শেরপুর সদর উপজেলার চরশেরপুর ইউনিয়নের যোগিনীমুড়া-ইউনিয়ন পরিষদ সড়কে বড় গর্ত দেখা দিয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েক হাজার পথচারী।
৫ জুন শুক্রবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফসিহ উল উলুম দাখিল মাদ্রাসার পাশে সড়কে বড় গর্ত হয়েছে। প্রতিবেদকের উপস্থিতিতে সেখানে কলাগাছ দিয়ে চিহ্নিত করা হয়, যাতে গর্তে ইজিবাইক, বাইক বা মোটরসাইকেল না পড়ে যায়। সড়কের অই স্থানে নীচ দিয়ে আশেপাশের কয়েক একর কলা ক্ষেতের পানি যাওয়ার ড্রেন থাকায় বৃষ্টিতে এমন অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।
স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য নাঈম আহমেদ মনি বলেন, এই সড়কে হেরুয়া, বালুরঘাট, তালুকপাড়া, কাজির চর, খড়িয়া কাজির চর, নামাপাড়া, নাগপাড়া, কান্দাপাড়া, যোগিনীবাগ, বামনের চরসহ বিভিন্ন গ্রামের লোকজন নিয়মিত যাতায়াত করেন। কিন্তু হঠাৎ বৃষ্টিতে সড়কের এই বেহাল দশা, ভাঙা স্থানে কলাগাছ দিয়ে চিহ্নিত করা হলেও নীচ দিয়ে যেহেতু কয়েক একর কলাবাগানের পানি চলাচল করে তাই কালভার্টের ব্যবস্থা করতে হবে। না হলে ফের ভেঙে যাবে সড়কটি। এমনিতেই ভোগান্তিতে পড়েছে পথচারীরা।
এদিকে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক রাশেদ নাজীব, উজ্জ্বল মিয়া, সোহান মিয়া, সোহেল রানা, শাহজাহান তালুকদার, সুলতান আহমেদ বলেন, আমরা ভাঙা স্থানটি ভরাট করলেও কালভার্টের ব্যবস্থা করতে পারবো না তাই ভরাট করতে পারছি না। বিষয়টি পরিষদে অনেকেই জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সেলিম মিয়াকে ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
শেরপুর সদর উপজেলার চরশেরপুর ইউনিয়নের যোগিনীমুড়া-ইউনিয়ন পরিষদ সড়কে বড় গর্ত দেখা দিয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েক হাজার পথচারী।
৫ জুন শুক্রবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফসিহ উল উলুম দাখিল মাদ্রাসার পাশে সড়কে বড় গর্ত হয়েছে। প্রতিবেদকের উপস্থিতিতে সেখানে কলাগাছ দিয়ে চিহ্নিত করা হয়, যাতে গর্তে ইজিবাইক, বাইক বা মোটরসাইকেল না পড়ে যায়। সড়কের অই স্থানে নীচ দিয়ে আশেপাশের কয়েক একর কলা ক্ষেতের পানি যাওয়ার ড্রেন থাকায় বৃষ্টিতে এমন অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।
স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য নাঈম আহমেদ মনি বলেন, এই সড়কে হেরুয়া, বালুরঘাট, তালুকপাড়া, কাজির চর, খড়িয়া কাজির চর, নামাপাড়া, নাগপাড়া, কান্দাপাড়া, যোগিনীবাগ, বামনের চরসহ বিভিন্ন গ্রামের লোকজন নিয়মিত যাতায়াত করেন। কিন্তু হঠাৎ বৃষ্টিতে সড়কের এই বেহাল দশা, ভাঙা স্থানে কলাগাছ দিয়ে চিহ্নিত করা হলেও নীচ দিয়ে যেহেতু কয়েক একর কলাবাগানের পানি চলাচল করে তাই কালভার্টের ব্যবস্থা করতে হবে। না হলে ফের ভেঙে যাবে সড়কটি। এমনিতেই ভোগান্তিতে পড়েছে পথচারীরা।
এদিকে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক রাশেদ নাজীব, উজ্জ্বল মিয়া, সোহান মিয়া, সোহেল রানা, শাহজাহান তালুকদার, সুলতান আহমেদ বলেন, আমরা ভাঙা স্থানটি ভরাট করলেও কালভার্টের ব্যবস্থা করতে পারবো না তাই ভরাট করতে পারছি না। বিষয়টি পরিষদে অনেকেই জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সেলিম মিয়াকে ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

আপনার মতামত লিখুন