চীনা-কানাডীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক জিয়াং জুয়েকিন ২০২৭ সালে যুক্তরাষ্টে্র গৃহযুদ্ধের আশঙ্কাজনক পূর্বাভাস দিয়েছেন। জিয়াং ‘চীনা নস্ট্রাডামাস’ নামে পরিচিত।
সাম্প্রতিক তিনি দাবি করেছেন, ইরান যুদ্ধ আর যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরের তীব্র রাজনৈতিক কোন্দল মিলে সামনের দিনগুলোতে দেশটিতে ব্যাপক দাঙ্গা ও গৃহযুদ্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।
এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয়,মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ এবং এ যুদ্ধে মার্কিন পরাজয়ের পূর্বাভাস দিয়ে নজর কেড়েছিলেন তিনি।
তিনি একজন চীনা-কানাডীয় শিক্ষক, যিনি প্রেডিক্টিভ হিস্ট্রি নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল পরিচালনা করেন। সেখানে তিনি নিজেকে অধ্যাপক জিয়াং বলে পরিচয় দেন। তবে তিনি আসলে অধ্যাপক নন, তাঁর কোনো ডক্টরেট ডিগ্রি নেই এবং তিনি কখনো বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষকতাও করেননি। গত এক বছরে তিনি ইতিহাসভিত্তিক বিষয় থেকে সরে এসে আন্তর্জাতিক ঘটনাবলি নিয়ে মন্তব্য করা শুরু করেছেন। যদিও এর আগেই তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অনুসারী ছিল, কোনো এক কারণে সম্প্রতি তিনি ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়ে যান এবং এরপর বিভিন্ন ধরনের গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে শুরু করেন।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, কেউ কেউ দাবি করেছেন যে তার বিশ্লেষণ সাম্প্রতিক কিছু আন্তর্জাতিক ঘটনা সঠিকভাবে পূর্বাভাস দিয়েছে। সবচেয়ে বেশি যে উদাহরণগুলো দেওয়া হয়, সেগুলো হলো—
(ক) ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হবেন,
(খ) তিনি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করবেন এবং
(ঘ) যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধে পরাজিত হবে।
এর মধ্যে (ক) ঘটার সম্ভাবনা আগে থেকেই অনেক বেশি ছিল। (খ)-এর সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে কম হলেও তা যথেষ্ট সম্ভাব্য ছিল—বিশেষ করে ইসরায়েলের ঘোষিত লক্ষ্য, মার্কিন নীতিতে ইসরায়েলের প্রভাব এবং ইরান সম্পর্কে ট্রাম্পের নিজের অবস্থান বিবেচনা করলে। আর (গ) এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। তবে অনেক বিশ্লেষক আগেই বলেছেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে তাড়াহুড়ো করে এমন কোনো হামলা চালানো হলে এবং ইরানকে অতীতের অন্যান্য মার্কিন প্রতিপক্ষের মতো সহজে আত্মসমর্পণ করবে বলে ধরে নিলে, এর ফল যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ব্যর্থতা হতে পারে।
একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, জিয়াং দাবি করেন যে তার বিশ্লেষণ-পদ্ধতি সাইকোহিস্ট্রির (মনোবিজ্ঞান ও ইতিহাসকে একত্র করে মানুষের বা সমাজের আচরণ ও ঐতিহাসিক পরিবর্তন বিশ্লেষণ করার ধারণা) ওপর ভিত্তি করে। এটি আসলে কোনো বাস্তব বা স্বীকৃত একাডেমিক গবেষণাক্ষেত্র নয়; বরং আইজ্যাক আসিমভের ফাউন্ডেশন সিরিজের সায়েন্স-ফিকশন বইয়ে তৈরি একটি কাল্পনিক ‘শাস্ত্র’, যেখানে ইতিহাস, মনোবিজ্ঞান ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণের সমন্বয় রয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন যে তিনি কোনো উচ্চতর শক্তির কাছ থেকে তথ্য বা নির্দেশনা পান। ইতিহাসের বিভিন্ন ঘটনার মধ্যকার প্যাটার্ন সম্পর্কেও তাঁর এমন কিছু ধারণা রয়েছে, যেগুলোকে ‘ষড়যন্ত্রমূলক’ বলা যেতে পারে—অর্থাৎ ইলুমিনাতির মতো গোপন গোষ্ঠীগুলো নেপথ্য থেকে বিশ্বঘটনা পরিচালনা করে বলে বিশ্বাস করা।
বর্তমান সময়ের জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, তার বিশ্লেষণের পরিধি অত্যন্ত বিস্তৃত—বিশ্বের নানা ধরনের ঘটনা নিয়ে তিনি মন্তব্য করেন এবং অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সেগুলো ব্যাখ্যা করেন। যেসব মানুষের এসব বিষয় সম্পর্কে খুব বেশি জ্ঞান নেই, তাঁদের কাছে এই আত্মবিশ্বাস আকর্ষণীয় মনে হতে পারে। কিন্তু তার বিশ্লেষণ প্রায়ই অত্যন্ত উপরিভাগের এবং জটিল আন্তর্জাতিক বা ঐতিহাসিক প্রবণতা ও ঘটনাকে অতিরিক্ত সরল কিছু কারণ দিয়ে ব্যাখ্যা করে। একই সঙ্গে এসব বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বহু উপাদান তিনি সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেন এবং অনেক ক্ষেত্রে এমন দাবিও করেন, যা স্পষ্টতই অবাস্তব।
সংক্ষেপে, তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন অ্যালগরিদমে অপ্রত্যাশিতভাবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাওয়ার কারণে বর্তমানে বড় ধরনের জনপ্রিয়তার ঢেউয়ের ওপর চড়ে আছেন। তার ভক্তরা অবশ্য বেশ সোচ্চার, এবং তার ‘পূর্বাভাস’-এর নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে এমন সমালোচনা করলে প্রায়ই তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
কিছু দিক থেকে তার জনপ্রিয়তা অবশ্য বোঝা যায়। বৈশ্বিক ঘটনাবলি অত্যন্ত জটিল, তাই সেগুলোর তুলনামূলক সহজ ব্যাখ্যা পাওয়া মানুষের কাছে স্বস্তিদায়ক হতে পারে। একই সঙ্গে এমন একটি গোপন জ্ঞানের ধারণাও আকর্ষণীয়—অর্থাৎ এমনভাবে পৃথিবীকে দেখার সুযোগ, যা সাধারণ মানুষ জানে না বা বুঝতে পারে না।
জিয়াংয়ের মতে, চলমান ইরান সংঘাত শেষ পর্যন্ত এক রক্তক্ষয়ী স্থলযুদ্ধে রূপ নেবে। এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র এমনভাবে আটকে পড়বে যে সেখান থেকে বের হতে তাদের ১০ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত লেগে যেতে পারে। যুদ্ধের বিপুল সেনা চাহিদা মেটাতে যুক্তরাষ্ট্রে আবারও ১৮ বছর বয়সি তরুণদের বাধ্যতামূলক সেনাবাহিনীতে ভর্তি করা শুরু হতে পারে। একই সাথে দেশের বড় বড় শহরগুলোতে বিশৃঙ্খলা সামলাতে ভারী অস্ত্রসহ নামানো হতে পারে সেনা ও সীমান্ত পুলিশ।
তিনি আরও সতর্ক করেছেন যে, যুদ্ধের কারণে সমুদ্রের গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্বজুড়ে তেল, গ্যাস ও সারের দাম হু হু করে বাড়বে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজার ধসে পড়ার সাথে সাথে মার্কিন অর্থনীতিও মারাত্মক মন্দায় পড়বে।
সব মিলিয়ে ২০২৭ সালের মধ্যে জিনিসপত্রের আকাশছোঁয়া দাম এবং জোরপূর্বক সেনাবাহিনীতে নেওয়ার প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রের শহরগুলোতে ছড়িয়ে পড়বে ব্যাপক দাঙ্গা ও গৃহযুদ্ধ।

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চীনা-কানাডীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক জিয়াং জুয়েকিন ২০২৭ সালে যুক্তরাষ্টে্র গৃহযুদ্ধের আশঙ্কাজনক পূর্বাভাস দিয়েছেন। জিয়াং ‘চীনা নস্ট্রাডামাস’ নামে পরিচিত।
সাম্প্রতিক তিনি দাবি করেছেন, ইরান যুদ্ধ আর যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরের তীব্র রাজনৈতিক কোন্দল মিলে সামনের দিনগুলোতে দেশটিতে ব্যাপক দাঙ্গা ও গৃহযুদ্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।
এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয়,মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ এবং এ যুদ্ধে মার্কিন পরাজয়ের পূর্বাভাস দিয়ে নজর কেড়েছিলেন তিনি।
তিনি একজন চীনা-কানাডীয় শিক্ষক, যিনি প্রেডিক্টিভ হিস্ট্রি নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল পরিচালনা করেন। সেখানে তিনি নিজেকে অধ্যাপক জিয়াং বলে পরিচয় দেন। তবে তিনি আসলে অধ্যাপক নন, তাঁর কোনো ডক্টরেট ডিগ্রি নেই এবং তিনি কখনো বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষকতাও করেননি। গত এক বছরে তিনি ইতিহাসভিত্তিক বিষয় থেকে সরে এসে আন্তর্জাতিক ঘটনাবলি নিয়ে মন্তব্য করা শুরু করেছেন। যদিও এর আগেই তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অনুসারী ছিল, কোনো এক কারণে সম্প্রতি তিনি ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়ে যান এবং এরপর বিভিন্ন ধরনের গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে শুরু করেন।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, কেউ কেউ দাবি করেছেন যে তার বিশ্লেষণ সাম্প্রতিক কিছু আন্তর্জাতিক ঘটনা সঠিকভাবে পূর্বাভাস দিয়েছে। সবচেয়ে বেশি যে উদাহরণগুলো দেওয়া হয়, সেগুলো হলো—
(ক) ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হবেন,
(খ) তিনি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করবেন এবং
(ঘ) যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধে পরাজিত হবে।
এর মধ্যে (ক) ঘটার সম্ভাবনা আগে থেকেই অনেক বেশি ছিল। (খ)-এর সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে কম হলেও তা যথেষ্ট সম্ভাব্য ছিল—বিশেষ করে ইসরায়েলের ঘোষিত লক্ষ্য, মার্কিন নীতিতে ইসরায়েলের প্রভাব এবং ইরান সম্পর্কে ট্রাম্পের নিজের অবস্থান বিবেচনা করলে। আর (গ) এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। তবে অনেক বিশ্লেষক আগেই বলেছেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে তাড়াহুড়ো করে এমন কোনো হামলা চালানো হলে এবং ইরানকে অতীতের অন্যান্য মার্কিন প্রতিপক্ষের মতো সহজে আত্মসমর্পণ করবে বলে ধরে নিলে, এর ফল যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ব্যর্থতা হতে পারে।
একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, জিয়াং দাবি করেন যে তার বিশ্লেষণ-পদ্ধতি সাইকোহিস্ট্রির (মনোবিজ্ঞান ও ইতিহাসকে একত্র করে মানুষের বা সমাজের আচরণ ও ঐতিহাসিক পরিবর্তন বিশ্লেষণ করার ধারণা) ওপর ভিত্তি করে। এটি আসলে কোনো বাস্তব বা স্বীকৃত একাডেমিক গবেষণাক্ষেত্র নয়; বরং আইজ্যাক আসিমভের ফাউন্ডেশন সিরিজের সায়েন্স-ফিকশন বইয়ে তৈরি একটি কাল্পনিক ‘শাস্ত্র’, যেখানে ইতিহাস, মনোবিজ্ঞান ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণের সমন্বয় রয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন যে তিনি কোনো উচ্চতর শক্তির কাছ থেকে তথ্য বা নির্দেশনা পান। ইতিহাসের বিভিন্ন ঘটনার মধ্যকার প্যাটার্ন সম্পর্কেও তাঁর এমন কিছু ধারণা রয়েছে, যেগুলোকে ‘ষড়যন্ত্রমূলক’ বলা যেতে পারে—অর্থাৎ ইলুমিনাতির মতো গোপন গোষ্ঠীগুলো নেপথ্য থেকে বিশ্বঘটনা পরিচালনা করে বলে বিশ্বাস করা।
বর্তমান সময়ের জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, তার বিশ্লেষণের পরিধি অত্যন্ত বিস্তৃত—বিশ্বের নানা ধরনের ঘটনা নিয়ে তিনি মন্তব্য করেন এবং অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সেগুলো ব্যাখ্যা করেন। যেসব মানুষের এসব বিষয় সম্পর্কে খুব বেশি জ্ঞান নেই, তাঁদের কাছে এই আত্মবিশ্বাস আকর্ষণীয় মনে হতে পারে। কিন্তু তার বিশ্লেষণ প্রায়ই অত্যন্ত উপরিভাগের এবং জটিল আন্তর্জাতিক বা ঐতিহাসিক প্রবণতা ও ঘটনাকে অতিরিক্ত সরল কিছু কারণ দিয়ে ব্যাখ্যা করে। একই সঙ্গে এসব বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বহু উপাদান তিনি সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেন এবং অনেক ক্ষেত্রে এমন দাবিও করেন, যা স্পষ্টতই অবাস্তব।
সংক্ষেপে, তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন অ্যালগরিদমে অপ্রত্যাশিতভাবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাওয়ার কারণে বর্তমানে বড় ধরনের জনপ্রিয়তার ঢেউয়ের ওপর চড়ে আছেন। তার ভক্তরা অবশ্য বেশ সোচ্চার, এবং তার ‘পূর্বাভাস’-এর নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে এমন সমালোচনা করলে প্রায়ই তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
কিছু দিক থেকে তার জনপ্রিয়তা অবশ্য বোঝা যায়। বৈশ্বিক ঘটনাবলি অত্যন্ত জটিল, তাই সেগুলোর তুলনামূলক সহজ ব্যাখ্যা পাওয়া মানুষের কাছে স্বস্তিদায়ক হতে পারে। একই সঙ্গে এমন একটি গোপন জ্ঞানের ধারণাও আকর্ষণীয়—অর্থাৎ এমনভাবে পৃথিবীকে দেখার সুযোগ, যা সাধারণ মানুষ জানে না বা বুঝতে পারে না।
জিয়াংয়ের মতে, চলমান ইরান সংঘাত শেষ পর্যন্ত এক রক্তক্ষয়ী স্থলযুদ্ধে রূপ নেবে। এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র এমনভাবে আটকে পড়বে যে সেখান থেকে বের হতে তাদের ১০ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত লেগে যেতে পারে। যুদ্ধের বিপুল সেনা চাহিদা মেটাতে যুক্তরাষ্ট্রে আবারও ১৮ বছর বয়সি তরুণদের বাধ্যতামূলক সেনাবাহিনীতে ভর্তি করা শুরু হতে পারে। একই সাথে দেশের বড় বড় শহরগুলোতে বিশৃঙ্খলা সামলাতে ভারী অস্ত্রসহ নামানো হতে পারে সেনা ও সীমান্ত পুলিশ।
তিনি আরও সতর্ক করেছেন যে, যুদ্ধের কারণে সমুদ্রের গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্বজুড়ে তেল, গ্যাস ও সারের দাম হু হু করে বাড়বে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজার ধসে পড়ার সাথে সাথে মার্কিন অর্থনীতিও মারাত্মক মন্দায় পড়বে।
সব মিলিয়ে ২০২৭ সালের মধ্যে জিনিসপত্রের আকাশছোঁয়া দাম এবং জোরপূর্বক সেনাবাহিনীতে নেওয়ার প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রের শহরগুলোতে ছড়িয়ে পড়বে ব্যাপক দাঙ্গা ও গৃহযুদ্ধ।

আপনার মতামত লিখুন