যুক্তরাষ্ট্র ঘোষিত যুদ্ধবিরতির পরও ইসরায়েল লেবাননে প্রায় ৩,৫০০টি বিমান হামলা চালিয়েছে এবং শত শত নিয়ন্ত্রিত ধ্বংসযজ্ঞ পরিচালনা করেছে। লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম এ দাবি করেছেন। এ সূত্র ধরে সোমবার আল-জাজিরা সংবাদ প্রকাশ করে।
মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ১৭ এপ্রিল থেকে ৭ জুন পর্যন্ত ইসরায়েল লেবাননে ৩,৪৯১টি বিমান হামলা, ৪০৭টি নিয়ন্ত্রিত ধ্বংস অভিযান এবং ছয়টি রেজিং অপারেশন চালিয়েছে। এসব অভিযানে দক্ষিণ লেবাননের সীমান্তবর্তী কয়েকটি পুরো গ্রাম মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী সালাম বলেন, লেবানন যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার সাম্প্রতিক বৃদ্ধি নতুন করে বাস্তুচ্যুত মানুষের ঢল সৃষ্টি করেছে, যা দেশটির ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের বিস্তার এবং এর প্রভাব অত্যন্ত উদ্বেগজনক। নতুন করে বাস্তুচ্যুত মানুষের আগমন সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে, কারণ বৈরুত, সাইদনসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আশ্রয় দেওয়ার সক্ষমতা প্রায় পূর্ণ হয়ে গেছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত ২ মার্চ যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলা ও জোরপূর্বক সরিয়ে নেওয়ার হুমকির কারণে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন, যা লেবাননের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ।

সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ঘোষিত যুদ্ধবিরতির পরও ইসরায়েল লেবাননে প্রায় ৩,৫০০টি বিমান হামলা চালিয়েছে এবং শত শত নিয়ন্ত্রিত ধ্বংসযজ্ঞ পরিচালনা করেছে। লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম এ দাবি করেছেন। এ সূত্র ধরে সোমবার আল-জাজিরা সংবাদ প্রকাশ করে।
মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ১৭ এপ্রিল থেকে ৭ জুন পর্যন্ত ইসরায়েল লেবাননে ৩,৪৯১টি বিমান হামলা, ৪০৭টি নিয়ন্ত্রিত ধ্বংস অভিযান এবং ছয়টি রেজিং অপারেশন চালিয়েছে। এসব অভিযানে দক্ষিণ লেবাননের সীমান্তবর্তী কয়েকটি পুরো গ্রাম মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী সালাম বলেন, লেবানন যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার সাম্প্রতিক বৃদ্ধি নতুন করে বাস্তুচ্যুত মানুষের ঢল সৃষ্টি করেছে, যা দেশটির ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের বিস্তার এবং এর প্রভাব অত্যন্ত উদ্বেগজনক। নতুন করে বাস্তুচ্যুত মানুষের আগমন সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে, কারণ বৈরুত, সাইদনসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আশ্রয় দেওয়ার সক্ষমতা প্রায় পূর্ণ হয়ে গেছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত ২ মার্চ যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলা ও জোরপূর্বক সরিয়ে নেওয়ার হুমকির কারণে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন, যা লেবাননের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ।

আপনার মতামত লিখুন