ভোলার লালমোহন উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের সাত নম্বর ওয়ার্ডের পেস্কার হাওলা এলাকায় চলাচলের একমাত্র দীর্ঘদিনের পুরনো পথটি গায়ের জোরে বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে চারটি পরিবারের প্রায় ৩০ জন সদস্য নিজ বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না। ফলে তারা চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা উসমান গনির স্ত্রী রুনা বেগম জানান, রফিক মিয়াদের বাড়ির এই রাস্তাটি তারা দীর্ঘ ৫০ বছর যাবত যাতায়াতের জন্য ব্যবহার করে আসছেন। এটিই ছিল তাদের বাড়ি থেকে বের হওয়ার একমাত্র পথ। কিন্তু কোনো কারণ ছাড়াই মৃত সামছুল হকের ছেলে সেলিম মিয়া গায়ের জোরে এই রাস্তাটি বন্ধ করে দিয়েছেন।
তিনি আরও জানান, রাস্তাটি খুলে দেওয়ার জন্য স্থানীয়ভাবে একাধিকবার বিচার-সালিশ বসানো হয়েছে। কিন্তু সেলিম কোনো ফয়সালা বা নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে রাস্তাটি বন্ধ করে রেখেছেন। প্রভাবশালী ও গায়ের জোরে তিনি কারও কথা মানছেন না। বর্তমানে রাস্তাটি বন্ধ থাকায় নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ চারটি পরিবারের সদস্যরা অবরুদ্ধ অবস্থায় আছেন। দৈনন্দিন কাজ এমনকি জরুরি প্রয়োজনেও তারা বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না।
রুনা বেগম বলেন, ‘‘আমাদের ঘর থেকে বের হওয়া এখন কষ্টের হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’’
এই বিষয়ে অভিযুক্ত সেলিমের স্ত্রী বলেন, ‘‘এটা আমাদের জমি। দীর্ঘদিন পরে মাপে পেয়েছি, তাই বেড়া দিয়েছি। আমার জায়গা দিয়ে কাউকে হাঁটতে দেব না।’’

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
ভোলার লালমোহন উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের সাত নম্বর ওয়ার্ডের পেস্কার হাওলা এলাকায় চলাচলের একমাত্র দীর্ঘদিনের পুরনো পথটি গায়ের জোরে বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে চারটি পরিবারের প্রায় ৩০ জন সদস্য নিজ বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না। ফলে তারা চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা উসমান গনির স্ত্রী রুনা বেগম জানান, রফিক মিয়াদের বাড়ির এই রাস্তাটি তারা দীর্ঘ ৫০ বছর যাবত যাতায়াতের জন্য ব্যবহার করে আসছেন। এটিই ছিল তাদের বাড়ি থেকে বের হওয়ার একমাত্র পথ। কিন্তু কোনো কারণ ছাড়াই মৃত সামছুল হকের ছেলে সেলিম মিয়া গায়ের জোরে এই রাস্তাটি বন্ধ করে দিয়েছেন।
তিনি আরও জানান, রাস্তাটি খুলে দেওয়ার জন্য স্থানীয়ভাবে একাধিকবার বিচার-সালিশ বসানো হয়েছে। কিন্তু সেলিম কোনো ফয়সালা বা নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে রাস্তাটি বন্ধ করে রেখেছেন। প্রভাবশালী ও গায়ের জোরে তিনি কারও কথা মানছেন না। বর্তমানে রাস্তাটি বন্ধ থাকায় নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ চারটি পরিবারের সদস্যরা অবরুদ্ধ অবস্থায় আছেন। দৈনন্দিন কাজ এমনকি জরুরি প্রয়োজনেও তারা বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না।
রুনা বেগম বলেন, ‘‘আমাদের ঘর থেকে বের হওয়া এখন কষ্টের হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’’
এই বিষয়ে অভিযুক্ত সেলিমের স্ত্রী বলেন, ‘‘এটা আমাদের জমি। দীর্ঘদিন পরে মাপে পেয়েছি, তাই বেড়া দিয়েছি। আমার জায়গা দিয়ে কাউকে হাঁটতে দেব না।’’

আপনার মতামত লিখুন