বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক কেবল সরকারকেন্দ্রিক নয়, এটি উভয় দেশের জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক। প্রতিবেশীর স্বার্থ রক্ষা ও পারস্পরিক আস্থা বজায় রাখা দুই দেশেরই দায়িত্ব।
আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে তার কার্যালয়ে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন দীনেশ ত্রিবেদী। এসময় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তিনি বিএনপির নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানান।
সাক্ষাৎকালে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক এবং মুক্ত বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়। এছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও কথা হয়।
ভারতীয় হাইকমিশনার ড. আবদুল মঈন খানের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ড. মঈন খানের অভিজ্ঞতা থেকে তরুণ রাজনৈতিক নেতৃত্বের অনেক কিছু শেখার আছে।
এক প্রশ্নের জবাবে ভারতীয় হাইকমিশনার জানান, অভ্যন্তরীণ রাজনীতি পেছনে ফেলে দুই দেশের জনগণের কল্যাণ ও উন্নয়নের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করে যাওয়াই এখন সবচেয়ে বড় কাজ।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে চান না জানিয়ে তিনি বলেন, অতীতে আটকে থাকলে উন্নয়ন হবে না। আমরা চাই জনগণের সাথে জনগণের সম্পর্ক উন্নয়ন হবে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক কেবল সরকারকেন্দ্রিক নয়, এটি উভয় দেশের জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক। প্রতিবেশীর স্বার্থ রক্ষা ও পারস্পরিক আস্থা বজায় রাখা দুই দেশেরই দায়িত্ব।
আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে তার কার্যালয়ে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন দীনেশ ত্রিবেদী। এসময় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তিনি বিএনপির নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানান।
সাক্ষাৎকালে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক এবং মুক্ত বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়। এছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও কথা হয়।
ভারতীয় হাইকমিশনার ড. আবদুল মঈন খানের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ড. মঈন খানের অভিজ্ঞতা থেকে তরুণ রাজনৈতিক নেতৃত্বের অনেক কিছু শেখার আছে।
এক প্রশ্নের জবাবে ভারতীয় হাইকমিশনার জানান, অভ্যন্তরীণ রাজনীতি পেছনে ফেলে দুই দেশের জনগণের কল্যাণ ও উন্নয়নের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করে যাওয়াই এখন সবচেয়ে বড় কাজ।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে চান না জানিয়ে তিনি বলেন, অতীতে আটকে থাকলে উন্নয়ন হবে না। আমরা চাই জনগণের সাথে জনগণের সম্পর্ক উন্নয়ন হবে।

আপনার মতামত লিখুন