহসিকতা ও দৃঢ় অবস্থানের প্রশংসা করেন এবং গুম হওয়া পরিবারগুলোর ন্যায়বিচারের দাবির প্রতি সমর্থন জানান।
লাবনী বলেন, গুম হওয়া প্রতিটি পরিবারের কান্না আমি নিজের পরিবারের মতো অনুভব করি। রাজনীতিতে আসার উদ্দেশ্য ক্ষমতা নয়, বরং এই নির্যাতিত মানুষগুলোর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।
তিনি আরও বলেন, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও একটি মানবিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে তিনি কাজ করে যেতে চান।

আপনার মতামত লিখুন