শেরপুরে আদালত চত্বরে এক বিচার প্রার্থী নারী তার স্বামী ও সতিনকে জুতা পেটা করার বিষয়টি গড়াল পুলিশ পর্যন্ত। শেষমেশ ওই নারীকে ২০ দিনের কারাদণ্ড দিলেন বিচারক। সোমবার (১৩ এপ্রিল) শেরপুর জুডিশিয়াল আদালতের সামনে ঘটেছে এ ঘটনা।
সাজাপ্রাপ্ত আখলিমা আক্তার (৩০) নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার নোয়াগাঁও এলাকার আরজ আলীর মেয়ে। তিনি উজ্জল মিয়ার প্রথম স্ত্রী।
আদালত সূত্র জানায়, নকলা আমলী আদালতে আখলিমা খাতুনের দায়ের করা মামলায় সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে হাজিরা দিয়ে বের হন স্বামী উজ্জল মিয়া। এ সময় স্বামী উজ্জল মিয়া ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মারপিট ও জুতাপেটা করেন প্রথম স্ত্রী আখলিমা আক্তার। এ নিয়ে ব্যাপক শোরগোল শুরু হয় আদালত প্রাঙ্গণে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ৪ জনকে আটক করে পুলিশ। পরে সংক্ষিপ্ত বিচারিক আদালতে অভিযোগ দেন স্বপ্না খাতুন। কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যসহ ৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আখলিমা খাতুনকে ২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান ভুঁইয়া।

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
শেরপুরে আদালত চত্বরে এক বিচার প্রার্থী নারী তার স্বামী ও সতিনকে জুতা পেটা করার বিষয়টি গড়াল পুলিশ পর্যন্ত। শেষমেশ ওই নারীকে ২০ দিনের কারাদণ্ড দিলেন বিচারক। সোমবার (১৩ এপ্রিল) শেরপুর জুডিশিয়াল আদালতের সামনে ঘটেছে এ ঘটনা।
সাজাপ্রাপ্ত আখলিমা আক্তার (৩০) নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার নোয়াগাঁও এলাকার আরজ আলীর মেয়ে। তিনি উজ্জল মিয়ার প্রথম স্ত্রী।
আদালত সূত্র জানায়, নকলা আমলী আদালতে আখলিমা খাতুনের দায়ের করা মামলায় সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে হাজিরা দিয়ে বের হন স্বামী উজ্জল মিয়া। এ সময় স্বামী উজ্জল মিয়া ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মারপিট ও জুতাপেটা করেন প্রথম স্ত্রী আখলিমা আক্তার। এ নিয়ে ব্যাপক শোরগোল শুরু হয় আদালত প্রাঙ্গণে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ৪ জনকে আটক করে পুলিশ। পরে সংক্ষিপ্ত বিচারিক আদালতে অভিযোগ দেন স্বপ্না খাতুন। কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যসহ ৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আখলিমা খাতুনকে ২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান ভুঁইয়া।

আপনার মতামত লিখুন