শেরপুরে আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬। এ সময়ে জেলার পাঁচটি উপজেলায় মোট ১ লাখ ৬১ হাজার ৪৩২ জন শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে শেরপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিভিল সার্জন ডা. মুহাম্মদ শাহীন।
তিনি জানান, জেলায় এখন পর্যন্ত ৮২ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৭৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কারও হাম পজিটিভ পাওয়া যায়নি। বর্তমানে জেলা সদর হাসপাতালে ২৫ জন সন্দেহভাজন রোগী ভর্তি রয়েছেন।
সিভিল সার্জন আরও বলেন, ক্যাম্পেইনের আওতায় সাধারণভাবে ১ লাখ ৪২ হাজার ৮১১ জন শিশু এবং স্কুল পর্যায়ে ১৮ হাজার ৬২১ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হবে। জেলার ৭৭৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ মোট ১ হাজার ৩৩৫টি কেন্দ্রে এই টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
তিনি বলেন, ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের এই ক্যাম্পেইনে হাম-রুবেলা টিকা দেওয়া হবে। আগে টিকা গ্রহণ করলেও এই বয়সসীমার সব শিশুকে নতুন করে এক ডোজ এমআর টিকা দেওয়া হবে। ৬ মাস পূর্ণ (১৮০ দিন) থেকে ৪ বছর ১১ মাস ২৯ দিন বয়সী শিশুরা এই টিকার আওতায় আসবে।
সংবাদ সম্মেলনে হাম-রুবেলা বিষয়ে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. আহসান হাবীব হিমেল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাব সভাপতি কাকন রেজা, কার্যকরী সভাপতি রফিক মজিদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুগনিউর রহমান মনি এবং জেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
শেরপুরে আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬। এ সময়ে জেলার পাঁচটি উপজেলায় মোট ১ লাখ ৬১ হাজার ৪৩২ জন শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে শেরপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিভিল সার্জন ডা. মুহাম্মদ শাহীন।
তিনি জানান, জেলায় এখন পর্যন্ত ৮২ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৭৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কারও হাম পজিটিভ পাওয়া যায়নি। বর্তমানে জেলা সদর হাসপাতালে ২৫ জন সন্দেহভাজন রোগী ভর্তি রয়েছেন।
সিভিল সার্জন আরও বলেন, ক্যাম্পেইনের আওতায় সাধারণভাবে ১ লাখ ৪২ হাজার ৮১১ জন শিশু এবং স্কুল পর্যায়ে ১৮ হাজার ৬২১ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হবে। জেলার ৭৭৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ মোট ১ হাজার ৩৩৫টি কেন্দ্রে এই টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
তিনি বলেন, ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের এই ক্যাম্পেইনে হাম-রুবেলা টিকা দেওয়া হবে। আগে টিকা গ্রহণ করলেও এই বয়সসীমার সব শিশুকে নতুন করে এক ডোজ এমআর টিকা দেওয়া হবে। ৬ মাস পূর্ণ (১৮০ দিন) থেকে ৪ বছর ১১ মাস ২৯ দিন বয়সী শিশুরা এই টিকার আওতায় আসবে।
সংবাদ সম্মেলনে হাম-রুবেলা বিষয়ে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. আহসান হাবীব হিমেল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাব সভাপতি কাকন রেজা, কার্যকরী সভাপতি রফিক মজিদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুগনিউর রহমান মনি এবং জেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।

আপনার মতামত লিখুন