সারাদেশে ঘটতে থাকা চলমান শিশু ও নারী ধর্ষণের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে নাগরিক সংগঠন ময়মনসিংহ মঞ্চ। বুধবার (৬ এপ্রিল) বিকেল ৪ টায় ময়মনসিংহ নগরীর শহীদ ফিরোজ-জাহাঙ্গীর চত্বরে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তারা বলেন, সমাজ আজ বিকৃত মানসিকতায় সয়লাব। অহরহ ঘটছে শিশু ও নারী ধর্ষণের ঘটনা। যেন হিংস্র নেকড়ে ছেয়ে গেছে পুরো দেশ, সমাজ। মানুষরূপী এসব হিংস্র নেকড়েদেরকে কঠোর হস্তে দমন করা অজ জরুরী হয়ে পড়েছে সুস্থ সমাজ বিনির্মাণের স্বার্থে। যে সমাজে রাষ্ট্র নারী, শিশু নিরাপদ নয় সে সমাজ রাষ্ট্র সভ্য নয। বর্তমানে প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে ধর্ষণ বিশেষ করে শিশু ধর্ষণ। দিনদিন সমাজ, রাষ্ট্র অসভ্যতার অতল গহবরের দিকে ধাবিত হচ্ছে। এদেশ ধর্ষণের উপত্যকা হয়ে যাবে, এমন তো কাম্য নয়।
বক্তারা আরো বলেন, দেশে আইন আছে কিন্তু আইনের প্রয়োগ নেই। ফলে , বিচারহীনতার কারণে অপরাধ বেড়েই চলছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০২০) এর ধারা ৯'তে স্পষ্ট করে বলা আছে, ''যদি কোন পুরুষ কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদন্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ডে দন্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদন্ডেও দন্ডনীয় হইবেন।' এই স্পষ্ট আইন থাকার সত্ত্বেও কেন ধর্ষকদের বিরুদ্ধে যথাযথ দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা হচ্ছে না? সে প্রশ্ন আজ জাতির সামনে। ধর্ষণের বিচার কার্যক্রম জটিল না করে সহজকরণ ও দ্রুততম সময়ে নিষ্পত্তি করতে হবে। বিদ্যমান আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে ধর্ষণজনিত অপরাধ অনেকটা কমে আসবে। এছাড়া সরকারের পাশাপাশি ধর্ষণের ব্যাপারে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। সচেতন মানুষদেরকে সমাজে মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির করতে হবে। এ ব্যাপারে সকল বিবেক সম্পন্ন মানুষদেরকে এগিয়ে আসতে হবে।
ময়মনসিংহ মঞ্চের সমন্বয়ক ইমতিয়াজ আহমেদের সভাপতিত্বে ও সাংস্কৃতিক কর্মি শাহরিয়ার আহমেদ আশিকের পরিচালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন আবু বকর সিদ্দিক রুমেল, সুশান্ত দেবনাথ খোকন, ম: রফিকুল ইসলাম রফিক, তানজিল হোসেন মুনিম, মো: সোহেল মিয়া, সুশান্ত শীল, আব্দুল্লাহ আল মুমুন শুভ, সাদ্দাম হোসেন রিমন প্রমুখ।

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
সারাদেশে ঘটতে থাকা চলমান শিশু ও নারী ধর্ষণের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে নাগরিক সংগঠন ময়মনসিংহ মঞ্চ। বুধবার (৬ এপ্রিল) বিকেল ৪ টায় ময়মনসিংহ নগরীর শহীদ ফিরোজ-জাহাঙ্গীর চত্বরে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তারা বলেন, সমাজ আজ বিকৃত মানসিকতায় সয়লাব। অহরহ ঘটছে শিশু ও নারী ধর্ষণের ঘটনা। যেন হিংস্র নেকড়ে ছেয়ে গেছে পুরো দেশ, সমাজ। মানুষরূপী এসব হিংস্র নেকড়েদেরকে কঠোর হস্তে দমন করা অজ জরুরী হয়ে পড়েছে সুস্থ সমাজ বিনির্মাণের স্বার্থে। যে সমাজে রাষ্ট্র নারী, শিশু নিরাপদ নয় সে সমাজ রাষ্ট্র সভ্য নয। বর্তমানে প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে ধর্ষণ বিশেষ করে শিশু ধর্ষণ। দিনদিন সমাজ, রাষ্ট্র অসভ্যতার অতল গহবরের দিকে ধাবিত হচ্ছে। এদেশ ধর্ষণের উপত্যকা হয়ে যাবে, এমন তো কাম্য নয়।
বক্তারা আরো বলেন, দেশে আইন আছে কিন্তু আইনের প্রয়োগ নেই। ফলে , বিচারহীনতার কারণে অপরাধ বেড়েই চলছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০২০) এর ধারা ৯'তে স্পষ্ট করে বলা আছে, ''যদি কোন পুরুষ কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদন্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ডে দন্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদন্ডেও দন্ডনীয় হইবেন।' এই স্পষ্ট আইন থাকার সত্ত্বেও কেন ধর্ষকদের বিরুদ্ধে যথাযথ দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা হচ্ছে না? সে প্রশ্ন আজ জাতির সামনে। ধর্ষণের বিচার কার্যক্রম জটিল না করে সহজকরণ ও দ্রুততম সময়ে নিষ্পত্তি করতে হবে। বিদ্যমান আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে ধর্ষণজনিত অপরাধ অনেকটা কমে আসবে। এছাড়া সরকারের পাশাপাশি ধর্ষণের ব্যাপারে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। সচেতন মানুষদেরকে সমাজে মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির করতে হবে। এ ব্যাপারে সকল বিবেক সম্পন্ন মানুষদেরকে এগিয়ে আসতে হবে।
ময়মনসিংহ মঞ্চের সমন্বয়ক ইমতিয়াজ আহমেদের সভাপতিত্বে ও সাংস্কৃতিক কর্মি শাহরিয়ার আহমেদ আশিকের পরিচালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন আবু বকর সিদ্দিক রুমেল, সুশান্ত দেবনাথ খোকন, ম: রফিকুল ইসলাম রফিক, তানজিল হোসেন মুনিম, মো: সোহেল মিয়া, সুশান্ত শীল, আব্দুল্লাহ আল মুমুন শুভ, সাদ্দাম হোসেন রিমন প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন