ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। শনিবার (৯ মে) বিকালে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে নিহত মুরসালিন ও নবীর হোসেনের মরদেহ ফেরত দেয় বিএসএফ।
মুরসালিন (২০) কসবা উপজেলার সীমান্তবর্তী ধ্বজনগর গ্রামের হেবজু মিয়ার ছেলে ও নবীর হোসেন কসবার মধুপুর গ্রামের মৃত মকরম আলীর ছেলে ।
বিজিবি জানায়, শুক্রবার (৮মে) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার প্রায় ১৫জন বাংলাদেশি চোরাকারবারি ভারত থেকে অবৈধ পণ্য নিয়ে ফেরার সময় বিএসএফের-৪৯ ব্যাটালিয়নের জওয়ানদের হাতে আটক হয়। এ সময় বিএসএফ সদস্যদের সঙ্গে বাংলাদেশি চোরাকারবারিদের ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে বিএসএফ সদস্যরা তাদের ওপর গুলি ছুঁড়ে। এ সময় মুরসালিন ও নবীর হোসেন গুরুতর আহত হয়। পরে বিএসএফ আহত দুইজনকে উদ্ধার করে ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলার একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।
সুলতানপুর ৬০-ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শরিফ বিএসএফ’র গুলিতে নিহত ২ বাংলাদেশির মৃতদেহ পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত আনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ বিষয়ে কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজনীন সুলতানা বলেন, বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে এবং ভারতীয় পুলিশের উপস্থিতিতে মরদেহ দুটি আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের পরিবারের স্বজনদের কাছে মরদেহ দুটি বুঝিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। শনিবার (৯ মে) বিকালে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে নিহত মুরসালিন ও নবীর হোসেনের মরদেহ ফেরত দেয় বিএসএফ।
মুরসালিন (২০) কসবা উপজেলার সীমান্তবর্তী ধ্বজনগর গ্রামের হেবজু মিয়ার ছেলে ও নবীর হোসেন কসবার মধুপুর গ্রামের মৃত মকরম আলীর ছেলে ।
বিজিবি জানায়, শুক্রবার (৮মে) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার প্রায় ১৫জন বাংলাদেশি চোরাকারবারি ভারত থেকে অবৈধ পণ্য নিয়ে ফেরার সময় বিএসএফের-৪৯ ব্যাটালিয়নের জওয়ানদের হাতে আটক হয়। এ সময় বিএসএফ সদস্যদের সঙ্গে বাংলাদেশি চোরাকারবারিদের ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে বিএসএফ সদস্যরা তাদের ওপর গুলি ছুঁড়ে। এ সময় মুরসালিন ও নবীর হোসেন গুরুতর আহত হয়। পরে বিএসএফ আহত দুইজনকে উদ্ধার করে ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলার একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।
সুলতানপুর ৬০-ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শরিফ বিএসএফ’র গুলিতে নিহত ২ বাংলাদেশির মৃতদেহ পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত আনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ বিষয়ে কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজনীন সুলতানা বলেন, বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে এবং ভারতীয় পুলিশের উপস্থিতিতে মরদেহ দুটি আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের পরিবারের স্বজনদের কাছে মরদেহ দুটি বুঝিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন