শেরপুর     বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
 ‍SherpurTimes24

জামালপুরে স্ত্রীকে হত্যার ১৪ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড



জামালপুরে স্ত্রীকে হত্যার ১৪ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
ছবি : প্রতিনিধি

জামালপুরে যৌতুকের দাবীতে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী হাফিজুল হককে (৩৯) মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত। সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন।


নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানান, ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার চর মায়া কলমী গ্রামের আমেনা বেগম দুই মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে ঢাকায় সবজি ব্যবসা করতেন। ঢাকার মিরপুর এলাকায় একটি কলার আড়তের পাশের একটি ভাড়া বাসায় তারা বসবাস করত। ওই কলার আড়তে কাজ করার সুবাদে জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়নের মেরুরচর গ্রামের মৃত প্রধান মিয়ার ছেলে হাফিজুল হকের সাথে আমেনা বেগমের দ্বিতীয় মেয়ে হুনফা আক্তারের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এক পর্যায়ে ২০১২ সালে তারা পালিয়ে বিয়ে করে। পরে পারিবারিকভাবে বিষয়টি মেনে নেয়া হয়। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই স্ত্রী হুনুফাকে এক লাখ টাকা যৌতুকের জন্য নির্যাতন করে আসছিলো স্বামী হাফিজুল হক। যৌতুকের দাবীতে ওই বছরের ৪ সেপ্টেম্বর স্বামী হাফিজুল হক জামালপুরের বকশীগঞ্জে তার নিজ বাড়িতে স্ত্রী হুনফাকে শ্বাসরোধ হত্যা করেন। এ ঘটনার কয়েকদিন পর ১৯ সেপ্টেম্বর নিহতের মা আমেনা বেগম বাদী হয়ে বকশীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘদিন আইনি প্রক্রিয়ার পর ৭ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ১৪ বছর পর আজ আসামীর উপস্থিতিতে মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী হাফিজুল হককে মৃত্যুদন্ড ও ভূক্তভোগীকে প্রদানের জন্য ৫ লাখ টাকা জরিমানা করেন বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ফজলুল হক ও আসামী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মো: মোজাম্মেল হক।

আপনার মতামত লিখুন

 ‍SherpurTimes24

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬


জামালপুরে স্ত্রীকে হত্যার ১৪ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬

featured Image

জামালপুরে যৌতুকের দাবীতে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী হাফিজুল হককে (৩৯) মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত। সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন।


নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানান, ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার চর মায়া কলমী গ্রামের আমেনা বেগম দুই মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে ঢাকায় সবজি ব্যবসা করতেন। ঢাকার মিরপুর এলাকায় একটি কলার আড়তের পাশের একটি ভাড়া বাসায় তারা বসবাস করত। ওই কলার আড়তে কাজ করার সুবাদে জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়নের মেরুরচর গ্রামের মৃত প্রধান মিয়ার ছেলে হাফিজুল হকের সাথে আমেনা বেগমের দ্বিতীয় মেয়ে হুনফা আক্তারের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এক পর্যায়ে ২০১২ সালে তারা পালিয়ে বিয়ে করে। পরে পারিবারিকভাবে বিষয়টি মেনে নেয়া হয়। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই স্ত্রী হুনুফাকে এক লাখ টাকা যৌতুকের জন্য নির্যাতন করে আসছিলো স্বামী হাফিজুল হক। যৌতুকের দাবীতে ওই বছরের ৪ সেপ্টেম্বর স্বামী হাফিজুল হক জামালপুরের বকশীগঞ্জে তার নিজ বাড়িতে স্ত্রী হুনফাকে শ্বাসরোধ হত্যা করেন। এ ঘটনার কয়েকদিন পর ১৯ সেপ্টেম্বর নিহতের মা আমেনা বেগম বাদী হয়ে বকশীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘদিন আইনি প্রক্রিয়ার পর ৭ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ১৪ বছর পর আজ আসামীর উপস্থিতিতে মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী হাফিজুল হককে মৃত্যুদন্ড ও ভূক্তভোগীকে প্রদানের জন্য ৫ লাখ টাকা জরিমানা করেন বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ফজলুল হক ও আসামী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মো: মোজাম্মেল হক।


 ‍SherpurTimes24


কপিরাইট © ২০২৬ ‍SherpurTimes24 । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত