শেরপুর     মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
 ‍SherpurTimes24

২০২৭ সালের হজে অংশ নিতে অনুমতি পেল ৩৫৭ এজেন্সি



২০২৭ সালের হজে অংশ নিতে অনুমতি পেল ৩৫৭ এজেন্সি
ছবি : প্রতিনিধি

আগামী বছর (২০২৭) হজ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রথম পর্যায়ে ৩৫৭টি হজ এজেন্সিকে শর্তসাপেক্ষে প্রাথমিক অনুমতি দিয়েছে সরকার। রোববার (১৯ জুলাই) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এজেন্সিগুলোর প্রাথমিক যোগ্যতার তালিকা প্রকাশ করে।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ১৫ মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এদিকে চলতি সপ্তাহের মধ্যেই ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ ঘোষণা করা হবে।


ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তালিকাভুক্ত কোনো এজেন্সি যৌক্তিক কারণ ছাড়া ২০২৭ সালের হজ মৌসুমে হজযাত্রী নিবন্ধন (প্রাক-নিবন্ধন নয়) সম্পন্ন না করলে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হজযাত্রী নিবন্ধনের আগে তালিকাভুক্ত এজেন্সিগুলোকে পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গ্রুপ (অ্যালায়েন্স) গঠন করতে হবে। সৌদি সরকারের নির্ধারিত ন্যূনতম হজযাত্রীর কোটা কোনো এজেন্সি এককভাবে বা সমন্বয়ের মাধ্যমে পূরণ করতে পারলে সেই এজেন্সি বা লিড এজেন্সি হজযাত্রী পাঠানোর অনুমতি পাবে।

এজেন্সিগুলোকে ই-হজ সিস্টেমে সরকার ঘোষিত প্যাকেজ অনুযায়ী হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। এই প্যাকেজই হজযাত্রী ও এজেন্সির মধ্যকার চুক্তিপত্র হিসেবে বিবেচিত হবে। এতে সৌদি আরবে প্রদেয় সেবা, অবস্থানকাল, হোটেলের দূরত্ব এবং প্যাকেজের মূল্য বাধ্যতামূলকভাবে উল্লেখ করতে হবে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রতিটি এজেন্সিকে অন্তত ৪৪ জন হজযাত্রী নিবন্ধন করতে হবে। এ সংখ্যা পূরণ না হলে লিড এজেন্সির অধীন অন্য কোনো এজেন্সিতে হজযাত্রী স্থানান্তরের (ট্রান্সফার) মাধ্যমে তাদের হজ পালনের ব্যবস্থা করতে হবে।

এছাড়া প্রতি ৪৪ জন হজযাত্রীর জন্য একজন আরবি ভাষায় দক্ষ, তথ্যপ্রযুক্তি-জ্ঞানসম্পন্ন এবং হজ পরিচালনায় অভিজ্ঞ গাইড নিয়োগ দিতে হবে। গাইডের পাসপোর্ট ও হজ-অভিজ্ঞতার তথ্য ই-হজ সিস্টেমে সংযুক্ত করাও বাধ্যতামূলক।

মন্ত্রণালয় আরও সতর্ক করে জানিয়েছে, অনিবন্ধিত কাউকে হজযাত্রী হিসেবে সৌদি আরবে পাঠানোর চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির লাইসেন্স কারণ দর্শানোর সুযোগ ছাড়াই বাতিল করা হবে। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

এদিকে পরবর্তীতে কোনো এজেন্সি প্রয়োজনীয় হালনাগাদ তথ্যসহ আবেদন করলে যাচাই-বাছাই শেষে তাদের নাম পরবর্তী যোগ্যতার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তবে যোগ্য তালিকায় থাকা কোনো এজেন্সির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে কারণ দর্শানোর সুযোগ ছাড়াই তাদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত লাইসেন্স নবায়নের শর্তে এজেন্সিগুলোকে যোগ্য তালিকায় রাখা হয়েছে। যেসব এজেন্সির লাইসেন্স এর আগে শেষ হবে, তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নবায়ন সম্পন্ন করতে হবে।

এছাড়া প্রতিটি এজেন্সিকে হালনাগাদ হজ লাইসেন্স, ট্রাভেল লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স ও আয়কর সনদ জমা দিয়ে ঢাকা হজ অফিসের পরিচালকের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করতে হবে।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, যোগ্য তালিকাভুক্ত এজেন্সি ছাড়া অন্য সব এজেন্সির প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম আপাতত বন্ধ থাকবে। পরবর্তীতে কোনো এজেন্সি যোগ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলে তাদের প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম চালুর সুযোগ দেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

 ‍SherpurTimes24

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬


২০২৭ সালের হজে অংশ নিতে অনুমতি পেল ৩৫৭ এজেন্সি

প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬

featured Image

আগামী বছর (২০২৭) হজ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রথম পর্যায়ে ৩৫৭টি হজ এজেন্সিকে শর্তসাপেক্ষে প্রাথমিক অনুমতি দিয়েছে সরকার। রোববার (১৯ জুলাই) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এজেন্সিগুলোর প্রাথমিক যোগ্যতার তালিকা প্রকাশ করে।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ১৫ মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এদিকে চলতি সপ্তাহের মধ্যেই ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ ঘোষণা করা হবে।


ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তালিকাভুক্ত কোনো এজেন্সি যৌক্তিক কারণ ছাড়া ২০২৭ সালের হজ মৌসুমে হজযাত্রী নিবন্ধন (প্রাক-নিবন্ধন নয়) সম্পন্ন না করলে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হজযাত্রী নিবন্ধনের আগে তালিকাভুক্ত এজেন্সিগুলোকে পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গ্রুপ (অ্যালায়েন্স) গঠন করতে হবে। সৌদি সরকারের নির্ধারিত ন্যূনতম হজযাত্রীর কোটা কোনো এজেন্সি এককভাবে বা সমন্বয়ের মাধ্যমে পূরণ করতে পারলে সেই এজেন্সি বা লিড এজেন্সি হজযাত্রী পাঠানোর অনুমতি পাবে।

এজেন্সিগুলোকে ই-হজ সিস্টেমে সরকার ঘোষিত প্যাকেজ অনুযায়ী হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। এই প্যাকেজই হজযাত্রী ও এজেন্সির মধ্যকার চুক্তিপত্র হিসেবে বিবেচিত হবে। এতে সৌদি আরবে প্রদেয় সেবা, অবস্থানকাল, হোটেলের দূরত্ব এবং প্যাকেজের মূল্য বাধ্যতামূলকভাবে উল্লেখ করতে হবে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রতিটি এজেন্সিকে অন্তত ৪৪ জন হজযাত্রী নিবন্ধন করতে হবে। এ সংখ্যা পূরণ না হলে লিড এজেন্সির অধীন অন্য কোনো এজেন্সিতে হজযাত্রী স্থানান্তরের (ট্রান্সফার) মাধ্যমে তাদের হজ পালনের ব্যবস্থা করতে হবে।

এছাড়া প্রতি ৪৪ জন হজযাত্রীর জন্য একজন আরবি ভাষায় দক্ষ, তথ্যপ্রযুক্তি-জ্ঞানসম্পন্ন এবং হজ পরিচালনায় অভিজ্ঞ গাইড নিয়োগ দিতে হবে। গাইডের পাসপোর্ট ও হজ-অভিজ্ঞতার তথ্য ই-হজ সিস্টেমে সংযুক্ত করাও বাধ্যতামূলক।

মন্ত্রণালয় আরও সতর্ক করে জানিয়েছে, অনিবন্ধিত কাউকে হজযাত্রী হিসেবে সৌদি আরবে পাঠানোর চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির লাইসেন্স কারণ দর্শানোর সুযোগ ছাড়াই বাতিল করা হবে। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

এদিকে পরবর্তীতে কোনো এজেন্সি প্রয়োজনীয় হালনাগাদ তথ্যসহ আবেদন করলে যাচাই-বাছাই শেষে তাদের নাম পরবর্তী যোগ্যতার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তবে যোগ্য তালিকায় থাকা কোনো এজেন্সির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে কারণ দর্শানোর সুযোগ ছাড়াই তাদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত লাইসেন্স নবায়নের শর্তে এজেন্সিগুলোকে যোগ্য তালিকায় রাখা হয়েছে। যেসব এজেন্সির লাইসেন্স এর আগে শেষ হবে, তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নবায়ন সম্পন্ন করতে হবে।

এছাড়া প্রতিটি এজেন্সিকে হালনাগাদ হজ লাইসেন্স, ট্রাভেল লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স ও আয়কর সনদ জমা দিয়ে ঢাকা হজ অফিসের পরিচালকের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করতে হবে।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, যোগ্য তালিকাভুক্ত এজেন্সি ছাড়া অন্য সব এজেন্সির প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম আপাতত বন্ধ থাকবে। পরবর্তীতে কোনো এজেন্সি যোগ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলে তাদের প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম চালুর সুযোগ দেওয়া হবে।


 ‍SherpurTimes24


কপিরাইট © ২০২৬ ‍SherpurTimes24 । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত