প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, এই সরকার জনগণের সরকার। কৃষক, দেশের মা-বোন, মসজিদের ইমাম-খতিবসহ সকল শ্রেণির মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করবে এই সরকার। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের উন্নয়ন। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন। সে জন্যই আমরা বলে থাকি করব কাজ গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এদেশের ৪০ শতাংশ মানুষ কৃষির সাথে জড়িত। আমি হয়তো কৃষির সাথে জড়িত নয়, কিন্তু আমাদের পরিবারের কেউ না কেউ আছে যে মানুষটি কৃষির সাথে জড়িত। বাংলাদেশের ৪ কোটি পরিবার কেউ না কেউ কৃষির সাথে জড়িত। এদেশের প্রধান পেশায় হচ্ছে কৃষি। এদেশের কৃষক যদি সচ্ছল থাকে, এদেশের কৃষক যদি বেঁচে থাকে, কৃষক যদি ভালো থাকে, তাহলে সমগ্র বাংলাদেশ ভালো থাকতে পারবে। বাংলাদেশের মানুষ ভালো থাকতে পারবে।
তারেক রহমান বলেন, ২২ হাজার কৃষককে আমরা প্রথম পর্যায়ে কৃষক কার্ডের সুবিধা পৌঁছে দিতে চাচ্ছি। এদেশের মানুষকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম আজকে তা আমরা উদ্বোধন করলাম। নির্বাচনের পূর্বে দেশের মানুষের কাছে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তার মধ্যে কৃষক কার্ডের প্রতিশ্রুতি ছিল। আমরা নির্বাচনের পরে প্রথম সপ্তাহে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা কৃষিঋণ মওকুফ করেছি। এটাও আমাদের প্রতিশ্রুতির মধ্যে ছিল।
তিনি বলেন, আগামী ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। খাল ও নদী খননের মাধ্যমে বন্যার সময়ের অতিরিক্ত পানি পরবর্তী সময়ে যেন আমরা ধরে রাখতে পারি সেই জন্য খাল খনন আমাদের লক্ষ্য। এখন দেশ গড়ার সময়। নারীদের স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি নির্বাচনের আগে জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবে বর্তমান সরকার। বিএনপির লক্ষ্য হচ্ছে দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন।
তারেক রহমান বলেন, আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম- আমরা যদি সরকার গঠন করতে সক্ষম হই, তাহলে বাংলাদেশের মা-বোনদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড চালু করব। আল্লাহর রহমতে সেই কাজটির পাইলট প্রজেক্ট শুরু করতে সক্ষম হয়েছি। আগামী ৫ বছরের মধ্যে আমরা চেষ্টা করব সকল নারী প্রধান পরিবারের কাছে এই কার্ডের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার।

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, এই সরকার জনগণের সরকার। কৃষক, দেশের মা-বোন, মসজিদের ইমাম-খতিবসহ সকল শ্রেণির মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করবে এই সরকার। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের উন্নয়ন। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন। সে জন্যই আমরা বলে থাকি করব কাজ গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এদেশের ৪০ শতাংশ মানুষ কৃষির সাথে জড়িত। আমি হয়তো কৃষির সাথে জড়িত নয়, কিন্তু আমাদের পরিবারের কেউ না কেউ আছে যে মানুষটি কৃষির সাথে জড়িত। বাংলাদেশের ৪ কোটি পরিবার কেউ না কেউ কৃষির সাথে জড়িত। এদেশের প্রধান পেশায় হচ্ছে কৃষি। এদেশের কৃষক যদি সচ্ছল থাকে, এদেশের কৃষক যদি বেঁচে থাকে, কৃষক যদি ভালো থাকে, তাহলে সমগ্র বাংলাদেশ ভালো থাকতে পারবে। বাংলাদেশের মানুষ ভালো থাকতে পারবে।
তারেক রহমান বলেন, ২২ হাজার কৃষককে আমরা প্রথম পর্যায়ে কৃষক কার্ডের সুবিধা পৌঁছে দিতে চাচ্ছি। এদেশের মানুষকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম আজকে তা আমরা উদ্বোধন করলাম। নির্বাচনের পূর্বে দেশের মানুষের কাছে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তার মধ্যে কৃষক কার্ডের প্রতিশ্রুতি ছিল। আমরা নির্বাচনের পরে প্রথম সপ্তাহে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা কৃষিঋণ মওকুফ করেছি। এটাও আমাদের প্রতিশ্রুতির মধ্যে ছিল।
তিনি বলেন, আগামী ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। খাল ও নদী খননের মাধ্যমে বন্যার সময়ের অতিরিক্ত পানি পরবর্তী সময়ে যেন আমরা ধরে রাখতে পারি সেই জন্য খাল খনন আমাদের লক্ষ্য। এখন দেশ গড়ার সময়। নারীদের স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি নির্বাচনের আগে জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবে বর্তমান সরকার। বিএনপির লক্ষ্য হচ্ছে দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন।
তারেক রহমান বলেন, আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম- আমরা যদি সরকার গঠন করতে সক্ষম হই, তাহলে বাংলাদেশের মা-বোনদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড চালু করব। আল্লাহর রহমতে সেই কাজটির পাইলট প্রজেক্ট শুরু করতে সক্ষম হয়েছি। আগামী ৫ বছরের মধ্যে আমরা চেষ্টা করব সকল নারী প্রধান পরিবারের কাছে এই কার্ডের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার।

আপনার মতামত লিখুন