দ্বিপক্ষীয় আলোচনা ও কূটনৈতিক সমন্বয় জোরদারের লক্ষ্যে রাশিয়ার মস্কোর উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। রোববার (৭ জুন) সকালে তিন দিনের সরকারি সফরে তিনি রওনা হন। মন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম ভূইয়া গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, সফর শেষে আগামী ৯ জুন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
জানা গেছে, সফরকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন। ওই বৈঠকে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক, জ্বালানি সহযোগিতা, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং অবকাঠামো খাতে চলমান প্রকল্পগুলো নিয়ে আলোচনা হবে।
বিশেষ করে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে কেন্দ্র করে সহযোগিতার অগ্রগতি এবং সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিগত ও আর্থিক দিকগুলো গুরুত্ব পাবে। একই সঙ্গে ইউক্রেন যুদ্ধ-পরবর্তী নিষেধাজ্ঞাজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার বিষয়ও আলোচনায় আসতে পারে।
সফরের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো জাতিসংঘ ও বহুপক্ষীয় কূটনীতি। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি), জাতিসংঘের সংস্কার এবং বৈশ্বিক দক্ষিণের স্বার্থ রক্ষার মতো বিষয়গুলোতে দুই দেশের অবস্থান ও সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
সম্প্রতি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় খলিলুর রহমানের নতুন দায়িত্ব এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার ভূমিকা নিয়েও মতবিনিময়ের সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রায় সাত বছর বাংলাদেশের কোনো পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এটি মস্কো সফর। এর আগে ২০১৯ সালে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন দ্বিপক্ষীয় সফরে রাশিয়া গিয়েছিলেন। পরবর্তীতে ২০২৩ সালে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ ঢাকা সফর করেন।

রোববার, ০৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
দ্বিপক্ষীয় আলোচনা ও কূটনৈতিক সমন্বয় জোরদারের লক্ষ্যে রাশিয়ার মস্কোর উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। রোববার (৭ জুন) সকালে তিন দিনের সরকারি সফরে তিনি রওনা হন। মন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম ভূইয়া গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, সফর শেষে আগামী ৯ জুন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
জানা গেছে, সফরকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন। ওই বৈঠকে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক, জ্বালানি সহযোগিতা, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং অবকাঠামো খাতে চলমান প্রকল্পগুলো নিয়ে আলোচনা হবে।
বিশেষ করে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে কেন্দ্র করে সহযোগিতার অগ্রগতি এবং সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিগত ও আর্থিক দিকগুলো গুরুত্ব পাবে। একই সঙ্গে ইউক্রেন যুদ্ধ-পরবর্তী নিষেধাজ্ঞাজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার বিষয়ও আলোচনায় আসতে পারে।
সফরের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো জাতিসংঘ ও বহুপক্ষীয় কূটনীতি। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি), জাতিসংঘের সংস্কার এবং বৈশ্বিক দক্ষিণের স্বার্থ রক্ষার মতো বিষয়গুলোতে দুই দেশের অবস্থান ও সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
সম্প্রতি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় খলিলুর রহমানের নতুন দায়িত্ব এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার ভূমিকা নিয়েও মতবিনিময়ের সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রায় সাত বছর বাংলাদেশের কোনো পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এটি মস্কো সফর। এর আগে ২০১৯ সালে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন দ্বিপক্ষীয় সফরে রাশিয়া গিয়েছিলেন। পরবর্তীতে ২০২৩ সালে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ ঢাকা সফর করেন।

আপনার মতামত লিখুন