শেরপুর     সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
 ‍SherpurTimes24

প্রধানমন্ত্রী

পহেলা বৈশাখ আমাদের সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের অনন্য প্রতীক



পহেলা বৈশাখ আমাদের সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের অনন্য প্রতীক
ছবি: প্রতিনিধি

পহেলা বৈশাখকে জাতিসত্তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের অনন্য প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই দিনটি প্রতি বছর নতুনের আহ্বান নিয়ে ফিরে আসে। নতুন বছরের আগমনে পুরোনো জীর্ণতা ও গ্লানি পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়।

আগামীকাল (১২ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আজ দেওয়া এক বাণীতে দেশবাসীসহ বিশ্বের সব বাংলাভাষী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বাংলা ১৪৩২ সালকে বিদায় জানিয়ে নতুন বাংলা বছর ১৪৩৩-কে স্বাগত জানান।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখের সঙ্গে এ অঞ্চলের কৃষি, প্রকৃতি ও কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির এই সময়ে এসেও প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কৃষক ফসল উৎপাদনের সময় নির্ধারণ করেন। বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য, লোকজ সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও মূল্যবোধের ধারাবাহিকতা পহেলা বৈশাখের মাধ্যমে নতুন করে উজ্জীবিত হয়।

তিনি বলেন, বৈশাখী মেলা, শোভাযাত্রা ও হালখাতার মতো ঐতিহ্যবাহী আয়োজন আমাদের সংস্কৃতির বহুমাত্রিক সৌন্দর্য তুলে ধরে এবং ঐক্যবোধ জাগ্রত করে। বাংলা নববর্ষ নতুন প্রত্যাশা ও সম্ভাবনার বার্তা নিয়ে আসে। প্রকৃতির নবজাগরণ ও মানুষের অন্তরের আশাবাদ মিলিয়ে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের শাসনের অবসানের পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই রাষ্ট্র ও সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

তিনি জানান, নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সরকার ইতিমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি চালু এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিবসহ বিভিন্ন ধর্মের ধর্মগুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কার্যক্রম শুরু করেছে। কৃষক ও কৃষি অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন থেকে কৃষক কার্ড প্রদান কর্মসূচিও চালু হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, জনগণের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতির অন্তর্নিহিত সহনশীলতা, উদারতা ও সম্প্রীতির চর্চা গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে। তিনি বলেন, বৈশ্বিক সংকটের এই সময়ে শান্তি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের চর্চা আরও জরুরি হয়ে উঠেছে।

নববর্ষে সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠে মানবকল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, নতুন বছরের প্রথম প্রভাতে অতীতের হতাশা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় নিতে হবে। শেষে তিনি দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

আপনার মতামত লিখুন

 ‍SherpurTimes24

সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬


পহেলা বৈশাখ আমাদের সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের অনন্য প্রতীক

প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

পহেলা বৈশাখকে জাতিসত্তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের অনন্য প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই দিনটি প্রতি বছর নতুনের আহ্বান নিয়ে ফিরে আসে। নতুন বছরের আগমনে পুরোনো জীর্ণতা ও গ্লানি পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়।

আগামীকাল (১২ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আজ দেওয়া এক বাণীতে দেশবাসীসহ বিশ্বের সব বাংলাভাষী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বাংলা ১৪৩২ সালকে বিদায় জানিয়ে নতুন বাংলা বছর ১৪৩৩-কে স্বাগত জানান।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখের সঙ্গে এ অঞ্চলের কৃষি, প্রকৃতি ও কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির এই সময়ে এসেও প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কৃষক ফসল উৎপাদনের সময় নির্ধারণ করেন। বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য, লোকজ সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও মূল্যবোধের ধারাবাহিকতা পহেলা বৈশাখের মাধ্যমে নতুন করে উজ্জীবিত হয়।

তিনি বলেন, বৈশাখী মেলা, শোভাযাত্রা ও হালখাতার মতো ঐতিহ্যবাহী আয়োজন আমাদের সংস্কৃতির বহুমাত্রিক সৌন্দর্য তুলে ধরে এবং ঐক্যবোধ জাগ্রত করে। বাংলা নববর্ষ নতুন প্রত্যাশা ও সম্ভাবনার বার্তা নিয়ে আসে। প্রকৃতির নবজাগরণ ও মানুষের অন্তরের আশাবাদ মিলিয়ে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের শাসনের অবসানের পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই রাষ্ট্র ও সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

তিনি জানান, নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সরকার ইতিমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি চালু এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিবসহ বিভিন্ন ধর্মের ধর্মগুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কার্যক্রম শুরু করেছে। কৃষক ও কৃষি অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন থেকে কৃষক কার্ড প্রদান কর্মসূচিও চালু হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, জনগণের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতির অন্তর্নিহিত সহনশীলতা, উদারতা ও সম্প্রীতির চর্চা গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে। তিনি বলেন, বৈশ্বিক সংকটের এই সময়ে শান্তি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের চর্চা আরও জরুরি হয়ে উঠেছে।

নববর্ষে সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠে মানবকল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, নতুন বছরের প্রথম প্রভাতে অতীতের হতাশা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় নিতে হবে। শেষে তিনি দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।


 ‍SherpurTimes24


কপিরাইট © ২০২৬ ‍SherpurTimes24 । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত