শেরপুর     বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
 ‍SherpurTimes24

নালিতাবাড়ীর শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয়ের রাস্তায় কাদা, মাঠে পানি , দুর্ভোগে শিক্ষার্থীরা



নালিতাবাড়ীর শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয়ের রাস্তায় কাদা, মাঠে পানি , দুর্ভোগে শিক্ষার্থীরা
ছবি: প্রতিনিধি

প্রায় আধাকিলোমিটার রাস্তা পাকা না করায় এবং বিদ্যালয়ের মাঠে মাটি ভরাট না করায় দুর্ভোগে রয়েছে চলতি বছর উপজেলায় শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি প্রাপ্ত ভালুকাকুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। সামান্য বৃষ্টি হলেই খানাখন্দে ভরা রাস্তা হয়ে পড়ে চলাচল অযোগ্য।

মাঠের বিভিন্ন স্থানে ছোট ছোট গর্ত থাকায় এবং প্রয়োজনের তুলনায় নিচু হওয়ায় পানি ও কাদায় একাকার হয়ে গেছে। খেলাধুলার অযোগ্য হয়ে পড়েছে মাঠও।শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নিভৃত গ্রাম ভালুকাকুড়া। শিক্ষায় পিছিয়ে পড়া এ গ্রামটিতে শিক্ষার আলো ছড়াতে ২০০৭ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান বদিউজ্জামান বাদশা। ২০১০ সালে পাঠদানে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বিদ্যালয়টি ২০১৩ সালে জাতীয়করণ করে সরকার। এরপর ২০১৯ সালে একতলা একটি ভবন নির্মাণ করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। বর্তমানে ১৪৩ জন শিক্ষার্থী ও ৪ জন শিক্ষক নিয়ে ফলাফলেও পিছিয়ে নেই বিদ্যালয়টি।

এ বছর উপজেলা পর্যায়ে প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬-এ উপজেলার শ্রেষ্ঠ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্বীকৃতিও পায় প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, কাঁচা রাস্তা ও নিচু মাঠ। নালিতাবাড়ী-হালুয়াঘাট পাকা সড়ক থেকে প্রায় ৬০০ মিটার দূরে থাকা বিদ্যালয়ে যাওয়ার কাঁচা রাস্তাটি সামান্য বৃষ্টিতেই চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়ে। প্রয়োজনের তুলনায় নিচু হওয়ায় মাঠজুড়েও খানাখন্দ আর কাদায় সয়লাব হয়।

৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী সাদিয়া জানায়, ‘বর্ষাকালে বিদ্যালয়ে আসার সময় রাস্তায় কাদা থাকে। এ কারণে প্রায়ই পা পিছলে পড়ে যাই। কখনো কখনো কাপড় নষ্ট হয়, কখনো বই-খাতা নষ্ট হয়।’

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিনারুজ্জামান মিন্টু বলেন, ‘আমরা ফল ভালো করছি। এ বছর উপজেলায় শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হয়েছি। অথচ দীর্ঘদিনেও রাস্তা পাকা করা হয়নি। মাঠও বর্ষায় খেলাধুলার উপযুক্ত থাকে না।’


জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সায়েদুল ইসলাম জানান, এখনো পর্যন্ত মাঠ ভরাটের জন্য কোনো বরাদ্দ আমাদের দেওয়া হয় না। তবে আগামী দিনে সুযোগ এলে অবশ্যই বিষয়টি দেখব। রাস্তা পাকাকরণের বিষয়ে তাদের এখতিয়ারে নেই বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

এলজিইডি শেরপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী মুস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, বিদ্যালয় ভবনটি এলজিইডি বাস্তবায়ন করেছে। রাস্তাটিও কিছুদিন আগে আইডিভুক্ত করা হয়েছে। ইতিধ্যেই প্রাথমিক অনুমোদন করা হয়েছে। গেজেটভুক্ত হওয়ার পর পাকা করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

 ‍SherpurTimes24

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


নালিতাবাড়ীর শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয়ের রাস্তায় কাদা, মাঠে পানি , দুর্ভোগে শিক্ষার্থীরা

প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬

featured Image

প্রায় আধাকিলোমিটার রাস্তা পাকা না করায় এবং বিদ্যালয়ের মাঠে মাটি ভরাট না করায় দুর্ভোগে রয়েছে চলতি বছর উপজেলায় শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি প্রাপ্ত ভালুকাকুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। সামান্য বৃষ্টি হলেই খানাখন্দে ভরা রাস্তা হয়ে পড়ে চলাচল অযোগ্য।

মাঠের বিভিন্ন স্থানে ছোট ছোট গর্ত থাকায় এবং প্রয়োজনের তুলনায় নিচু হওয়ায় পানি ও কাদায় একাকার হয়ে গেছে। খেলাধুলার অযোগ্য হয়ে পড়েছে মাঠও।শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নিভৃত গ্রাম ভালুকাকুড়া। শিক্ষায় পিছিয়ে পড়া এ গ্রামটিতে শিক্ষার আলো ছড়াতে ২০০৭ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান বদিউজ্জামান বাদশা। ২০১০ সালে পাঠদানে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বিদ্যালয়টি ২০১৩ সালে জাতীয়করণ করে সরকার। এরপর ২০১৯ সালে একতলা একটি ভবন নির্মাণ করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। বর্তমানে ১৪৩ জন শিক্ষার্থী ও ৪ জন শিক্ষক নিয়ে ফলাফলেও পিছিয়ে নেই বিদ্যালয়টি।

এ বছর উপজেলা পর্যায়ে প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬-এ উপজেলার শ্রেষ্ঠ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্বীকৃতিও পায় প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, কাঁচা রাস্তা ও নিচু মাঠ। নালিতাবাড়ী-হালুয়াঘাট পাকা সড়ক থেকে প্রায় ৬০০ মিটার দূরে থাকা বিদ্যালয়ে যাওয়ার কাঁচা রাস্তাটি সামান্য বৃষ্টিতেই চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়ে। প্রয়োজনের তুলনায় নিচু হওয়ায় মাঠজুড়েও খানাখন্দ আর কাদায় সয়লাব হয়।

৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী সাদিয়া জানায়, ‘বর্ষাকালে বিদ্যালয়ে আসার সময় রাস্তায় কাদা থাকে। এ কারণে প্রায়ই পা পিছলে পড়ে যাই। কখনো কখনো কাপড় নষ্ট হয়, কখনো বই-খাতা নষ্ট হয়।’

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিনারুজ্জামান মিন্টু বলেন, ‘আমরা ফল ভালো করছি। এ বছর উপজেলায় শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হয়েছি। অথচ দীর্ঘদিনেও রাস্তা পাকা করা হয়নি। মাঠও বর্ষায় খেলাধুলার উপযুক্ত থাকে না।’


জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সায়েদুল ইসলাম জানান, এখনো পর্যন্ত মাঠ ভরাটের জন্য কোনো বরাদ্দ আমাদের দেওয়া হয় না। তবে আগামী দিনে সুযোগ এলে অবশ্যই বিষয়টি দেখব। রাস্তা পাকাকরণের বিষয়ে তাদের এখতিয়ারে নেই বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

এলজিইডি শেরপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী মুস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, বিদ্যালয় ভবনটি এলজিইডি বাস্তবায়ন করেছে। রাস্তাটিও কিছুদিন আগে আইডিভুক্ত করা হয়েছে। ইতিধ্যেই প্রাথমিক অনুমোদন করা হয়েছে। গেজেটভুক্ত হওয়ার পর পাকা করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।


 ‍SherpurTimes24


কপিরাইট © ২০২৬ ‍SherpurTimes24 । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত