ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের ঝিনাইগাতি ও নালিতাবাড়ী উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) সকাল থেকে পানি বৃদ্ধির ফলে নালিতাবাড়ী উপজেলার চেল্লাখালি নদীর পানি বিপদসীমার ৩২৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া বৃদ্ধি পাচ্ছে ভোগাই ও মহারশী নদীর পানি। দ্রুত পানি বৃদ্ধির ফলে নালিতাবাড়ী উপজেলার কলসপাড় ও যোগানীয়া ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের দুই শতাধিক পরিবারের মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন ।
চেল্লাখালী নদীর পানি বিপদ সীমানার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় শেরপুর-গাজিরখামার-নালিতাবাড়ি সড়কের বালুঘাটা গোল্লার পাড় এলাকায় পাকা সড়কের উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে বিভিন্ন যানবাহন। এছাড়া পানি বৃদ্ধির ফলে ঝিনাইগাতি সদর বাজারে ভোগান্তি বেড়েছে ব্যবসায়ীদের। সাধারণ মানুষ পানি ভেঙ্গে চলাচল করছে। পানির তীব্র স্রোতে ভেসে গেছে কয়েকটি মাছের ঘের, পানির নিচে তলিয়ে গেছে গ্রীষ্মকালীন সবজি খেত ও সদ্য রোপনকৃত আমনের বীজতলা।
শেরপুর জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন জানান, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সব ধরনের প্রস্তুতি রেখেছেন তারা। এছাড়া বন্যার্ত পরিবারের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে চালসহ শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের ঝিনাইগাতি ও নালিতাবাড়ী উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) সকাল থেকে পানি বৃদ্ধির ফলে নালিতাবাড়ী উপজেলার চেল্লাখালি নদীর পানি বিপদসীমার ৩২৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া বৃদ্ধি পাচ্ছে ভোগাই ও মহারশী নদীর পানি। দ্রুত পানি বৃদ্ধির ফলে নালিতাবাড়ী উপজেলার কলসপাড় ও যোগানীয়া ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের দুই শতাধিক পরিবারের মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন ।
চেল্লাখালী নদীর পানি বিপদ সীমানার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় শেরপুর-গাজিরখামার-নালিতাবাড়ি সড়কের বালুঘাটা গোল্লার পাড় এলাকায় পাকা সড়কের উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে বিভিন্ন যানবাহন। এছাড়া পানি বৃদ্ধির ফলে ঝিনাইগাতি সদর বাজারে ভোগান্তি বেড়েছে ব্যবসায়ীদের। সাধারণ মানুষ পানি ভেঙ্গে চলাচল করছে। পানির তীব্র স্রোতে ভেসে গেছে কয়েকটি মাছের ঘের, পানির নিচে তলিয়ে গেছে গ্রীষ্মকালীন সবজি খেত ও সদ্য রোপনকৃত আমনের বীজতলা।
শেরপুর জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন জানান, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সব ধরনের প্রস্তুতি রেখেছেন তারা। এছাড়া বন্যার্ত পরিবারের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে চালসহ শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন