হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় সৎ মায়ের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে দুই বোন কীটনাশক পান করেছে। এতে বড় বোনের মৃত্যু হয়েছে এবং ছোট বোন আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার আট নম্বর খাগাওড়া ইউনিয়নের গুনই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সনিয়া আক্তার (২০) ও তার ছোট বোন জনিয়া আক্তার (১৬) একই গ্রামের চান মিয়ার কন্যা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সৎ মায়ের নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে দুই বোন কীটনাশক জাতীয় বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পরে তাদের ছটফট করতে দেখে প্রতিবেশীরা পরিবারের লোকজনের সহায়তায় দ্রুত হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে যায়।
হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক সনিয়া আক্তারকে মৃত ঘোষণা করেন। অপরদিকে গুরুতর অসুস্থ জনিয়া আক্তার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়রা অভিযুক্ত সৎ মায়ের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শরীফ আহমেদ বলেন, ‘‘ঘটনাটি সম্পর্কে আমি জেনেছি। বিষয়টি তদন্তে এসআই নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় সৎ মায়ের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে দুই বোন কীটনাশক পান করেছে। এতে বড় বোনের মৃত্যু হয়েছে এবং ছোট বোন আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার আট নম্বর খাগাওড়া ইউনিয়নের গুনই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সনিয়া আক্তার (২০) ও তার ছোট বোন জনিয়া আক্তার (১৬) একই গ্রামের চান মিয়ার কন্যা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সৎ মায়ের নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে দুই বোন কীটনাশক জাতীয় বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পরে তাদের ছটফট করতে দেখে প্রতিবেশীরা পরিবারের লোকজনের সহায়তায় দ্রুত হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে যায়।
হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক সনিয়া আক্তারকে মৃত ঘোষণা করেন। অপরদিকে গুরুতর অসুস্থ জনিয়া আক্তার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়রা অভিযুক্ত সৎ মায়ের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শরীফ আহমেদ বলেন, ‘‘ঘটনাটি সম্পর্কে আমি জেনেছি। বিষয়টি তদন্তে এসআই নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’

আপনার মতামত লিখুন