"তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামীর বাংলাদেশ গড়ি।" এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শেরপুরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১২ জুলাই রবিবার জেলা প্রশাসন ও জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা ইয়াসমিন।
জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক নিরঞ্জন বন্ধু দামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার এ. কে. এম. জহিরুল ইসলাম, জেলা পরিষদ প্রশাসক এ. বি. এম. মামুনুর রশিদ, স্থানীয় সরকার উপপরিচালক ও শেরপুর পৌরসভার প্রশাসক আরিফা সিদ্দিকা, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাকিল আহমেদ, শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কাকন রেজাসহ জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান ও প্রতিনিধিবৃন্দ, জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা জনসংখ্যা ব্যবস্থাপনা, পরিবার পরিকল্পনা, মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা, কিশোর-কিশোরীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়ন অর্জনে তরুণ প্রজন্মের সক্রিয় অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ কর্মসম্পাদনের স্বীকৃতিস্বরূপ সনদ বিতরণ করা হয়।

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
"তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামীর বাংলাদেশ গড়ি।" এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শেরপুরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১২ জুলাই রবিবার জেলা প্রশাসন ও জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা ইয়াসমিন।
জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক নিরঞ্জন বন্ধু দামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার এ. কে. এম. জহিরুল ইসলাম, জেলা পরিষদ প্রশাসক এ. বি. এম. মামুনুর রশিদ, স্থানীয় সরকার উপপরিচালক ও শেরপুর পৌরসভার প্রশাসক আরিফা সিদ্দিকা, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাকিল আহমেদ, শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কাকন রেজাসহ জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান ও প্রতিনিধিবৃন্দ, জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা জনসংখ্যা ব্যবস্থাপনা, পরিবার পরিকল্পনা, মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা, কিশোর-কিশোরীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়ন অর্জনে তরুণ প্রজন্মের সক্রিয় অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ কর্মসম্পাদনের স্বীকৃতিস্বরূপ সনদ বিতরণ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন