'দুধ উৎপাদন করি, দুধ পান করি, সুস্থ সবল জাতি গড়ি' প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) এনিমেল হাজবেন্ড্রী অনুষদভূক্ত ডেইরি সায়েন্স বিভাগের উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী "বিশ্ব দুগ্ধ দিবস ২০২৬" উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে ১০ জুন (বুধবার) সকালে বাকৃবি চত্বর ও স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহের প্রাঙ্গণে স্কুল শিশুদের বিনামূল্যে দুধ পান করানোর মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়।
শুরুতে এনিমেল হাজবেন্ড্রী অনুষদ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন ভবনে এসে শেষ হয়। সেখানে সম্মেলন কক্ষে "বিশ্ব দূগ্ধ দিবস-২০২৬" এর মূল প্রতিপাদ্য 'সেলিব্রেটিং দ্য কনট্রিবিউশন অব ওমেন ফার্মার্স ইন ডেইরিং' -কে সামনে রেখে একটি বিশেষ সেমিনার ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাইস-চ্যান্সেলর (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. জি.এম. মুজিবুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশুপালন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. রুহুল আমিন, ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো: সাইফুর রহমান, প্রাণ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইলিয়াস মৃধা এবং নেসলে বাংলাদেশ পিএলসির রেগুলেটরি অ্যান্ড সায়েন্টিফিক অ্যাফেয়ার্স প্রধান রেবেকা শারমিন। ডেয়রি সায়েন্স বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মো: মোহাম্মদ আশিকুল ইসলাম-এর সভাপতিত্বে বিশেষ নিবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রফেসর ড. এ.কে. এম. মাসুম।
বক্তারা টেকসই ডেইরি খামার গঠনে এবং জাতীয় পুষ্টির চাহিদা পূরণে নারী খামারিদের অগ্রণী ভূমিকা ও অবদানের কথা গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর (ভারপ্রাপ্ত) বলেন, আমরা একটি আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠান পালন করছি যেখানে আমাদের যে সকল নারী খামারি আছেন তাদেরকে সেলিব্রেট করাটাই এবছরের মূল প্রতিপাদ্য। ২০০১ সাল থেকে বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এই দিবসটি পালন করা শুরু করেছে । নারী খামারিদের সম্মানিত করার বিষয়টি উপলব্ধি করতে আমাদের অনেক দেরি অথচ আমাদের অর্ধেক জনসংখ্যাই মহিলা, তাদের অবদান ছাড়া দেশ-জাতি কোনভাবেই আগানো সম্ভব নয়। আমরা সেই খামারিদের সম্মানিত করতে পেরেছি, এটি ডেইরি সায়েন্স বিভাগসহ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গর্ব। তিনি ডেইরি সেক্টরের নানান দিক তুলে ধরে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ব ব্যবস্থাপনায় বাস্তবতার নিরিখে আমাদের ডেইরি শিল্পকে এগিয়ে নিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ প্রদান করেন।
এছাড়াও বিকেলে শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গঠনে দিকনির্দেশনামূলক একটি বিশেষ ‘ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং’ সেশন অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা'র নির্দেশনা মোতাবেক প্রতি বছর ১ জুন সদস্য রাষ্ট্রগুলো এই দিবসটি উদযাপন করে। এবছর বিশ্ববিদ্যালয়ে ১জুন ছুটি থাকার কারণে ১০ জুন এটি উদযাপন করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, এনিমেল হাজবেন্ড্রী অনুষদের শিক্ষকবৃন্দ, গবেষকবৃন্দ ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ এবং ডেইরি শিল্পের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
'দুধ উৎপাদন করি, দুধ পান করি, সুস্থ সবল জাতি গড়ি' প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) এনিমেল হাজবেন্ড্রী অনুষদভূক্ত ডেইরি সায়েন্স বিভাগের উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী "বিশ্ব দুগ্ধ দিবস ২০২৬" উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে ১০ জুন (বুধবার) সকালে বাকৃবি চত্বর ও স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহের প্রাঙ্গণে স্কুল শিশুদের বিনামূল্যে দুধ পান করানোর মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়।
শুরুতে এনিমেল হাজবেন্ড্রী অনুষদ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন ভবনে এসে শেষ হয়। সেখানে সম্মেলন কক্ষে "বিশ্ব দূগ্ধ দিবস-২০২৬" এর মূল প্রতিপাদ্য 'সেলিব্রেটিং দ্য কনট্রিবিউশন অব ওমেন ফার্মার্স ইন ডেইরিং' -কে সামনে রেখে একটি বিশেষ সেমিনার ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাইস-চ্যান্সেলর (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. জি.এম. মুজিবুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশুপালন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. রুহুল আমিন, ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো: সাইফুর রহমান, প্রাণ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইলিয়াস মৃধা এবং নেসলে বাংলাদেশ পিএলসির রেগুলেটরি অ্যান্ড সায়েন্টিফিক অ্যাফেয়ার্স প্রধান রেবেকা শারমিন। ডেয়রি সায়েন্স বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মো: মোহাম্মদ আশিকুল ইসলাম-এর সভাপতিত্বে বিশেষ নিবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রফেসর ড. এ.কে. এম. মাসুম।
বক্তারা টেকসই ডেইরি খামার গঠনে এবং জাতীয় পুষ্টির চাহিদা পূরণে নারী খামারিদের অগ্রণী ভূমিকা ও অবদানের কথা গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর (ভারপ্রাপ্ত) বলেন, আমরা একটি আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠান পালন করছি যেখানে আমাদের যে সকল নারী খামারি আছেন তাদেরকে সেলিব্রেট করাটাই এবছরের মূল প্রতিপাদ্য। ২০০১ সাল থেকে বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এই দিবসটি পালন করা শুরু করেছে । নারী খামারিদের সম্মানিত করার বিষয়টি উপলব্ধি করতে আমাদের অনেক দেরি অথচ আমাদের অর্ধেক জনসংখ্যাই মহিলা, তাদের অবদান ছাড়া দেশ-জাতি কোনভাবেই আগানো সম্ভব নয়। আমরা সেই খামারিদের সম্মানিত করতে পেরেছি, এটি ডেইরি সায়েন্স বিভাগসহ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গর্ব। তিনি ডেইরি সেক্টরের নানান দিক তুলে ধরে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ব ব্যবস্থাপনায় বাস্তবতার নিরিখে আমাদের ডেইরি শিল্পকে এগিয়ে নিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ প্রদান করেন।
এছাড়াও বিকেলে শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গঠনে দিকনির্দেশনামূলক একটি বিশেষ ‘ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং’ সেশন অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা'র নির্দেশনা মোতাবেক প্রতি বছর ১ জুন সদস্য রাষ্ট্রগুলো এই দিবসটি উদযাপন করে। এবছর বিশ্ববিদ্যালয়ে ১জুন ছুটি থাকার কারণে ১০ জুন এটি উদযাপন করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, এনিমেল হাজবেন্ড্রী অনুষদের শিক্ষকবৃন্দ, গবেষকবৃন্দ ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ এবং ডেইরি শিল্পের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

আপনার মতামত লিখুন