মৃত্যুজনিত কারণে স্থগিত শেরপুর-৩ আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার। ৮ এপ্রিল বুধবার সকাল থেকে এ দুই উপজেলা থেকে নির্বাচনী সরঞ্জাম কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্য অনুযায়ী, শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী এ দুই উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১২ হাজার ২৪ জন। এর মধ্যে শ্রীবরদী উপজেলায় ভোটার ২ লাখ ৫২ হাজার ৬০৪ জন এবং ঝিনাইগাতী উপজেলায় ১ লাখ ৫৯ হাজার ৪২০ জন। দুই উপজেলা মিলিয়ে নারী ভোটারের সংখ্যা প্রায় ২ লাখ ৭ হাজার ৯০৫ জন।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, নির্বাচনকে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ১৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া র্যাবের ১০টি টিম মাঠে কাজ করবে এবং ৪টি টিম রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে প্রস্তুত থাকবে। পুলিশের ২৬টি মোবাইল টিম সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে।
নির্বাচনী মাঠে শৃঙ্খলা রক্ষায় ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ১৮ জন পর্যবেক্ষক থাকবেন। দুই উপজেলায় দায়িত্ব পালন করবেন দুইজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ইলেকশন ইনকোয়ারি কমিটির তিনজন যুগ্ম জেলা জজ। এছাড়াও সেনাবাহিনীর কয়েকটি টিম মাঠে নিয়োজিত থাকবে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদারে ৫ থেকে ৬ জন পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি ১২ জন করে আনসার ও ভিডিপি সদস্য মোতায়েন থাকবে।
প্রসঙ্গত, ৩ ফেব্রুয়ারি এই আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যু হলে নির্বাচন কমিশন প্রথমে ভোট স্থগিত এবং পরে নির্বাচন বাতিল ঘোষণা করে। পরবর্তীতে নতুন করে তফসিল ঘোষণা করে আগামীকাল ৯ এপ্রিল ভোট গ্রহণের দিন নির্ধারণ করা হয়। এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. মাসুদুর রহমান, বিএনপির মো. মাহমুদুল হক রুবেল এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) মো. মিজানুর রহমান।

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
মৃত্যুজনিত কারণে স্থগিত শেরপুর-৩ আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার। ৮ এপ্রিল বুধবার সকাল থেকে এ দুই উপজেলা থেকে নির্বাচনী সরঞ্জাম কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্য অনুযায়ী, শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী এ দুই উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১২ হাজার ২৪ জন। এর মধ্যে শ্রীবরদী উপজেলায় ভোটার ২ লাখ ৫২ হাজার ৬০৪ জন এবং ঝিনাইগাতী উপজেলায় ১ লাখ ৫৯ হাজার ৪২০ জন। দুই উপজেলা মিলিয়ে নারী ভোটারের সংখ্যা প্রায় ২ লাখ ৭ হাজার ৯০৫ জন।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, নির্বাচনকে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ১৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া র্যাবের ১০টি টিম মাঠে কাজ করবে এবং ৪টি টিম রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে প্রস্তুত থাকবে। পুলিশের ২৬টি মোবাইল টিম সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে।
নির্বাচনী মাঠে শৃঙ্খলা রক্ষায় ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ১৮ জন পর্যবেক্ষক থাকবেন। দুই উপজেলায় দায়িত্ব পালন করবেন দুইজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ইলেকশন ইনকোয়ারি কমিটির তিনজন যুগ্ম জেলা জজ। এছাড়াও সেনাবাহিনীর কয়েকটি টিম মাঠে নিয়োজিত থাকবে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদারে ৫ থেকে ৬ জন পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি ১২ জন করে আনসার ও ভিডিপি সদস্য মোতায়েন থাকবে।
প্রসঙ্গত, ৩ ফেব্রুয়ারি এই আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যু হলে নির্বাচন কমিশন প্রথমে ভোট স্থগিত এবং পরে নির্বাচন বাতিল ঘোষণা করে। পরবর্তীতে নতুন করে তফসিল ঘোষণা করে আগামীকাল ৯ এপ্রিল ভোট গ্রহণের দিন নির্ধারণ করা হয়। এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. মাসুদুর রহমান, বিএনপির মো. মাহমুদুল হক রুবেল এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) মো. মিজানুর রহমান।

আপনার মতামত লিখুন