শেরপুর সদর উপজেলার বলাইচর ইউনিয়নের চক শাহাব্দী গ্রামের ভুক্তভোগী ফার্নিচার ব্যবসায়ী মো: মোসাফির রহমান মুসা তার পৈতৃক সম্পত্তি অবৈধ দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুরে ভুক্তভোগী মুসার চক সাবদি গ্রামের বাড়িতে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমার পৈত্রিক ১৬ শতক জমি আমার চাচাতো ভাইয়েরা জমির চারপাশে বাঁশের বেড়া দিয়ে দখল করে নিয়েছি। একই সাথে তারা আমার পৈত্রিক দলিলটি ভুয়া বলে আদালতে মিথ্যে মামলা করেছেন। আদালতে মামলা প্রক্রিয়াধীন থাকা অবস্থায় পুলিশি সহযোগিতায় তারা সম্প্রতি বাঁশ দিয়ে বেড়া দিয়ে আমার যাতায়াতের রাস্তা আটকে দিয়ে জমি দখল নিয়েছে।
এ বিষয়ে আমি পুলিশ সুপার সহ আদালত ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের শরণাপন্ন হলেও কোন সূরা পাচ্ছি না। তাই আমি আমার মা মামনোয়ারা বেগম, বাবা মো. আলম উদ্দিন, স্ত্রীসহ দুই সন্তান এবং বোন সুমাইয়া আক্তার ও বুলবুলি বেগমসহ আটজন সদস্য নিয়ে আমি আতঙ্কে বসবাস করছি। তারা হুমকি দিচ্ছে শুধু জমি দখলই নয়, প্রয়োজনে আমাদেরকে হত্যা করবে।
এমতাবস্থায় আমি এই ঘটনার প্রতিবাদ এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
এ বিষয়ে পুলিশ সদস্য এনামুল হক বলেন, থানায় অভিযোগ সাপেক্ষে আমার উপর দায়িত্ব পড়লে আমি ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি চাচাতো জেঠাতো ভাইদের মধ্যে ওয়ারিশি জমি নিয়ে ঝগড়া। এবং উভয় পক্ষই মারমুখী অবস্থানে ছিলো। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের সাথে নিয়ে উভয় পক্ষকে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশনা দিয়ে আসি। এইটুকুই ঘটনা, কিন্তু আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলা হচ্ছে কি কারণে তা নিজেও জানি না।
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন আক্তার বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের একটি অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
শেরপুর সদর উপজেলার বলাইচর ইউনিয়নের চক শাহাব্দী গ্রামের ভুক্তভোগী ফার্নিচার ব্যবসায়ী মো: মোসাফির রহমান মুসা তার পৈতৃক সম্পত্তি অবৈধ দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুরে ভুক্তভোগী মুসার চক সাবদি গ্রামের বাড়িতে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমার পৈত্রিক ১৬ শতক জমি আমার চাচাতো ভাইয়েরা জমির চারপাশে বাঁশের বেড়া দিয়ে দখল করে নিয়েছি। একই সাথে তারা আমার পৈত্রিক দলিলটি ভুয়া বলে আদালতে মিথ্যে মামলা করেছেন। আদালতে মামলা প্রক্রিয়াধীন থাকা অবস্থায় পুলিশি সহযোগিতায় তারা সম্প্রতি বাঁশ দিয়ে বেড়া দিয়ে আমার যাতায়াতের রাস্তা আটকে দিয়ে জমি দখল নিয়েছে।
এ বিষয়ে আমি পুলিশ সুপার সহ আদালত ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের শরণাপন্ন হলেও কোন সূরা পাচ্ছি না। তাই আমি আমার মা মামনোয়ারা বেগম, বাবা মো. আলম উদ্দিন, স্ত্রীসহ দুই সন্তান এবং বোন সুমাইয়া আক্তার ও বুলবুলি বেগমসহ আটজন সদস্য নিয়ে আমি আতঙ্কে বসবাস করছি। তারা হুমকি দিচ্ছে শুধু জমি দখলই নয়, প্রয়োজনে আমাদেরকে হত্যা করবে।
এমতাবস্থায় আমি এই ঘটনার প্রতিবাদ এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
এ বিষয়ে পুলিশ সদস্য এনামুল হক বলেন, থানায় অভিযোগ সাপেক্ষে আমার উপর দায়িত্ব পড়লে আমি ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি চাচাতো জেঠাতো ভাইদের মধ্যে ওয়ারিশি জমি নিয়ে ঝগড়া। এবং উভয় পক্ষই মারমুখী অবস্থানে ছিলো। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের সাথে নিয়ে উভয় পক্ষকে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশনা দিয়ে আসি। এইটুকুই ঘটনা, কিন্তু আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলা হচ্ছে কি কারণে তা নিজেও জানি না।
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন আক্তার বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের একটি অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন