আবহমান বাংলার মাস চৈত্রের শেষ দিনটিকে লৌকিক আচারে পালিত হয় ‘চৈত্র সংক্রান্তি’। বছরের শেষ দিনে পুরাতনকে বিদায় ও নতুন বর্ষকে বরণ করার জন্য প্রতি বছর বিভিন্ন অনুষ্ঠান-উৎসবের আয়োজন করা হয়। মনে করা হয়, চৈত্র সংক্রান্তিকে অনুসরণ করেই পহেলা বৈশাখ উদ্যাপনের এত আয়োজন। এরই ধারাবাহিকতায় শেরপুরেও পালিত হয়েছে সংক্রান্তির নানা অনুষ্ঠানমালা।
বাংলা বছরের চৈত্র মাসের শেষ দিন সোমবার (১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় শেরপুর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ শেরপুর জেলা শাখার আয়োজনে এ চৈত্র সংক্রান্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সংগঠনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক করুণা কারুয়ার সঞ্চালনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মেলন পরিষদের উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক সমাজ সেবক রাজিয়া সামাদ ডালিয়া, সভাপতি সঞ্চিতা হোড় দীপু, সহ-সভাপতি এডভোকেট শক্তিপদ পাল, সাধারণ সম্পাদক অনুপম বসাক তিলক সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এতে অংশ নেন জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সংগীতশিল্পীরা।
এ সময় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদের শিল্পীরা কবিতা পাঠ, নাচ ও গান পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিল্পীবৃন্দ ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
আবহমান বাংলার মাস চৈত্রের শেষ দিনটিকে লৌকিক আচারে পালিত হয় ‘চৈত্র সংক্রান্তি’। বছরের শেষ দিনে পুরাতনকে বিদায় ও নতুন বর্ষকে বরণ করার জন্য প্রতি বছর বিভিন্ন অনুষ্ঠান-উৎসবের আয়োজন করা হয়। মনে করা হয়, চৈত্র সংক্রান্তিকে অনুসরণ করেই পহেলা বৈশাখ উদ্যাপনের এত আয়োজন। এরই ধারাবাহিকতায় শেরপুরেও পালিত হয়েছে সংক্রান্তির নানা অনুষ্ঠানমালা।
বাংলা বছরের চৈত্র মাসের শেষ দিন সোমবার (১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় শেরপুর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ শেরপুর জেলা শাখার আয়োজনে এ চৈত্র সংক্রান্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সংগঠনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক করুণা কারুয়ার সঞ্চালনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মেলন পরিষদের উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক সমাজ সেবক রাজিয়া সামাদ ডালিয়া, সভাপতি সঞ্চিতা হোড় দীপু, সহ-সভাপতি এডভোকেট শক্তিপদ পাল, সাধারণ সম্পাদক অনুপম বসাক তিলক সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এতে অংশ নেন জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সংগীতশিল্পীরা।
এ সময় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদের শিল্পীরা কবিতা পাঠ, নাচ ও গান পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিল্পীবৃন্দ ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন