বাল্যবিবাহের ঝুঁকিতে থাকা থাকা নালিতাবাড়ী উপজেলার আড়াইআনী এলাকার মাতৃহীনা কিশোরী শিখা রবি দাসের বাল্যবিবাহ বন্ধ করে তার পাশে দাঁড়িয়েছে শেরপুর জেলা প্রশাসন। গত ৯ জুন শিখা রবিদাসের শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখতে জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন তার শিক্ষাব্যয় বাবদ নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। একই সঙ্গে তার নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে শেরপুর জেলা প্রশাসন ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে একটি ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।
জেলা প্রশাসক এ সময় বলেন, প্রতিটি শিশুর শিক্ষা গ্রহণ, নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে ওঠা এবং নিজের স্বপ্ন বাস্তবায়নের সুযোগ নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব। বাল্যবিবাহ কোনো শিশুর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে না, শিক্ষা ও সচেতনতাই পারে তাদের সম্ভাবনাকে বিকশিত করতে।
বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, শিক্ষার প্রসার এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে জনবান্ধব ও মানবিক প্রশাসন গড়ে তুলতে শেরপুর জেলা প্রশাসনের এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
বাল্যবিবাহের ঝুঁকিতে থাকা থাকা নালিতাবাড়ী উপজেলার আড়াইআনী এলাকার মাতৃহীনা কিশোরী শিখা রবি দাসের বাল্যবিবাহ বন্ধ করে তার পাশে দাঁড়িয়েছে শেরপুর জেলা প্রশাসন। গত ৯ জুন শিখা রবিদাসের শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখতে জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন তার শিক্ষাব্যয় বাবদ নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। একই সঙ্গে তার নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে শেরপুর জেলা প্রশাসন ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে একটি ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।
জেলা প্রশাসক এ সময় বলেন, প্রতিটি শিশুর শিক্ষা গ্রহণ, নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে ওঠা এবং নিজের স্বপ্ন বাস্তবায়নের সুযোগ নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব। বাল্যবিবাহ কোনো শিশুর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে না, শিক্ষা ও সচেতনতাই পারে তাদের সম্ভাবনাকে বিকশিত করতে।
বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, শিক্ষার প্রসার এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে জনবান্ধব ও মানবিক প্রশাসন গড়ে তুলতে শেরপুর জেলা প্রশাসনের এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন