শেরপুরে বেসরকারি তাজ কোল্ড স্টোরেজে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে অ্যামোনিয়া গ্যাস লিকেজে প্রায় ৫৭ হাজার বস্তা বীজ ও খাবার আলু নষ্টের ঘটনায় ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন কৃষকরা। ২৩ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে শহরের বিসিক শিল্পনগরী ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় কৃষকরা কোল্ড স্টোরেজে রাখা বীজ ও খাবার আলুর ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দাবি করেন।
পরে কৃষক ও কোল্ড স্টোরেজ কর্তৃপক্ষের সাথে সাথে বৈঠকে বসে কৃষকদের ন্যায্য ক্ষতিপৃূরণ দ্রুত সময়ের মধ্যে আদায়ের আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে জেলা পরিষদ প্রশাসক এবিএম মামুনুর রশীদ পলাশ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শাকিল আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. মিজানুর রহমান ভূঁঞা, এনএসআই এর উপপরিচালক ইফতেখার হোসেনসহ কৃষক প্রতিনিধি ও কোল্ড স্টোরেজের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ১৪ জুলাই তাজ কোল্ড স্টোরেজের রেফ্রিজারেশন ইউনিটের পাইপ ফেটে গিয়ে বিষাক্ত অ্যামোনিয়া গ্যাস লিক হয়ে প্রায় ৫৭ হাজার বস্তা আলু পঁচে যায়। এতে ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়েছেন আলুচাষি ও ব্যবসায়ীরা। একইসাথে আসন্ন আলু চাষের মৌসুমে বীজ সংকটে পড়ার শঙ্কায় কৃষকদের মাথায় হাত পড়েছে।

শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
শেরপুরে বেসরকারি তাজ কোল্ড স্টোরেজে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে অ্যামোনিয়া গ্যাস লিকেজে প্রায় ৫৭ হাজার বস্তা বীজ ও খাবার আলু নষ্টের ঘটনায় ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন কৃষকরা। ২৩ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে শহরের বিসিক শিল্পনগরী ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় কৃষকরা কোল্ড স্টোরেজে রাখা বীজ ও খাবার আলুর ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দাবি করেন।
পরে কৃষক ও কোল্ড স্টোরেজ কর্তৃপক্ষের সাথে সাথে বৈঠকে বসে কৃষকদের ন্যায্য ক্ষতিপৃূরণ দ্রুত সময়ের মধ্যে আদায়ের আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে জেলা পরিষদ প্রশাসক এবিএম মামুনুর রশীদ পলাশ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শাকিল আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. মিজানুর রহমান ভূঁঞা, এনএসআই এর উপপরিচালক ইফতেখার হোসেনসহ কৃষক প্রতিনিধি ও কোল্ড স্টোরেজের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ১৪ জুলাই তাজ কোল্ড স্টোরেজের রেফ্রিজারেশন ইউনিটের পাইপ ফেটে গিয়ে বিষাক্ত অ্যামোনিয়া গ্যাস লিক হয়ে প্রায় ৫৭ হাজার বস্তা আলু পঁচে যায়। এতে ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়েছেন আলুচাষি ও ব্যবসায়ীরা। একইসাথে আসন্ন আলু চাষের মৌসুমে বীজ সংকটে পড়ার শঙ্কায় কৃষকদের মাথায় হাত পড়েছে।

আপনার মতামত লিখুন