শেরপুর     সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
 ‍SherpurTimes24

অপরূপে সেজেছে শেরপুরের বৃষ্টি ভেজা গারো পাহাড়



অপরূপে সেজেছে শেরপুরের বৃষ্টি ভেজা গারো পাহাড়

বৃষ্টি ভেজা শেরপুরের গারো পাহাড় অপরূপ রূপে সেজেছে । পাহাড় দেখতে কে না পছন্দ করেন, মাঝেমধ্যেই আপনার মনকে পাহাড় ডাকে বুঝি? ভেবে দেখুন তো এই পাহাড় আর বৃষ্টি যদি এক সাথে থাকে? কেমন হয় ব্যাপারটা? পাহাড়ে বৃষ্টি। যদিও পাহাড়ের বৃষ্টি খানিকটা ভয় পান মানুষ। তাহলে ভারী বৃষ্টি জায়গায় মনে করুন হালকা বৃষ্টি। ঝিরঝিরি বৃষ্টির মধ্যে আপনি ঘুরে বেড়াচ্ছেন পাহাড়ে। যাই বলুন পাহাড়ের বৃষ্টিতে ঘুরে বেড়ানোর মজাই আলাদা। 

এবার বৃষ্টিভেজা পাহাড়ে ঘুরতে যেতে যারা পছন্দ করেন, তাদের জন্য রইল দারুণ একটি অফবিট জায়গার খোঁজ। আর সেটি হলো মেঘের দেশ বলে খ্যাত মেঘালয়ের সীমান্ত ঘেঁষা শেরপুরের গারো পাহাড়। এটি ঢাকা শহর থেকে প্রায় ২২০ কিলোমিটার দূরত্বে এবং ময়মনসিংহ থেকে মাত্র ১০০ কিলোমিটার উত্তরে। যেখানে রয়েছে শাল-গজারি বাগানের সবুজ ছায়া, আর হাজারো পাক-পাখালির হাক-ডাক, বিরল প্রজাতির পেঁচা আর কাঠবিড়ালির ছোটাছুটি। শাল-গজারি পাতার উপর বৃষ্টির নাচন দেখে যে কোন প্রকৃতিপ্রেমীকে মোহিত করবে। বর্ষার কারণে গারো পাহাড়ের আনাচে কানাচে অসংখ্য ছড়া বা ঝরনা-ঝোড়ায় ছুটে চলা পানির কলতান আপনার মনকে প্রশান্ত করবে।‌ পাহাড়ের কোলে মেঘেদের খেলা দেখতে দু’একটা দিন কাটিয়ে আসতে পারেন। একেবারে সমস্ত চিন্তা মুক্তি করতে পারে এই দৃশ্য। বলা বাহুল্য যে অদ্ভুত শান্তি এখানেই পাওয়া যায়। শহরের বর্ষাতে জলে কাদায় বিরক্ত হলেও বর্ষা এখানে বেশ মনোরম হয়ে ওঠে। এক কথায় অসাধারণ সুন্দর একটা জায়গা। 

“পর্যটনের আনন্দে, তুলশী মালার সুগন্ধে,’ শেরপুর জেলার ব্র্যান্ডিং এর অন্যতম জায়গা গারো পাহাড়ের বেশ কয়েকটি বেড়ানোর জায়গা রয়েছে। এসব জায়গার মধ্যে লালিতাবাড়ি উপজেলার পানিহাটা, বারোমারী মিশন, মধুটিলা ইকোপার্ক, ঝিনাইগাতি উপজেলার সন্ধ্যাকূড়া রাবার বাগান, গজনী সীমান্ত সড়ক, অবকাশ পিকনিক স্পট, শ্রীবরদী উপজেলার রাজার পাহাড়, হাড়িয়াকোনা পাহাড় সহ অসংখ্য স্থান রয়েছে বেড়ানোর। জেলায় পর্যটন কর্পোরেশনের একটি মোটেল স্থাপনের কার্যক্রমণ চলমান রয়েছে। তবে আপাতত গজনী এলাকার বনরাণী নামে একটি রিসোর্ট রয়েছে সেখানে রাত্রি যাপন এবং বর্ষা দেখার চমৎকার জায়গা। ইচ্ছে করলে সেখানেও কেউ রাত্রি যাপন করতে পারেন। তবে শেরপুর শহরে বিভিন্ন হোটেলে থেকেও সারাদিনের জন্য পাহাড় ঘুরে আসতে পারেন।

আপনার মতামত লিখুন

 ‍SherpurTimes24

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬


অপরূপে সেজেছে শেরপুরের বৃষ্টি ভেজা গারো পাহাড়

প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬

featured Image

বৃষ্টি ভেজা শেরপুরের গারো পাহাড় অপরূপ রূপে সেজেছে । পাহাড় দেখতে কে না পছন্দ করেন, মাঝেমধ্যেই আপনার মনকে পাহাড় ডাকে বুঝি? ভেবে দেখুন তো এই পাহাড় আর বৃষ্টি যদি এক সাথে থাকে? কেমন হয় ব্যাপারটা? পাহাড়ে বৃষ্টি। যদিও পাহাড়ের বৃষ্টি খানিকটা ভয় পান মানুষ। তাহলে ভারী বৃষ্টি জায়গায় মনে করুন হালকা বৃষ্টি। ঝিরঝিরি বৃষ্টির মধ্যে আপনি ঘুরে বেড়াচ্ছেন পাহাড়ে। যাই বলুন পাহাড়ের বৃষ্টিতে ঘুরে বেড়ানোর মজাই আলাদা। 


এবার বৃষ্টিভেজা পাহাড়ে ঘুরতে যেতে যারা পছন্দ করেন, তাদের জন্য রইল দারুণ একটি অফবিট জায়গার খোঁজ। আর সেটি হলো মেঘের দেশ বলে খ্যাত মেঘালয়ের সীমান্ত ঘেঁষা শেরপুরের গারো পাহাড়। এটি ঢাকা শহর থেকে প্রায় ২২০ কিলোমিটার দূরত্বে এবং ময়মনসিংহ থেকে মাত্র ১০০ কিলোমিটার উত্তরে। যেখানে রয়েছে শাল-গজারি বাগানের সবুজ ছায়া, আর হাজারো পাক-পাখালির হাক-ডাক, বিরল প্রজাতির পেঁচা আর কাঠবিড়ালির ছোটাছুটি। শাল-গজারি পাতার উপর বৃষ্টির নাচন দেখে যে কোন প্রকৃতিপ্রেমীকে মোহিত করবে। বর্ষার কারণে গারো পাহাড়ের আনাচে কানাচে অসংখ্য ছড়া বা ঝরনা-ঝোড়ায় ছুটে চলা পানির কলতান আপনার মনকে প্রশান্ত করবে।‌ পাহাড়ের কোলে মেঘেদের খেলা দেখতে দু’একটা দিন কাটিয়ে আসতে পারেন। একেবারে সমস্ত চিন্তা মুক্তি করতে পারে এই দৃশ্য। বলা বাহুল্য যে অদ্ভুত শান্তি এখানেই পাওয়া যায়। শহরের বর্ষাতে জলে কাদায় বিরক্ত হলেও বর্ষা এখানে বেশ মনোরম হয়ে ওঠে। এক কথায় অসাধারণ সুন্দর একটা জায়গা। 


“পর্যটনের আনন্দে, তুলশী মালার সুগন্ধে,’ শেরপুর জেলার ব্র্যান্ডিং এর অন্যতম জায়গা গারো পাহাড়ের বেশ কয়েকটি বেড়ানোর জায়গা রয়েছে। এসব জায়গার মধ্যে লালিতাবাড়ি উপজেলার পানিহাটা, বারোমারী মিশন, মধুটিলা ইকোপার্ক, ঝিনাইগাতি উপজেলার সন্ধ্যাকূড়া রাবার বাগান, গজনী সীমান্ত সড়ক, অবকাশ পিকনিক স্পট, শ্রীবরদী উপজেলার রাজার পাহাড়, হাড়িয়াকোনা পাহাড় সহ অসংখ্য স্থান রয়েছে বেড়ানোর। জেলায় পর্যটন কর্পোরেশনের একটি মোটেল স্থাপনের কার্যক্রমণ চলমান রয়েছে। তবে আপাতত গজনী এলাকার বনরাণী নামে একটি রিসোর্ট রয়েছে সেখানে রাত্রি যাপন এবং বর্ষা দেখার চমৎকার জায়গা। ইচ্ছে করলে সেখানেও কেউ রাত্রি যাপন করতে পারেন। তবে শেরপুর শহরে বিভিন্ন হোটেলে থেকেও সারাদিনের জন্য পাহাড় ঘুরে আসতে পারেন।


 ‍SherpurTimes24


কপিরাইট © ২০২৬ ‍SherpurTimes24 । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত