সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ সংযুক্ত আরব আমিরাতে গ্রেফতারের পর ফের আলোচনায় এসেছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল পুলিশ অর্গানাইজেশন (ইন্টারপোল)। সংস্থাটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ওয়ান্টেড তালিকায় বর্তমানে ৬০ জন বাংলাদেশি রয়েছেন। এছাড়া বিশ্বজুড়ে তালিকায় রয়েছে ৬,৪৪৪ জন ওয়ান্টেড অপরাধীর নাম।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইন্টারপোলে রেড নোটিশভুক্ত আসামির সংখ্যা আরও বেশি। সব রেড নোটিশভুক্ত আসামির নাম ওয়ান্টেড তালিকায় প্রকাশ করে না সংস্থাটি। তবে জারি করা রেড নোটিশ সংস্থার সদস্যভুক্ত প্রায় সব দেশের নিরাপত্তা সংস্থার নেটওয়ার্কে থাকে।
ইন্টারপোলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ঘেঁটে দেখা গেছে, সাবেক আইজিপি বেনজীরের নামে রেড নোটিশ জারি হলেও তা ওয়েবসাইটের ওয়ান্টেড তালিকায় প্রকাশ করা হয়নি।
সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের নামে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির পর আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোল আবারও আলোচনায় এসেছে। সংস্থাটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ইন্টারপোলের ওয়ান্টেড তালিকায় ৬০ জন বাংলাদেশির নাম রয়েছে। বিশ্বজুড়ে এই তালিকায় রয়েছে ৬ হাজার ৪৪৪ জন পলাতক আসামি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ইন্টারপোলের রেড নোটিশভুক্ত ব্যক্তির সংখ্যা ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ওয়ান্টেড তালিকার চেয়ে বেশি। নিরাপত্তাজনিত কারণে সব রেড নোটিশধারীর পরিচয় প্রকাশ করে না সংস্থাটি। তবে এসব নোটিশ সদস্যভুক্ত দেশগুলোর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নেটওয়ার্কে সংরক্ষিত থাকে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি হলেও তাঁর নাম ইন্টারপোলের প্রকাশ্য ওয়ান্টেড তালিকায় নেই। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অনেক ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তির অবস্থান গোপন রাখা বা তাকে পালানোর সুযোগ না দেওয়ার কৌশল হিসেবে নাম প্রকাশ করা হয় না।
সূত্র বলছে, আসামি যাতে গা-ঢাকা না দিতে পারে এজন্য সবার নাম প্রকাশ করা হয় না। বাংলাদেশের যে ৬০ জনের নাম প্রকাশ করা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে দেশে-বিদেশে অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের কর্তৃপক্ষ খুঁজছে। ওইসব দেশের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, মালদ্বীপ, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও বেলজিয়াম প্রমুখ। বিদেশি রাষ্ট্র যেসব বাংলাদেশির সন্ধান চেয়েছে তাদের মধ্যে চাঁদপুর সদরের রাজু ঢালীকে হত্যা মামলায় খুঁজছে সিঙ্গাপুর। হত্যা মামলায় ঢাকার মো. মিলনকে ও হত্যা চেষ্টার মামলায় লিটন ব্যাপারীকে খুঁজছে দক্ষিণ আফ্রিকার দেশ ইসওয়াতানি। খুনের অভিযোগে নোয়াখালীর মিজান মিয়াকে খুঁজছে দক্ষিণ আফ্রিকা। মুদ্রা জালিয়াতির অভিযোগে খুলনার আজিজুর রহমান, অজয় বিশ্বাস ও তরিকুল ইসলাম, নোয়াখালীর সবুজ, গোপালগঞ্জের আব্দুল আলীম শরীফ, নারায়ণগঞ্জের মনির ভূঁইয়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শফিকুল ইসলাম এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের মামলার আসামি আলহাজ মো. শফীকুল ইসলমাকে খুঁজছে ভারত। ইউরোপের দেশ বেলজিয়াম খুনের অভিযোগে লক্ষ্মীপুরের খোরশেদ আলমকে খুঁজছে। চোরাচালানির অভিযোগে নাটোরের সিরাজ মোস্তফাকে এবং খুনের অভিযোগে ফেনীর আলা উদ্দিনকে খুঁজছে মালয়েশিয়া। অর্থ তছরুপের অভিযোগে হানিফকে খুঁজছে দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপ রাষ্ট্র মালদ্বীপ। যৌন নির্যাতনসহ বিভিন্ন অভিযোগে জাহিদুল ইসলাম ও অস্ত্র মামলায় ফজলুল আমীন জাভেদকে খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র।
বাংলাদেশ যাদের খুঁজছে তাদের মধ্যে তালিকায় থাকা অপরাধীরা হলেন হত্যা মামলার আসামি বাগেরহাটের রবিউল ইসলাম, টাঙ্গাইলের মোহাম্মদ তাজউদ্দীন ও বাবু আহমেদ রাতুল, চট্টগ্রামের ইউসুফ ও সাজ্জাদ হোসেন খান, ফরিদপুরের নাইম খান ইকরাম, বগুড়ার কালা জাহাঙ্গীর ফেরদৌস, গাজীপুরের নুরুল দীপু ও আহাম্মেদ মজনু, কুমিল্লার খন্দকার আব্দুর রশীদ ও রাশেদ চৌধুরী, ঢাকার নুর চৌধুরী, নবী হোসাইন, জিসান আহমেদ, তৌফিক আলম, প্রকাশ কুমার, জাফর আহমেদ, সালাউদ্দিন মিন্টু, নাজমুল আনসার, শরীফুল হক ডালিম, খুলনার শরীফুল হোসাইন, চট্টগ্রামের আমিনুর রসুল, নেত্রকোনার আব্দুল জাব্বার, বরিশালের গোলাম ফারুক অভি, মুন্সীগঞ্জের রফিকুল ইসলাম, খুলনার হারুন শেখ, নরসিংদীর মোসলেম উদ্দিন খান এবং গাইবান্ধার চন্দন কুমার রায়।
মানব পাচারকারী চক্রের খপ্পরে পরে চাকরির প্রলোভনে প্রতারণা করা, আটকে রাখা এবং মুক্তিপণ দাবিতে হত্যা করার অভিযোগে বাংলাদেশ খুঁজছে কিশোরগঞ্জের জাফর ইকবাল, স্বপন, মিন্টু মিয়া ও তানজীরুল ও মাদারীপুরের মোল্লা নজরুল ইসলামকে। পর্নোগ্রাফির অভিযোগে টাঙ্গাইলের ওয়াসিম, অস্ত্র মামলায় গিয়াস উদ্দিন, নির্যাতনের মামলায় চট্টগ্রামের অশোক কুমার দাশ, জালিয়াতির অভিযোগে জামালপুরের আমানুল্লাহ শফিক ও আতাউর রহমানকে খুঁজছে বাংলাদেশ সরকার।
এছাড়া হত্যা মামলায় অভিযুক্ত জাহিদ হোসেন খোকন, সৈয়দ মো. হাছান আলী, আবুল কালাম আজাদ ও সৈয়দ মো. হোসেনকেও খুঁজছে বাংলাদেশ সরকার।
ইন্টারপোলের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে হত্যা, মানবপাচার, জালিয়াতি, অস্ত্র, মুদ্রা জালিয়াতি, চোরাচালান, যৌন নির্যাতনসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, মালদ্বীপ, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, বেলজিয়ামসহ বিভিন্ন দেশ।

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ সংযুক্ত আরব আমিরাতে গ্রেফতারের পর ফের আলোচনায় এসেছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল পুলিশ অর্গানাইজেশন (ইন্টারপোল)। সংস্থাটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ওয়ান্টেড তালিকায় বর্তমানে ৬০ জন বাংলাদেশি রয়েছেন। এছাড়া বিশ্বজুড়ে তালিকায় রয়েছে ৬,৪৪৪ জন ওয়ান্টেড অপরাধীর নাম।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইন্টারপোলে রেড নোটিশভুক্ত আসামির সংখ্যা আরও বেশি। সব রেড নোটিশভুক্ত আসামির নাম ওয়ান্টেড তালিকায় প্রকাশ করে না সংস্থাটি। তবে জারি করা রেড নোটিশ সংস্থার সদস্যভুক্ত প্রায় সব দেশের নিরাপত্তা সংস্থার নেটওয়ার্কে থাকে।
ইন্টারপোলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ঘেঁটে দেখা গেছে, সাবেক আইজিপি বেনজীরের নামে রেড নোটিশ জারি হলেও তা ওয়েবসাইটের ওয়ান্টেড তালিকায় প্রকাশ করা হয়নি।
সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের নামে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির পর আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোল আবারও আলোচনায় এসেছে। সংস্থাটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ইন্টারপোলের ওয়ান্টেড তালিকায় ৬০ জন বাংলাদেশির নাম রয়েছে। বিশ্বজুড়ে এই তালিকায় রয়েছে ৬ হাজার ৪৪৪ জন পলাতক আসামি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ইন্টারপোলের রেড নোটিশভুক্ত ব্যক্তির সংখ্যা ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ওয়ান্টেড তালিকার চেয়ে বেশি। নিরাপত্তাজনিত কারণে সব রেড নোটিশধারীর পরিচয় প্রকাশ করে না সংস্থাটি। তবে এসব নোটিশ সদস্যভুক্ত দেশগুলোর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নেটওয়ার্কে সংরক্ষিত থাকে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি হলেও তাঁর নাম ইন্টারপোলের প্রকাশ্য ওয়ান্টেড তালিকায় নেই। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অনেক ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তির অবস্থান গোপন রাখা বা তাকে পালানোর সুযোগ না দেওয়ার কৌশল হিসেবে নাম প্রকাশ করা হয় না।
সূত্র বলছে, আসামি যাতে গা-ঢাকা না দিতে পারে এজন্য সবার নাম প্রকাশ করা হয় না। বাংলাদেশের যে ৬০ জনের নাম প্রকাশ করা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে দেশে-বিদেশে অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের কর্তৃপক্ষ খুঁজছে। ওইসব দেশের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, মালদ্বীপ, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও বেলজিয়াম প্রমুখ। বিদেশি রাষ্ট্র যেসব বাংলাদেশির সন্ধান চেয়েছে তাদের মধ্যে চাঁদপুর সদরের রাজু ঢালীকে হত্যা মামলায় খুঁজছে সিঙ্গাপুর। হত্যা মামলায় ঢাকার মো. মিলনকে ও হত্যা চেষ্টার মামলায় লিটন ব্যাপারীকে খুঁজছে দক্ষিণ আফ্রিকার দেশ ইসওয়াতানি। খুনের অভিযোগে নোয়াখালীর মিজান মিয়াকে খুঁজছে দক্ষিণ আফ্রিকা। মুদ্রা জালিয়াতির অভিযোগে খুলনার আজিজুর রহমান, অজয় বিশ্বাস ও তরিকুল ইসলাম, নোয়াখালীর সবুজ, গোপালগঞ্জের আব্দুল আলীম শরীফ, নারায়ণগঞ্জের মনির ভূঁইয়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শফিকুল ইসলাম এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের মামলার আসামি আলহাজ মো. শফীকুল ইসলমাকে খুঁজছে ভারত। ইউরোপের দেশ বেলজিয়াম খুনের অভিযোগে লক্ষ্মীপুরের খোরশেদ আলমকে খুঁজছে। চোরাচালানির অভিযোগে নাটোরের সিরাজ মোস্তফাকে এবং খুনের অভিযোগে ফেনীর আলা উদ্দিনকে খুঁজছে মালয়েশিয়া। অর্থ তছরুপের অভিযোগে হানিফকে খুঁজছে দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপ রাষ্ট্র মালদ্বীপ। যৌন নির্যাতনসহ বিভিন্ন অভিযোগে জাহিদুল ইসলাম ও অস্ত্র মামলায় ফজলুল আমীন জাভেদকে খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র।
বাংলাদেশ যাদের খুঁজছে তাদের মধ্যে তালিকায় থাকা অপরাধীরা হলেন হত্যা মামলার আসামি বাগেরহাটের রবিউল ইসলাম, টাঙ্গাইলের মোহাম্মদ তাজউদ্দীন ও বাবু আহমেদ রাতুল, চট্টগ্রামের ইউসুফ ও সাজ্জাদ হোসেন খান, ফরিদপুরের নাইম খান ইকরাম, বগুড়ার কালা জাহাঙ্গীর ফেরদৌস, গাজীপুরের নুরুল দীপু ও আহাম্মেদ মজনু, কুমিল্লার খন্দকার আব্দুর রশীদ ও রাশেদ চৌধুরী, ঢাকার নুর চৌধুরী, নবী হোসাইন, জিসান আহমেদ, তৌফিক আলম, প্রকাশ কুমার, জাফর আহমেদ, সালাউদ্দিন মিন্টু, নাজমুল আনসার, শরীফুল হক ডালিম, খুলনার শরীফুল হোসাইন, চট্টগ্রামের আমিনুর রসুল, নেত্রকোনার আব্দুল জাব্বার, বরিশালের গোলাম ফারুক অভি, মুন্সীগঞ্জের রফিকুল ইসলাম, খুলনার হারুন শেখ, নরসিংদীর মোসলেম উদ্দিন খান এবং গাইবান্ধার চন্দন কুমার রায়।
মানব পাচারকারী চক্রের খপ্পরে পরে চাকরির প্রলোভনে প্রতারণা করা, আটকে রাখা এবং মুক্তিপণ দাবিতে হত্যা করার অভিযোগে বাংলাদেশ খুঁজছে কিশোরগঞ্জের জাফর ইকবাল, স্বপন, মিন্টু মিয়া ও তানজীরুল ও মাদারীপুরের মোল্লা নজরুল ইসলামকে। পর্নোগ্রাফির অভিযোগে টাঙ্গাইলের ওয়াসিম, অস্ত্র মামলায় গিয়াস উদ্দিন, নির্যাতনের মামলায় চট্টগ্রামের অশোক কুমার দাশ, জালিয়াতির অভিযোগে জামালপুরের আমানুল্লাহ শফিক ও আতাউর রহমানকে খুঁজছে বাংলাদেশ সরকার।
এছাড়া হত্যা মামলায় অভিযুক্ত জাহিদ হোসেন খোকন, সৈয়দ মো. হাছান আলী, আবুল কালাম আজাদ ও সৈয়দ মো. হোসেনকেও খুঁজছে বাংলাদেশ সরকার।
ইন্টারপোলের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে হত্যা, মানবপাচার, জালিয়াতি, অস্ত্র, মুদ্রা জালিয়াতি, চোরাচালান, যৌন নির্যাতনসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, মালদ্বীপ, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, বেলজিয়ামসহ বিভিন্ন দেশ।

আপনার মতামত লিখুন