বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়ন থেকে অপহৃত মোটরসাইকেল চালক মো. মোর্শেদ আলম ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণের বিনিময়ে অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন।
সোমবার (৬ এপ্রিল) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে চকরিয়া উপজেলার মালুমঘাটা এলাকার একটি দুর্গম পাহাড়ি স্থান থেকে তাকে ছেড়ে দেয় সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা।
মোর্শেদ আলম উত্তর বাইশারী গ্রামের মৃত নুরুল হাকিমের ছেলে।
পরিবার সূত্র জানায়, গত রোববার (৫ এপ্রিল) কেঙ্গারবিল এলাকা থেকে অস্ত্রের মুখে মোর্শেদকে তুলে নিয়ে যায় অপহরণকারীরা। পরে পরিবারের কাছে ফোনে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। নিরুপায় পরিবারটি আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়দের কাছ থেকে ধার-দেনা করে ৩০ হাজার টাকা সংগ্রহ করে অপহরণকারীদের হাতে তুলে দিলে তবেই মুক্তি মেলে তার।
মুক্তি পাওয়া মোর্শেদ আলম জানান, আমাকে চোখ বেঁধে পাহাড়ের ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়। সারারাত বেঁধে রেখে মারধর করেছে। পরিবারের কাছ থেকে টাকা পাওয়ার পর ভোরে আমাকে ছেড়ে দেয়।
এ বিষয়ে বাইশারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি আমরা জেনেছি। অপহরণকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ চলছে। এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারে টহল বাড়ানো হয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে অপহরণকারীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে এবং ঈদগড়–বাইশারী সড়কে স্থায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। অন্যথায় সীমান্তবর্তী এই অঞ্চলে সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়ন থেকে অপহৃত মোটরসাইকেল চালক মো. মোর্শেদ আলম ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণের বিনিময়ে অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন।
সোমবার (৬ এপ্রিল) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে চকরিয়া উপজেলার মালুমঘাটা এলাকার একটি দুর্গম পাহাড়ি স্থান থেকে তাকে ছেড়ে দেয় সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা।
মোর্শেদ আলম উত্তর বাইশারী গ্রামের মৃত নুরুল হাকিমের ছেলে।
পরিবার সূত্র জানায়, গত রোববার (৫ এপ্রিল) কেঙ্গারবিল এলাকা থেকে অস্ত্রের মুখে মোর্শেদকে তুলে নিয়ে যায় অপহরণকারীরা। পরে পরিবারের কাছে ফোনে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। নিরুপায় পরিবারটি আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়দের কাছ থেকে ধার-দেনা করে ৩০ হাজার টাকা সংগ্রহ করে অপহরণকারীদের হাতে তুলে দিলে তবেই মুক্তি মেলে তার।
মুক্তি পাওয়া মোর্শেদ আলম জানান, আমাকে চোখ বেঁধে পাহাড়ের ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়। সারারাত বেঁধে রেখে মারধর করেছে। পরিবারের কাছ থেকে টাকা পাওয়ার পর ভোরে আমাকে ছেড়ে দেয়।
এ বিষয়ে বাইশারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি আমরা জেনেছি। অপহরণকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ চলছে। এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারে টহল বাড়ানো হয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে অপহরণকারীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে এবং ঈদগড়–বাইশারী সড়কে স্থায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। অন্যথায় সীমান্তবর্তী এই অঞ্চলে সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন