দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদ শূন্য হওয়ার ১১০ দিন পর নতুন কমিশন গঠনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। এ লক্ষ্যে পাঁচ সদস্যের একটি সার্চ (বাছাই) কমিটি গঠন করে সোমবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হক-কে কমিটির সভাপতি করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি রাজিক আল জলিল, বাংলাদেশের মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি), বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইন অনুযায়ী চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের জন্য সুপারিশ দিতে এ বাছাই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দুদকের কমিশনারের প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে সার্চ কমিটি দুইজন করে প্রার্থীর নামের তালিকা প্রস্তুত করবে। পরে সেই তালিকা নিয়োগের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হবে। কমিটির কার্যক্রম পরিচালনায় প্রয়োজনীয় সচিবালয় সহায়তা দেবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
গত ৩ মার্চ দুদকের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুল মোমেন-এর নেতৃত্বাধীন কমিশন পদত্যাগ করার পর ৪ মার্চ থেকে সংস্থাটির চেয়ারম্যানের পদ শূন্য রয়েছে। একই সময়ে দুই কমিশনারের পদও খালি হয়ে যায়।
এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে চেয়ারম্যান ছাড়াই দুই কমিশনারকে নিয়ে সংস্থাটির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছিল। নতুন চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগ নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা থাকলেও এতদিন সার্চ কমিটি গঠন করা হয়নি।
উল্লেখ্য, দুদক আইন অনুযায়ী চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের আগে একটি বাছাই কমিটি গঠন বাধ্যতামূলক। ওই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
সোমবারের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দুদকের নতুন চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংস্থাটির কার্যক্রমে গতি ফিরবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা।

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদ শূন্য হওয়ার ১১০ দিন পর নতুন কমিশন গঠনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। এ লক্ষ্যে পাঁচ সদস্যের একটি সার্চ (বাছাই) কমিটি গঠন করে সোমবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হক-কে কমিটির সভাপতি করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি রাজিক আল জলিল, বাংলাদেশের মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি), বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইন অনুযায়ী চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের জন্য সুপারিশ দিতে এ বাছাই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দুদকের কমিশনারের প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে সার্চ কমিটি দুইজন করে প্রার্থীর নামের তালিকা প্রস্তুত করবে। পরে সেই তালিকা নিয়োগের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হবে। কমিটির কার্যক্রম পরিচালনায় প্রয়োজনীয় সচিবালয় সহায়তা দেবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
গত ৩ মার্চ দুদকের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুল মোমেন-এর নেতৃত্বাধীন কমিশন পদত্যাগ করার পর ৪ মার্চ থেকে সংস্থাটির চেয়ারম্যানের পদ শূন্য রয়েছে। একই সময়ে দুই কমিশনারের পদও খালি হয়ে যায়।
এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে চেয়ারম্যান ছাড়াই দুই কমিশনারকে নিয়ে সংস্থাটির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছিল। নতুন চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগ নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা থাকলেও এতদিন সার্চ কমিটি গঠন করা হয়নি।
উল্লেখ্য, দুদক আইন অনুযায়ী চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের আগে একটি বাছাই কমিটি গঠন বাধ্যতামূলক। ওই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
সোমবারের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দুদকের নতুন চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংস্থাটির কার্যক্রমে গতি ফিরবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা।

আপনার মতামত লিখুন